কলকাতা: নদিয়ার তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় নাম জড়িয়ে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআরআই। আগাম জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন মুকুলবাবু। আগামী বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে মুকুলবাবুর হয়ে লড়তে পারেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।

সরস্বতী পুজোর দিন রাত সাড়ে আটটা নাগাদ নিজের এলাকাতেই খুন হন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎবাবু। ঘটনার অব্যবহিত পরেই তৃণমূলের তরফে ওই খুনের সঙ্গে মুকুলবাবুর সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এফআরআই-ও দায়ের করা হয়। ইতি মধ্যেই ওই ঘটনায় সুজিত মণ্ডল এবং কার্তিক মণ্ডল নামে দুই স্থানীয় যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খোঁজ চলছে মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পাণ্ডুরীর।

এরই মধ্যে মধ্যে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান মুকুলবাবু। স্থির হয়েছে আগামী বৃহস্পতিবার শুনানি হতে পারে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ও বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই মামলাতেই মুকুলবাবুর হয়ে লড়তে পারেন কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক তথা আইনজীবী বিকাশবাবু।

তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, এ রাজ্য সিপিএম এবং বিজেপির গোপন আঁতাঁত রয়েছে। বিজেপি নেতা মুকুলবাবুর হয়ে বিকাশবাবু হাইকোর্টে মামলা লড়লে সেই আঁতাঁত আরও প্রকাশ্যে আসতে পারে বলেও জল্পনা চলছে। যদিও তেমন দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছেন স্বয়ং বিকাশবাবু।

আরও পড়ুন: বিধায়ক খুনে আগাম জামিনের আর্জি মুকুল রায়ের

তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি এই মামলা লড়তেই পারি। তাতে কী হয়েছে”?

তিনি যে পেশাগত কারণেই বিপক্ষ দলের নেতার হয়ে মামলা লড়ছেন, সেটাই বোঝাতে চান বিকাশবাবু। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগ নেই!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here