Connect with us

রাজ্য

কলকাতায় কমল কনটেনমেন্ট জোন!

যা করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গোটা রাজ্যকেই কিছুটা হলেও আশার আলো দেখাচ্ছে।

ওয়েবডেস্ক: তুলনামূলক ভাবে কমল কলকাতায় কোভিড-১৯ কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। যা করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গোটা রাজ্যকেই কিছুটা হলেও আশার আলো দেখাচ্ছে।

গত ১০ জুন কলকাতায় কনটেনমেন্ট জোন ছিল ১,১২৭টি। ২০ জুন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়ে যায় ১,৬৬২টি। রাজ্য সরকারের দেওয়া এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট যে, শহর কলকাতায় কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। এ ভাবে বাড়তে থাকলে ২০ জুন থেকে আরও ১০ দিন বাদে এই সংখ্যাটা দু’হাজার পার হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই বৃদ্ধির হার স্থিমিত হয়েছে।

কোন জেলায় কত কনটেনমেন্ট জোন

কলকাতা-১৭৯৬

হাওড়া-১৪৬

দক্ষিণ ২৪ পরগনা-১২০

উত্তর ২৪ পরগনা-২১৯

পশ্চিম মেদিনীপুর- ২০৯

হুগলি-৭১

পূর্ব বর্ধমান- ১৩০

পূর্ব মেদিনীপুর-৫

মালদহ- ২০

জলপাইগুড়ি- ৫

দার্জিলিং-২

উত্তর দিনাজপুর- ৪৮

মুর্শিদাবাদ- ৪

বাঁকুড়ায- ৩১

বীরভূম- ৯

কোচবিহার- ৩৫

দক্ষিণ দিনাজপুর- ১

এখনকার কনটেনমেন্ট জোন

রাজ্যে এখন মোট কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ৩,৫৩২টি। এখন কনটেনমেন্ট জোন বলতে বোঝায়, আক্রান্তের বাড়ি অথবা নির্দিষ্ট একটি চত্বরেই সীমাবদ্ধ। আগে যে ভাবে আক্রান্তের হদিশ মিললে একটি গোটা পাড়াকে কনটেনমেন্ট জোন হিসাবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হতো, এখন তেমনটা নয়। যে কারণে আনলক পর্যায় শুরু হওয়ার পর কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর পর রাজ্য সরকার গত সোমবার যে নির্দেশিকা প্রকাশ করে, তাতে বলা হয়েছে যে কনটেনমেন্ট জোনে ৩১ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন জারি থাকবে। প্রত্যেক জেলার ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরের ওয়েবসাইটে কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা পাওয়া যাবে।

অর্থাৎ, কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে আগের মতোই লকডাউনের কড়াকড়ি জারি থাকবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ি থেকে বেরোতে পারবেন না। ওই অঞ্চলে শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে।

রাজ্যে করোনা

শেষ দু’দিন পর রাজ্যে নতুন করোনা-সংক্রমণে কিছুটা পতন দেখা গেলেও কলকাতাকে কেন্দ্র করে যে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি রয়েছে, তাতে বিশেষ কোনো পরিবর্তন নেই। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর জানায়, কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৩৮ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণের হদিশ মিলেছে। ফলে শহরে এখন বর্তমানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬২২২। যেখানে রাজ্যে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯,১৭০।

রাজ্য

আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড, তবে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার নামল দশ শতাংশের নীচে

প্রতি দিন যে সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে, তার মধ্যে যত শতাংশের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে, সেটাকেই বলা হচ্ছে ‘পজিটিভিটি রেট’ বা সংক্রমণের হার। এ দিন রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার নেমে এসেছে ৯.৯৭ শতাংশে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড তৈরি হল বৃহস্পতিবার। যদিও এই তথ্যে যথেষ্ট স্বস্তিরও একটি ব্যাপার রয়েছে। কারণ, দীর্ঘদিন পর রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার নেমেছে দশ শতাংশের নীচে। সুস্থতার হার বৃদ্ধি আর মৃত্যুহার কমে যাওয়ার ব্যাপারটিও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে।

রাজ্যের কোভিড-তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯৯৭ জন। এর ফলে রাজ্যে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৭ হাজার ৩২৩। ৫৬ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২,২৫৯। রাজ্যে মৃত্যুহার আরও কিছুটা কমে ২.১০ শতাংশ হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ২,৪৯৭ জন। এর ফলে এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৮,৬১৭ জন। রাজ্যে বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৬,৪৪৭। রাজ্যে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৭৩.২৫ শতাংশ।

কমল দৈনিক সংক্রমণের হার

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৩০,০৩২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এই প্রথম রাজ্যে এক দিনে তিরিশ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা হল। এর ফলে রাজ্যে মোট ১২ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৫৫টি নমুনা পরীক্ষা হল। রাজ্যে বর্তমানে প্রতি দশ লক্ষ মানুষে ১৩,৫২২ জনের করোনা পরীক্ষা হচ্ছে।

প্রতি দিন যে সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে, তার মধ্যে যত শতাংশের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে, সেটাকেই বলা হচ্ছে ‘পজিটিভিটি রেট’ বা সংক্রমণের হার। এ দিন রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার নেমে এসেছে ৯.৯৭ শতাংশে।

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার বুধবার ছিল ১০.৫৯ শতাংশ। মঙ্গলবার এটা ছিল ১০.৮৪ শতাংশ। সোমবার এটা ছিল ১১.০৭ শতাংশ।

কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলির পরিস্থিতির অপরিবর্তিত

কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী চার জেলার কোভিড-পরিস্থিতি মোটের ওপরে একই রকম রয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ গত দু’ সপ্তাহ ধরে নতুন আক্রান্তের সংখ্যার যে প্রবণতা ধরা পড়ছে এই জেলাগুলিতে, তাতে বিশেষ বদল নেই।

গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬৬ জন। এর ফলে শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩০,৪৭০। এই সময়ে ৬৮৭ জন সুস্থ হয়েছেন। এর ফলে শহরে এখন মোট সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ২২,৮৫৭। মৃত্যু হয়েছে ১০১৫ জনের। শহরে বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬,৫৯৮ জন।

উত্তর ২৪ পরগণায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮২ জন আক্রান্ত হয়েছেন, সুস্থ হয়েছেন ৬৮৩ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় নতুন করে আক্রান্ত ২১৫ জন। হাওড়া এবং হুগলিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৯ আর ১১০ জন।

মুর্শিদাবাদে এক দিনেই আক্রান্ত ১৬৬

টেস্ট বাড়তেই আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে। গত কয়েক দিন ধরেই পূর্ব মেদিনীপুর এই তালিকায় সবার ওপরে ছিল। এখন নদিয়া, মুর্শিদাবাদে সেই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সব থেকে বেশি কোভিড-আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে মুর্শিদাবাদ (১৬৬) থেকে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১১১ জনের পাশাপাশি নদিয়ায় ৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। পশ্চিম মেদিনীপুর (৭২), আর পশ্চিম বর্ধমানে (৬৩) ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনগুলির তুলনায় কিছুটা কম।

মালদায় আক্রান্ত দুশোর বেশি

এই প্রথম, মালদায় (২০৮) দুশোর বেশি আক্রান্তের সন্ধান মিলল। এর পর উত্তরবঙ্গে সব থেকে বেশি কোভিড-আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে দার্জিলিংয়ে (১০৫)। কোচবিহার ছাড়া আর কোনো জেলাতেই অবশ্য আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ অতিক্রম করেনি।

উত্তরবঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুগুলি হয়েছে আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর আর জলপাইগুড়িতে।

Continue Reading

রাজ্য

পেশাগত রোগ সিলিকোসিসে ঝরছে শ্রমিকের প্রাণ! দায় নেবে কে?

সিলিকোসিসে আক্রান্ত হয়ে কী ভাবে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়লেন এক যুবক? পরিবার অথবা বিশেষজ্ঞরাই বা এ বিষয়ে কী বলছেন? দেখুন নীচের ভিডিয়োয়-

মূলত পাথর ভাঙার খাদান বা কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরাই সাধারণ সিলিকোসিস রোগে আক্রান্ত হন।

ওয়েবডেস্ক: সিলিকোসিসে আক্রান্ত হওয়া শ্রমিকের গড় আয়ু ৩৩ বছর। এ কথা বলছে একটি সমীক্ষা। এক দিকে পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির রোগাক্রান্ত হয়ে যাওয়া, অন্য দিকে তাঁর চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে যাওয়া। আর এক দিন চিরতরে ঘুমিয়ে পড়া রোগাক্রান্ত শ্রমিকের। দায় নেবে কে?

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সিলিকোসিস পেশাগত রোগ। পাথর খাদানে কাজ করতে গিয়েই শ্রমিকেরা এই রোগে আক্রান্ত হন। সাম্প্রতিককালে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি, মিনাখাঁ, বীরভূমের বেশ কয়েকটি এলাকা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়াগ্রাম, সাঁকরাইল, কেশিয়াড়ি ও দাঁতনের যুবকেরা পাথর খাদানে কাজে গিয়ে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। কেউ চিকিৎসাধীন, কেউ বিদায় নিয়েছেন।

সর্বস্বান্ত পরিবারগুলো নিয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে যেমন কোনো রকমের সাহায্য পাননি, তেমন সরকারের তরফে কোনো সদর্থক উদ্যোগ নেই বলে তাঁদের অভিযোগ। যদিও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং হাইকোর্ট ক্ষতিপূরণ নির্দেশ আগেই দিয়েছে। কিন্তু তার পরেও কোনো মহল থেকে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

এমনও নজির রয়েছে, যেখানে নিয়োগকারী সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন রোগীর পরিবার। আবার রাজ্য সরকারের কাছেও দ্বারস্থ হয়েছেন। কেউ ক্ষতিপূরণ পেলেও, কেউ বিমুখ হয়েছেন।

কী এই সিলিকোসিস?

সিলিকোসিস (silicosis) রোগের মূল কারণ ‘ক্রিস্টালাইজড সিলিকা’ বা স্ফোটিকাকৃতি বালি বা পাথরের কণা।

যে সমস্ত জায়গায় বাতাসে এ ধরনের কণার উপস্থিতি বেশি, সেখানে দিনের পর দিন ধরে কাজ করলে ওই বালি অথবা পাথরের কণা ফুসফুসের উপরি ভাগের জমতে থাকে। ধীরে ধীরে ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে সিলিকোসিস রোগ হতে পারে। মূলত পাথর ভাঙার খাদান বা কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরাই সাধারণ সিলিকোসিস রোগে আক্রান্ত হন।

সিলিকোসিসের উপসর্গ

বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, জ্বর, শেষ দিকে শরীর নীলাভ হয়ে যাওয়া। হাত-পা শুকিয়ে যেতে থাকে। চিকিৎসকেরা বলেন, সিলিকা ফুসফুসের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধকারী কোষের (ম্যাক্রোফেজ) কার্যক্ষমতা নষ্ট করে ফেলে। যার ফলে মানব দেহের ফুসফুসে এক ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে যায়। এই যক্ষা অথবা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগে ফুসফুস সহজেই আক্রান্ত হতে পারে।

তবে ভুক্তভোগীদের কাছে বিষয়গুলি মোটেই এতটা সংক্ষিপ্ত অথবা সহজ নয়। সিলিকোসিসে আক্রান্ত হয়ে কী ভাবে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়লেন এক যুবক? পরিবার অথবা বিশেষজ্ঞরাই বা এ বিষয়ে কী বলছেন? দেখুন নীচের ভিডিয়োয়-

Continue Reading

রাজ্য

রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের হস্তক্ষেপে মৃত চিকিৎসকের বিল সাড়ে তিন লক্ষ টাকা কমাল হাসপাতাল

মোট বিলের উপর হাসপাতাল তিন লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ছাড় দিল।

শ্যামনগরের পরিচিত চিকিৎসক প্রদীপকুমার ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর বেসরকারি হাসপাতালের বিল নিয়ে শোরগোলের শুরু হয়।

কলকাতা: রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের বার্তা পাওয়ার পরই পদক্ষেপ নিল মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। করোনায় প্রয়াত শ্যামনগরের চিকিৎসক প্রদীপকুমার ভট্টাচার্যের বিল রিভিউ করে কমানো হল ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা।

বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের চেয়ারম্যান অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার বিল কমিয়ে ছাড় দিয়েছেন মেডিকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত চিকিৎসক প্রদীপ ভট্টাচার্যের বিল কমিয়ে দিতে অনুমতি দিয়েছিলেন মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে কর্ণধার অলক রায়।

সংশ্লিষ্ট মেডিকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, মোট বিল ১৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৯৫২ টাকা । ২৩ দিন আইসিইউতে ছিলেন মৃত চিকিৎসক। ওষুধের জন্য বিল হয়েছিল ৬ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। বিমা কোম্পানির টিপিএ অনুমতি দিয়েছিল ৩ লক্ষ টাকার। পাশাপাশি পরিবার হাসপাতালকে বিলবাবদ মিটিয়েছিল ১১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। মোট বিলের উপর হাসপাতাল তিন লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ছাড় দিল।

প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগরের পরিচিত চিকিৎসক প্রদীপকুমার ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর বেসরকারি হাসপাতালের বিল নিয়ে শোরগোলের শুরু হয়। হস্তক্ষেপ করে কমিশন। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই হাসপাতালের তরফে জানানো হয় যে বিল রিভিউ করা হচ্ছে।

আরও পড়তে পারেন: রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের নির্দেশের পরেও কেন উদাসীন বেসরকারি হাসপাতাল?

Continue Reading
Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন

Advertisement
শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

লকডাউনেও ২২ শতাংশ নিট মুনাফা বাড়ল বিপিসিএলের

রাজ্য2 hours ago

আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড, তবে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার নামল দশ শতাংশের নীচে

বিজ্ঞান3 hours ago

অক্সফোর্ড করোনা ভ্যাকসিন আপডেট: নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে হিউম্যান ট্রায়াল

গাড়ি ও বাইক4 hours ago

ব্যাটারি ছাড়াই কেনা যাবে ইলেকট্রিক গাড়ি, নির্দেশ কেন্দ্রের

অনুষ্ঠান4 hours ago

রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির হাত ধরে প্রয়াত অমলা শঙ্করের প্রতি অনলাইন অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অগ্নিবীণা ডান্স অ্যাকাডেমির

দেশ4 hours ago

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তের, বললেন নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

রাজ্য4 hours ago

পেশাগত রোগ সিলিকোসিসে ঝরছে শ্রমিকের প্রাণ! দায় নেবে কে?

ক্রিকেট5 hours ago

কোহলি-স্মিথ-উইলিয়ামসনরা অভিষেক করার আগে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন তিনি, ফের সুযোগ পেলেন বৃহস্পতিবার

কেনাকাটা

care care
কেনাকাটা11 hours ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা1 week ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা1 week ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা1 week ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা4 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

নজরে

Click To Expand