cyclone gaja
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: আরও কিছুটা শক্তি বাড়িয়ে চেন্নাইয়ের দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘গজা।’ এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বে না ঠিকই, কিন্তু পরোক্ষ একটা প্রভাব পড়বে। যার ফলে আগামী কয়েকদিন একটু থমকে যেতে পারে পারদ পতন।

ভাইফোঁটার দিন সকালে কুড়ি ডিগ্রির নীচে নেমে গিয়েছিল কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তারপর আর কুড়ি ডিগ্রির ওপরে পারদ ওঠেনি। সোমবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পুরুলিয়ায় এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.১, বোলপুরে ১৬.১। আসানসোল, বর্ধমান, বাঁকুড়ায় পারদ ঘোরাফেরা করেছে ১৭ থেকে ১৮-এর মধ্যে। অন্যদিকে কলকাতার উপকণ্ঠের ব্যারাকপুরেও তাপমাত্রা ছিল ১৭.৭ ডিগ্রি। তবে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা জানিয়েছে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার খুব একটা পতন হয়তো আর নাও হতে পারে।

সংস্থার তরফ থেকে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় গজা চেন্নাইয়ের দিকে এগোলেও, এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলে কিছুটা মেঘ ঢুকতে পারে। এইসব অঞ্চলে হালকা ঝিরিঝিরি বৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি শক্তিশালী একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমনও ঘটছে উত্তর ভারতে।

ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানিয়েছেন, “ঘূর্ণিঝড় গজা কিছু মেঘ ঢোকাবে দক্ষিণবঙ্গে। আবার উত্তর ভারতের শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়াও আটকে যাবে। ফলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আর খুব একটা কমবে না।”

আরও পড়ুন এসআরএফটিআই ক্যাম্পাসে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, অভিযুক্তরা অধরা

তবে এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাশ্মীর, হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ডে আরও এক দফা প্রবল তুষারপাত ঘটাতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড় এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কেটে গেলেই আবার তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে দক্ষিণবঙ্গে।

তবে উত্তরবঙ্গে শীত শীত ভাবে ভালো মতোই টের পাওয়া যাচ্ছে। সোমবার দার্জিলিং-এর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাড়ে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৩, ১৩.৩ এবং ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here