Adhir Ranjan chowdhuty
সাংবাদিক বৈঠকে অধীররঞ্জন চৌধুরী। ফাইল ছবি

খবর অনলাইন ডেস্ক: বাম-আইএসএফের সঙ্গে জোট করেও বিধানসভা ভোটে আটকানো যায়নি ভরাডুবি। ৪০-এর উপর থেকে আসন সংখ্যা নেমে এসেছে শূন্য-তে। ভোটের পর জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে প্রথম বৈঠকের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী কার্যত জোটের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন।

শনিবার প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে সাংবাদিক সম্মেলনে অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, বাম-কংগ্রেস জোটের সঙ্গে আইএসএফ-এর জুড়ে যাওয়াকে মানুষ ভালো ভাবে নেননি। যার স্পষ্ট প্রভাব পড়েছে ভোটের ফলাফলে। আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট হওয়ায় একটা বড়ো অংশের মানুষ বাম-কংগ্রেসের দিক থেকে সরে গিয়েছেন। তাঁরা বিকল্প হিসেবে তৃণমূলকেই বেছে নিয়েছেন।

পুরভোটে জোট হবে কি?

একই সঙ্গে পুরভোটে বামেদের সঙ্গে কংগ্রেস জোটে যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ বলেন, “স্থানীয় নির্বাচনে আমরা বামেদের সঙ্গে জোট করে আসন সমঝোতা করব কি না, তা বলার সময় এখনও আসেনি। কারণ জোটের যে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আমরা তৈরি করতে চেয়েছিলাম মাঝখানে আইএসএফ প্রবেশ করে তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নতুন করে জোট তৈরি করতে গেলে সেই সব প্রশ্নের সমাধান করতে হবে”।

সংযুক্ত মোর্চায় এখন কংগ্রেসের অবস্থান কী?

বিধানসভা ভোটের আগে গড়ে উঠেছিল সংযুক্ত মোর্চা। বামফ্রন্ট-কংগ্রেস এবং আইএসএফ-এর এই জোট থেকে মুখ ফিরিয়েছে মানুষ। আর কংগ্রেস? অধীর বলেন, “এই মুহূর্তে আমরা জোটে নেই অথবা জোটে আছি কি না, দু’টোর কোনোটাই বলা যাবে না। কংগ্রেস আইএসএফের সঙ্গে কোনো জোট করেনি। বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে জোট করে ৯২টি আসনে লড়েছিল কংগ্রেস। আইএসএফ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছিল”।

[আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকি]

আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট না হওয়ার জোরালো প্রমাণ হিসেবে তিনি বলেন, যদি জোট হতো, তা হলে কি আইএসএফ প্রার্থী দিত কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। আইএসএফ নেতা কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচারে পর্যন্ত গিয়েছিলেন, তা হলে কী করে বলা যাবে, জোট হয়েছিল?

আরও পড়তে পারেন: মিলখা সিংকে সম্মান জানানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সুভাষ চক্রবর্তীও

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন