majherhat kolkata bridge collapse
কমিটির সদস্য-সদস্যারা। নিজস্ব চিত্র।
papiya mitra
পাপিয়া মিত্র

ছোটো থেকে যে সেতু দিয়ে নিত্য যাওয়া-আসা, সেই সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ল মঙ্গলবার। মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে ঘরে বসে থাকতে না পেরে ঘটনাস্থলে চলে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা গৌতম হালদার। নিজের চোখে সব কিছু দেখে এসে সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপে জানিয়ে দেন ‘ওদের’ জন্য কিছু করা দরকার।

গ্রুপে সম্মতি আসতে থাকে। বুধবার দুপুরে কিছু আলোচনা আর কেনাকাটা। সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘুরে যাওয়ার পরেই নেমে পড়েন ‘বেহালা পশ্চিম সংহতি কাপ টুর্নামেন্ট কমিটি’র সদস্যরা। সকালে কাজে বের হওয়ার সময়ে গৌতমবাবু একবার দেখতে গিয়েছিলেন দুর্ঘটনাস্থল। তখনই তাঁর মাথায় আসে কিছু একটা করা দরকার।

ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজের জন্য প্রায় ছ’শো মানুষ কাজ করছেন। কিন্তু পানীয় জলের অভাব। তখনই দেরি না করে এই মানুষগুলোর পাশে থাকার পরিকল্পনা নেন। প্রথমে দড়ি বেঁধে জলের বোতলের পেটি নামানো হয় প্রায় ৬৫টি। এ ছাড়াও চা, বিস্কুট, শিঙাড়া দেওয়া হয়। দু’টি পথে উদ্ধারকর্মীদের কাছে এই খাবারদাবার পৌঁছে দিয়েছিলেন কমিটির সদস্যরা।

আরও পড়ুন উদ্ধার হল আরও ১টি দেহ, মাঝেরহাট সেতু দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে
নিজস্ব চিত্র।

এক দিকে যেমন ওপর থেকে দড়ি বেঁধে নামানো হয় চা-জল, তেমনই মাঝেরহাট ব্রিজের তলা দিয়ে সন্তোষ রায় রোড দিয়েও শুকনো খাবার-জল চা পৌঁছে দেওয়া হয়ে। দলে ছিলেন জনা কুড়ি সদস্য। ছড়িয়ে ছিটিয়ে সকলেই নেমে পড়েন সাহায্য করতে। এই কমিটির এ হেন উদ্যোগে খুশি উদ্ধারকর্মী এবং অঞ্চলের বাসিন্দারা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন