ডিএ মামলা: হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ নয়, সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানি ১৪ ডিসেম্বর

0
সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: সোমবার রাজ্যের মহার্ঘভাতা বা ডিএ (DA) মামলার শুনানি হল সুপ্রিম কোর্টে। শোনা যাচ্ছিল, এ দিনের শুনানিতে রায় ঘোষণা হতে পারে এই মামলার। এ দিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, আগামী ১৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তার মধ্যে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিজেদের সংক্ষিপ্ত যুক্তি লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। তবে ডিএ মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়নি সর্বোচ্চ আদালত।

রাজ্য সরকারের তরফে এই মামলা লড়ছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি এ দিন শুনানি চলাকালীন জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১২৫ শতাংশ হারে ডিএ দিয়েছে। বছরে দু’বার ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। এর পর যা দাবি করা হচ্ছে তা ন্যায়সঙ্গত নয়, দেওয়া অসম্ভব। প্রায় ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা খরচ হবে এই খাতে। অন্য দিকে, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, এটা সরকারি কর্মচারীদের অধিকার। সব রাজ্যে দেওয়া হয়।

 পাশাপাশি, রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলার শুনানির উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শুরু হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ ডিসেম্বর। ততদিন পর্যন্ত হাইকোর্টে যে ‘আদালত অবমাননা’র যে মামলা চলছে তা না করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে ফেলতে হবে। যার জেরে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দিতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও ডিএ না দেওয়ায় হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়। গত ৪ নভেম্বর মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৩৪ শতাংশ হারে ডিএ পান। রাজ্য সরকার মাঝে ডিএ বৃদ্ধি করলেও এখনও কেন্দ্রের তুলনায় রাজ্যের কর্মীরা অনেক কম ডিএ পান।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন