ramchandra dom and basudeb achariya

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ত্রি-স্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া সংঘর্ষের ঘটনা মাত্রা ছাড়িয়েছে। কোথাও শাসক আবার কোথাও বিরোধী দল আক্রান্ত হচ্ছে। পুড়ছে দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মী-সমর্থকদের ঘরবাড়ি। ভোটের মনোনয়ন পেশকে ঘিরে যদি এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তা হলে ভোটের দিন কী হবে? এমন প্রশ্ন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবেদন জানিয়ে আদালতে গিয়েছে বিজেপি এবং কংগ্রেস। কিন্তু এই মুহূর্তে এমন কোনো দাবিতে আদালতে যাওয়া তো নয়ই, আওয়াজও তুলবে না সিপিএম।

দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি স্পষ্টতই জানিয়ে দিলেন, পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনা করা একান্তভাবেই রাজ্য সরকারের হাতে ন্যস্ত। ফলে রাজ্য যদি মনে করে এমন উত্তেজনাময় পরিস্থিতির সামাল দিতে পারবে তা হলে আর কিছু বলার নেই। রাজ্য সরকারই শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিক। তারা যদি সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন নির্বাচন করার পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারে তা হলে আপত্তিটা কোথায়?

আদতে সিপিএম চায় না বিজেপি বা কংগ্রেস যে দাবিতে সরব হয়েছে, সেই একই দাবিকে হাতিয়ার করে পথে নামুক দল। হাই কোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট নির্দিষ্ট সমাধান সূত্র নির্ধারণ করে দিলেও তা বাস্তবায়নের সম্পূর্ণ দায়িত্ব থাকবে রাজ্য সরকারের হাতেই। স্বাবাবিক ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ব্যাপক হইচই করে খুব একটা ইতিবাচক ফল মিলবে বলে মনে করেন না ইয়েচুরি। তার থেকে ভালো রাজ্যের হাতে পুরোপুরি দায়িত্ব থাকলে এই পরবর্তী কালে রাজ্যের ‘ব্যার্থতা’ নিয়ে অন্য রকম কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে।

তবে নির্বাচন কমিশন খোদ কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে রাজ্যকে চিঠি দেওয়ায় সে ব্যাপারেও সংশয় রয়েছে। ইয়েচুরি বলেন, “আগে শোনা যেত নির্বাচন অথবা ফল গণনায় রিগিং হতে। এখন দেখা যাচ্ছে মনোনয়ন পেশ নিয়েও রিগিংয়ের পথ ধরছে শাসক দল। ফলে এর দায়ভার রাজ্য সরকারকেই নিতে হবে”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন