Mamata Banerjee
বুধবার চেতলায় মমতা

কলকাতা: গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মার্চের ১০ তারিখে হলদিয়ায় মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা করেন তিনি। এ বার ভবানীপুরের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েও সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখেই মনোনয়ন পেশ করতে চলেছেন তিনি।

বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মমতা। তবে পরাজিত হন। ভোটের ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

মমতা জানিয়েছেন, ১০ তারিখে ভবানীপুরের উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করবেন। ভবানীপুর বিধানসভার প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিলের কাজকর্ম হয় আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিংয়ে। কোভিড পরিস্থিতিতে মনোনয়নের সময় যাতে কোনো রকম ভাবে কর্মী সমর্থকদের ভিড় না হয়, সে বিষয়ে সভা থেকেই কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

‘ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে’

বুধবার চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা থেকে নন্দীগ্রামের ফলাফল নিয়ে মমতা বলেন, “একটা আসনে আমি হেরেছি। মামলা করেছি। কারচুপির প্রমাণ আছে বলেই আদালতে মামলা গৃহীত হয়েছে। খালি ছাপ্পা করা হয়েছে, কাউকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। আমি বাধ্য হয়ে একটা বুথে গিয়ে দু’ঘণ্টা বসেছিলাম। আমার কথা শোনা হয়নি”।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সাল থেকে দু’বার ভবানীপুরে জয়ী হন মমতা। প্রথম বার উপনির্বাচনে এবং পরের বার ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে। ২০২১-এ নন্দীগ্রামে পরাজিত হলেও নিজের কেন্দ্রে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

এ বার ‘ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে’ হিসাবে তুলে ধরা হচ্ছে তৃণমূল প্রার্থী মমতাকে। চার দিকে পোস্টার, ব্যানারে ছয়লাপ। ৩০ সেপ্টেম্বর এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। মমতা এ দিন বলেন, “ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল। কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি। আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি”।

খড়দহে শোভনদেব

গত ২১ মে ভবানীপুরের বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তখনই স্পষ্ট হয়ে যায়, মমতা ওই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন। ৫ মে তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন মমতা। নিয়ম অনুযায়ী, ৬ মাসের মধ্যে বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হতে হবে মমতাকে।

অন্য দিকে, ভবানীপুর থেকে জিতে এ বারও মন্ত্রিসভায় শামিল হয়েছেন শোভনদেব। তাঁর হাতে রয়েছে কৃষি দফতরের দায়িত্ব। এ প্রসঙ্গে মমতা এ দিন বলেন, ভবানীপুর থেকে জিতেছিলেন শোভনদেব, তিনি পদত্যাগ করেছেন। খড়দহ থেকে প্রার্থী করা হবে তাঁকে।

মমতার কথায়, “আমার জন্য তিনি (শোভনদেব) ভবানীপুরের বিধায়কপদ ছেড়েছেন। তবে মন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ চালিয়ে যাবেন”। তৃণমূল বিধায়ক কাজল সিনহার মৃত্যুর পর খড়দহের আসনটিও ফাঁকা হয়ে যায়। এর পরই খড়দহ থেকে তাঁকে প্রার্থী করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল।

আরও কিছু উল্লেখযোগ্য খবর পড়ুন এখানে

ভবানীপুর উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল সিপিএম

আফগানিস্তানে সরকার ঘোষণা হতেই দিল্লিতে সিআইএ প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করলেন অজিত ডোভাল

বিশ্বভারতীর তিন ছাত্রের বহিষ্কারে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট

হাজিরার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল ইডি

অসুস্থ মুকুল রায়, আর্জি রাখতে পিএসি মামলায় ২ দিন বাড়তি সময় দিল হাইকোর্ট

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন