সরকার মোরাটোরিয়াম ঘোষণা করলেও ‘বাহুবলী’ পাঠাচ্ছে বেসরকারি আর্থিক সংস্থা, প্রতিবাদে নাগরিক সংগঠন

0
currency notes

খবর অনলাইন ডেস্ক: লকডাউন পর্বে কেন্দ্রীয় সরকার ঋণ‌গ্রহীতাদের ছ’মাসের কিস্তির উপর মোরাটোরিয়াম দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও বাস্তবে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ওই সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছে বেসরকারি ছোটো আর্থিক সংস্থাগুলি। এই অভিযোগ লাগাতার আন্দোলনে নেমেছে নাগরিক সংগঠন।

পশ্চিমবঙ্গ নাগরিক সমাজ নামে একটি সংগঠনের আহ্বায়ক গোলাম সাত্তার গাজি বলেন, “বেসরকারি ছোটো আর্থিক সংস্থাগুলি মোরাটোরিয়াম চাওয়া ঋণগ্রহীতাদের বাড়িতে বাহুবলী পাঠিয়ে মাসিক কিস্তির টাকা আদায়ের চেষ্টা করেছে। এর প্রতিবাদে দেশের বহু জায়গার মতোই এ রাজ্যের বসিরহাটে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন ভুক্তভোগী মানুষ”।

Loading videos...

আর্থিক সংস্থাগুলির এহেন আচরণের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি কর্মসূচি নিয়ে সংগঠন। রবিবার কলকাতার সূর্য সেন স্ট্রিটের কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল হল-এ একটি কনভেনশনের আয়োজন করেছে সংগঠন।

সংগঠন জানিয়েছে, এ দিন বেলা ২টোর কনভেনশনে বক্তব্য রাখবেন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, শ্রমিক আন্দোলনের নেতা কল্লোল মজুমদার এবং নাবার্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেডিডেন্ট রানা মিত্র।

সাংবাদিক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক জানান, উম্পুনের ধাক্কায় কবলিত মানুষের জীবন একটু বেশিই বেসামাল। ফলে তাঁদের পক্ষে ওই ছ’মাসের ঋণের মাসিক কিস্তি দেওয়া সম্ভব তো নয়ই, সামগ্রিক ভাবে তাঁদের বকেয়া ঋণ মকুব হলে তবেই তাঁরা বাঁচবেন। তাই ওই ভুক্তভোগীরা ‘পশ্চিমবঙ্গ নাগরিক সমাজ’-এর পক্ষ থেকে ‘ক্ষুদ্র ঋণ মকুব করো, বৃহৎ ঋণ আদায় করো’, এই স্লোগানে ইতিমধ্যেই বসিরহাটে বড়ো মিছিল করেছেন।

প্রসঙ্গত, ঋণগ্রহীতাদের স্বস্তি দিতে ইএমআইয়ের উপর ছ’মাসের (মার্চ-আগস্ট) স্থগিতাদেশ অথবা মোরাটোরিয়ামের অনুমতি দিয়েছিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। কিন্তু ওই সময়কালে ইএমআইয়ের উপর বাড়তি সুদ নেওয়া হবে কি না, তা নিয়েই মামলা গড়িয়েছে শীর্ষ আদালতে। সেই মামলার জেরেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতোই তথ্য-সহ হলফনামা জমা করল কেন্দ্র। আরও পড়তে পারেন: ঋণের স্থগিত কিস্তির উপর বাড়তি সুদ নেওয়া হবে না, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন