cpim2

ওয়েবডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনা এ বার প্রবল ভাবে চেপে ধরল রাজধানী কলকাতাকেও। এত দিন জেলায় জেলায় ঘটে চলা সংঘর্ষ এ বার যেন গ্রাস করল কলকাতার জনজীবনকেও। যার ফলে চরম ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ।

সকালেই হাইকোর্ট পঞ্চায়েত নিয়ে দায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতে রায় দেয়। বলা হয়, আগামী সোমবার পর্যন্ত স্থগিত থাকবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের কর্মকাণ্ড। রাজ্য নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে রিপোর্ট জমা করার পরই চূড়ান্ত রায় দিতে পারে হাইকোর্ট। কিন্তু আদালতের সেই রায় ঘোষণার পরেও থামেনি বিবাদ। পথে রয়েছে শাসক-বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলই।

শুক্রবার বামেরা পথে নামে তাদের ডাকা ১৩ এপ্রিলের বাংলা বন্‌ধ সফল করার বার্তা দিতে। সিপিএমের ছাত্র ও যুব সংগঠনের সদস্যদের প্রতিবাদ মিছিল নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। নির্বাচন কমিশনের সামনে বামেদের বিক্ষোভ মাত্রা ছাড়ালে গ্রেফতার করা হয় বেশ কয়েকজন বামপন্থী কর্মীকে। অভিযোগ উঠছে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠি চালিয়েছে। মল্লিকবাজার মোড়ে পথ অবরোধ করেন বাম সমর্থকরা।

বিজেপির ধরনা চলছে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, বাবুল সুপ্রিয় এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়রা।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী-সহ এক দল প্রতিনিধি দেখা করতে যান রাজ্যপালের সঙ্গে। সেখানে তাঁরা রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলে রাজভবনের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

অন্য দিকে বসে নেই তৃণমূল কংগ্রেসও। দলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আগামী শুক্রবারের বন্‌ধের বিরোধিতা করে বিশাল মিছিল বের হয়। অন্য দিকে বিদ্বজ্জনরা সাংবাদিক বৈঠক করেন কলকাতা প্রেস ক্লাবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here