cpim and bjp

ওয়েবডেস্ক: জেলা পরিষদে জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী শিবানী মজুমদার। সমিতিতে সিপিএমের আবদুল সালাম এবং গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি প্রার্থী করুণা সরকার (দেবশর্মা)। না, এই তালিকা দেখে আপাত দৃষ্টিতে তেমন কোনো জোটের আভাস মিলছে না। কারণ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের তিনটি পৃথক স্তরে তিন দলের প্রার্থী থাকতেই পারেন।

কিন্তু দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে বিরোধী এই তিন দলে প্রচারে সম্মিলিত ভাবে উঠে এসেছে এই তিন জনেরই নাম। অর্থাৎ, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের তিনটি পৃথক স্তরে তিন দলের প্রার্থী এক যোগে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতৃত্ব। ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ জেলা পরিষদের।

আরও পড়ুন: ‘রাম-বাম’ জোট/১: আর কত জনকে বহিষ্কার করবে সিপিএম?

এ ব্যাপারে তিন দলেরই স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা এক বাক্যে স্বীকার করছেন, জোট নয়, মহাজোট গড়ে তোলা হয়েছে তাঁদের এলাকায়। কিন্তু সিপিএম এবং বিজেপির জেলা নেতারা পাশ কাটানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, নীচু তলায় কোথাও কোথাও এ ধরনের নমুনা পাওয়া গেলেও দলীয় স্বীকৃতি নেই। জেলা সিপিএম দাবি করেছে, এ কথা ঠিক পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনো কোনো আসনে জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তাদের প্রকাশ্য সমঝোতা হয়েছে। কিন্তু বিজেপি বা তৃণমূলের সঙ্গে কোনো রকমের বোঝাপড়ার প্রশ্নই ওঠে না।

অন্য দিকে বিজেপির তরফে কয়েক কদম এগিয়ে জানানো হয়েছে, তাদের কাছে এ বিষয়ে বিশদ খবর রয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এ ধরনের মহাজোট গড়ে তোলার কথা আসলে তৃণমূলেরই কুৎসা ছাড়া অন্য কিছু নয়।

কিন্তু জাতীয় কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্ব অবশ্য স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, শাসক দলের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে নীচু স্তরে বিজেপির সঙ্গে অলিখিত সমঝোতা হয়েছে!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here