chudamoni-2
Samir mahat
সমীর মাহাত

মন্ত্রিত্ব খোয়ানোয় কোনো ক্ষোভ নেই চূড়ামণি মাহাতোর, তবে জেলা তৃণমূলের অন্দরে চর্চা জারি “চক্রান্ত্রের”। সে সবকে তোয়াক্কা না করে লোকসভার জন্য দলীয় কর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন তিনি।

মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর এই প্রথম নিজের প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের অনগ্রসর কল্যাণ দফতরের বিদায়ী মন্ত্রী চূড়ামণি মাহাত। রবিবার দলের পঞ্চায়েতে বিজয়ী প্রার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উপলক্ষে লোধাশুলির সরকারি”পদসাথী” হলের সভায় তিনি বলেন, “দল আমাকে প্রার্থী করে পাঁচ বছরের বিধায়ক ও মন্ত্রী করেছিল, দলের সিদ্ধান্ত সবসময় মেনেছি, এই ঘটনাও মাথা পেতে নিয়েছি”।

উল্লেখ্য, এর আগে বিষয়টি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলে ঝাড়গ্রামে এসে জানান দলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। বহু আগেই ঝাড়গ্রামের প্রশাসনিক কাজ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভর্ৎসনা করেন চূড়ামণিকে। সে সময় থেকেই জঙ্গল মহলে তাঁকে নিয়ে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়। জেলা সভাপতির পদ খোয়ান তিনি। এ বারে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফল খারাপের পর মন্ত্রিত্ব খোয়ান চূড়ামণি। পাশাপাশি দলের অন্দরে “চক্রান্ত্রের” চর্চা শুরু হয়। দলের একাংশের মতে, বিষয়টা সে রকম হলে পুরুলিয়ার মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতর এলাকাতেও ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। তবে ‘এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করার এক্তিয়ার নেই, ঘটনাটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত’ বলে ব্যাখ্যা করেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

এ দিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের পর্যবেক্ষক প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা নেতা শিবেন্দ্রবিজয় মল্লদেব, ঝাড়গ্রাম যুব ব্লক সভাপতি অশোক মাহাত, ব্লক সভাপতি অনিল মণ্ডল প্রমুখ। এ দিনের সভায় জয়ী প্রতিনিধিদের বুথওয়াড়ি সভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কেন দলীয় সমর্থকরা মুখ ফিরিয়েছেন, তার কারণ অনুসন্ধান করে দশ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here