সান্দাকফু-সিকিমে প্রবল তুষারপাত, অপেক্ষায় দার্জিলিং

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, দার্জিলিং: পাহাড়ের রানির পথঘাটে এখন একটাই প্রশ্ন, তুষারপাত কী হবে? আসলে তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছে দার্জিলিং শহরে। আশেপাশের সব জায়গাতেই গত ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক বরফ পড়েছে।

শুরু হয়েছিল শুক্রবার দুপুরে। সান্দাকফু, ফালুট-সহ সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের আশেপাশের জায়গাগুলিতে জোরদার তুষারপাত শুরু হয়। শুক্রবার সারা রাত বরফ পড়ে ওই সব অঞ্চলে। বেশ কয়েক ফুট বরফ পড়েছে।

তুষারপাতের জেরে টুমলিং থেকে সান্দাকফু পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বরফ পড়েছে শুখিয়াপোখরির কাছে ধোত্রেতেও। আর এ সব দেখেই আশায় বুক বাঁধছে দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা আর পর্যটকরা।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে জোর তুষারপাত হয়েছে সিকিমের বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও। দক্ষিণের রাবাংলা, পশ্চিমের ভার্সে, উত্তরের লাচুং এবং পূর্বের সিল্ক রুট, সব জায়গাতেই বরফে সাদা হয়ে গিয়েছে। শুধু দার্জিলিংয়ের অপেক্ষা যেন বাড়ছে।

বরফে ঢাকা টংলু

আরও পড়ুন থামল বৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গে ফের ছক্কা হাঁকানোর অপেক্ষায় শীত

দার্জিলিং শহরে প্রত্যেক বছর তুষারপাত হয় না। গত মরশুমের বার তিনেক বরফ পড়েছিল, কিন্ত তা হয়েছিল ১১ বছর পর। ফলে এ বার দার্জিলিং শহর বরফ পেতে পারে, এমন সম্ভাবনা কমই। তবুও পরিস্থিতি যখন তৈরি হয়েছে তখন আশা করতে দোষের কী!

শুক্রবার যখন সর্বত্র তুষারপাত, তখন ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে দার্জিলিং শহরে। আর এর ধাক্কায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে গিয়েছে অনেকটাই। শুক্রবার ৫.২ থেকে শনিবার দার্জিলিংয়ের সর্বনিম্ন নেমে গিয়েছে ২.৫ ডিগ্রিতে।

তবে এখনও সম্ভাবনা রয়েছে তুষারপাতের। কারণ আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া রয়েছে। ফলে দার্জিলিংবাসী এখনও আশা ছাড়ছেন না।

------------------------------------------------
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.