উন্নয়নে ছয়লাপ, তবু ‘পথ’ই যেখানে পঞ্চায়েত জয়ে ‘পথের কাঁটা’

0
1377
jhargram
Samir mahat
সমীর মাহাত

বামেদের সাত বার, তৃণমূলের পরিবর্তনের একবার, প্রায় চল্লিশটা বছর কেটে গিয়েছে। একটা পুরোপুরি পাকাপোক্ত রাস্তা পেল না ঝাড়গ্রাম ব্লকের মানিকপাড়া অঞ্চলের বাসিন্দারা। যে রাস্তা ধরে সহজেই মানিকপাড়া -ঝাড়গ্রাম যাতায়াত করা যেত! তাহলে ঝাড়গ্রাম হইতে মানিকপাড়া প্রধানমন্ত্রী সড়ক রাস্তার সাইনবোর্ড দেওয়া আছে যে!

samir 1

নজরে ঝাড়গ্রাম ব্লক

স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, পুরো রাস্তা পাকা হয়নি। ঝাড়গ্রাম থেকে ১২ কিমি এসে রাশুয়া গ্রামে থেমে গিয়েছে। শোনা গিয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষের আপত্তিতে এখানেই থেমে গেছে রাস্তা। একাংশের বক্তব্য, রাশুয়া গ্রামের পুলের থেকে ইন্দ্রাবনীতে মিশিয়ে কুশুমঘাটির রাস্তা পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেলেই মানিকপাড়া সহজেই পাকা রাস্তা পেয়ে যেত। প্রশাসন গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নিতে পারত। এই তো ৪০ বছর ভোগান্তি চলছে, দেখা যাক কবে নিস্তার মেলে।

কলেজ-হাইস্কুল থেকে শুরু করে হাসপাতাল, হাটবাজার, রেশন দোকান, সর্ডিহা রেল স্টেশন, বাসট্যান্ড সবই মানিকপাড়ায়। তিন কিমি এই খানাডোবা এবড়োখেবড়ো রাস্তাই একমাত্র সম্বল বাঁশতলা, বড়বাড়ি, গোদারাস্তা, লালগেড়িয়া, রাশুয়া, গুইমারা, ইন্দ্রাবনী, পূর্বশোল, গুজিদাম-সহ বিভিন্ন গ্রামবাসীদের । তৃণমূল সরকারের আমলেই ৬ কোটি ২১ লক্ষ বরাদ্দে এই সড়ক নির্মিত হয় অসম্পূর্ণ ভাবে। এই অসম্পূর্ণ রাস্তাকেই এ বার পঞ্চায়েতে ইস্যু করেছে বিরোধী শিবির।

শাসক দলের ঝাড়গ্রাম ব্লকের পূর্তকর্মাধ্যক্ষ অমিয় মাহাত বলেন, “ওই রাস্তার ব্যাপারে কয়েকবার শীর্ষ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। রাস্তা সরিয়ে করতে হলে স্থানীয়দের একটু-আধটু জমি লাগবে। সবাই যাতে আপত্তি নেই লিখে দেয়, এই নিয়ে আলোচনায় বসা হয়েছিল। এই নির্বাচনের পরে আশা করি তার সমাধান হবে।”

স্থানীয়রা অবশ্য বলছেন, এ রকম প্রতিশ্রুতি তো ভোট এলেই উড়ে বেড়ায়। না আঁচালে বিশ্বাস নেই।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here