দার্জিলিং: অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ীকরণের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন জিটিএ চেয়ারম্যান।

লাগাতার আন্দোলনেও জিটিএ (GTA) কর্তৃপক্ষ কোনো সদর্থক পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত মঙ্গলবার থেকে কর্মবিরতিতে যায় ইউনাইটেড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। জিটিএ-র গ্রুপ ‘সি’ এবং গ্রুপ ‘ডি’ চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়মিতকরণ এবং মাপকাঠি বজায় রেখে অন্যান্য সুযোগসুবিধার দাবিতে টানা ১০ দিনের এই কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনেই প্রকাশ্যে এল জিটিএ কর্তৃপক্ষের ওই চিঠি।

জিটিএ-র চেয়ারম্য়ান অনিত থাপা জটিলতা কাটাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন। ওই চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, জিটিএ (পূর্বতন ডিজিএইচসি)-তে এখনও পর্যন্ত ৩১০ জন গ্রুপ এ, ৫২১ জন গ্রুপ বি, ২৫২৫ জন গ্রুপ সি এবং ৭৭৫ জন গ্রুপ ডি কর্মী কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে এই গ্রুপ-গুলিতে যথাক্রমে শূন্যপদের সংখ্যা ৩০৩, ৩৪৫, ১৭৮৩ এবং ১৮৪৮টি।

এই কর্মীরা প্রত্যেকেই পূর্বতন দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল (ডিজিএইচসি)-তেও কর্মরত ছিলেন। নতুন পর্ষদ গঠিত হওয়ার পর ওই কর্মীরাও নতুন প্রশাসনে অন্তর্ভুক্ত হন। কিন্তু অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণের জটিলতা রয়ে গিয়েছে।

এ ব্যাপারে ইউনাইটেড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে জিটিএ চেয়ারম্যান চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে লিখেছেন, “যত দ্রুত সম্ভব ওই অস্থায়ী কর্মীদের নিয়মিতকরণের জন্য আপনার হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করছি”।

তাঁর কথায়, “এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে জিটিএ-র ওই দরিদ্র কর্মী এবং তাঁদের পরিবার উপকৃত হবে। কয়েক দশক ধরে ওই সুবিধাবঞ্চিত কর্মীরা এই ইস্যুতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন”।

তবে চেয়ারম্যানের এই চিঠির কথা প্রকাশ্যে আসার পরেও নিজেদের অবস্থানে অনড় ইউনাইটেড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের। সংগঠনের পক্ষে জানানো হচ্ছে, একাধিক বার রাজ্য সরকারের তরফে এ বিষয়ে অনুমোদন মেলার পরেও উদাসীন থেকেছেন কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রকৃত সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোল চলবে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন