চুঁচুড়া: তরুণ ফুটবলার স্নেহাশিস দাশগুপ্তের মৃত্যৃ রহস্যের সমাধান করতে তদন্ত ভার তুলে দেওয়া হল সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে মৃতের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামী পিন্টু নাগ সহ তিনজনকে।

গত নবমীর রাতে বন্ধুদের সঙ্গে বচসা হয় পোর্টট্রাস্টের গোলকিপার শ্রীরামপুরের তারাপুকুরের বি ব্লকের বাসিন্দা স্নেহাশিস দাশগুপ্তের। পরের দিন সকালে শ্রীরামপুর রেল স্টেশনের কাছ থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃতদেহ।

স্নেহাশিসের পরিবারের অভিযোগ, বচসার পর কয়েকজন বন্ধু এসে তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। তাঁকে মারধর করা হয় এবং তুলেও নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি স্নেহাশিস।

cid-to-investigate-snehasish-dasgupta-death
পুলিশের সঙ্গে পিন্টু সাহা

ঘটনার দিন সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁর ফেসবুক পেজে স্ট্যাটস আপডেট হয়। তাতে লেখা হয়, ‘‘আসি সবাই, আর থাকতে মন করছে না এই সমাজে, এই যুগে ভালবাসা বলে কিছু হয় না, সবাই স্বার্থপর, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’’

এই স্ট্যাটাস আপডেট দেখে মনে করা হচ্ছিল স্নেহাশিস আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু স্নেহাশিসের মা রিঙ্কু দাশগুপ্তের দাবি তাঁকে খুন করা হয়েছে। সোমবার স্নেহাশিসের বাবা দোলন দাশগুপ্ত শেওড়াফুলি জিআরপতে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে আসেন তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামী সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে।

প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার সন্ধেতে গ্রেফতার করা হয় পিন্টু নাগ সহ তিনজনকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here