driver's death

কলকাতা: খেয়াদহের খাল থেকে উদ্ধার হল এক ওলাচালকের দেহ৷ নাম সাধন হালদার (২৮)। তিনি এয়ারপোর্ট থানা এলাকার নারায়ণপুরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে ।

মঙ্গলবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তারপর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাইনি। ওই দিন রাতেই এয়ারপোর্ট থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে পরিবার৷ বুধবার দুপুরে খেয়াদহ এলাকার খালপাড় থেকে দেহ উদ্ধার হয় সাধনের দেহ। স্থানীয় বাসিন্দারা খালের মধ্যে দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন৷ পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে ৷

অন্যদিকে পরিবারের লোকজন ক্যাবের জিপিএস সিস্টেমের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, তিনি সোনারপুরে আছেন । এর পর তাঁরা সোনারপুর থানা্য় যোগাযোগ করেন ৷ পুলিশ দেহ দেখালে তাঁরা দেহ শনাক্ত করেন৷ সাধনের পেটে পোড়ানোর দাগ ও শরীরে একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাড়ির লোকের অনুমান, তাঁকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় সোনারপুর থানার বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ পরিবারের। দেহ উদ্ধার হলেও গাড়িটির এখনও পর্যন্ত কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। যাঁরা যাত্রী ছিলেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

কী করে সাধনের দেহ খালে এল তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ৷ তবে এখনও পর্যন্ত কোনো কিনারা করতে পারেনি৷ স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পরিবারের লোকদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে৷ গাড়ির মধ্যে কোনো ঘটনা ঘটেছিল নাকি অন্য কোনো কারণে এই মৄত্যু তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৷ গাড়িটিই বা কোথায়, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷ পরিবারের দাবি, ছিনতাইকারীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে ৷

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here