CPIM Congress
গ্রাফিক্স ছবি

কলকাতা: লোকসভা ভোটে কংগ্রেস-সিপিএমের জোট নিয়ে দু’দলই পড়েছে ঘরে-বাইরে চাপের মুখে। কংগ্রেসের প্রভাবশালী একটা অংশ যখন তৃণমূলের সঙ্গে জোটে আগ্রহী, তখন অন্য একটা অংশ ঘোর বিরোধী। একই ভাবে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটি যখন কংগ্রেসর হাত ধরতে উদগ্রীব, তখন বামফ্রন্টের অন্য শরিকরা দিয়ে চলেছে চরম হুঁশিয়ারি। এমতাবস্থায়, আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে কংগ্রেস-সিপিএমের জোটবদ্ধ ‘লড়াই’ নিশ্চিত।

গত বুধবারই কংগ্রেস ও সিপিএমের পরিষদীয় দলনেতা আবদুল মান্নান ও সুজন চক্রবর্তী যৌথভাবে সাংবাদিক বৈঠক করে তেমন বার্তাই দিয়েছেন। দু’জনেই এক সুরে জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের মানুষের স্বার্থবাহী সমস্ত ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে বিধানসভায় পারস্পরিক বোঝাপড়া করে চলবে কংগ্রেস-সিপিএম।

আবদুল মান্নান জানিয়েছে, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন পরিকাঠামো, লালগড়ে সাম্প্রতিক ৭ জন শবরের অকালমৃত্যু-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হবে। সরকার পক্ষ তাতে রাজি না হলে কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসবে।

আরও পড়ুন: হংকংয়ের সিএলএসএ জানাল, ২০১৯-এ রাহুল গান্ধীর চাই ১৫০ আসন

তবে যাই হোক, প্রশ্ন এখন একটাই। তা হল আগামী লোকসভা নির্বাচনে কী হতে চলেছে? সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, দল রাজ্য ভিত্তিক নির্বাচনী সমঝোতায় যাবে। রাজ্যগুলি থেকে উঠে আসা ঐক্যবদ্ধ লড়াই পরে জাতীয় স্তরে উন্নীত হবে। সে ক্ষেত্রে সিপিএম ফরওয়ার্ড ব্লক বা আরএসপির মতো শরিকের দাবিকে কতটা মান্যতা দেবে, সেটাই দেখার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here