Dilip-Ghosh2
Samir mahat
সমীর মাহাত

ঝাড়গ্রাম: “জঙ্গল মহল যে পরিবর্তন চাইছে, তা বিজেপিকে ভোটে জিতিয়ে প্রমাণ দিয়েছে ঝাড়গ্রামের মানুষ”। ২১ জুন ঝাড়গ্রামের সভায় এমনটাই দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোয়। পাশাপাশি একই দিনে কলকাতার নেতাজি ইন্ডোরে দলের কোর কমিটির বৈঠকে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় যখন বিজেপির প্রভাব বিস্তারকে সন্ত্রাস হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন সে সময় ঝাড়গ্রামের রবীন্দ্রপার্ক সংলগ্ন দলীয় সভামঞ্চ থেকে তারও জবাব দিয়েছেন দিলীপবাবু।

তিনি বলেন, “ক্ষমতা দখলের নামে পুরুলিয়াতে দু’জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। গুলি-বোমা দিয়ে ঝাড়গ্রামের পার্টি অফিস দখলের চেষ্টা হয়েছে, এই হচ্ছে দিদির উন্নয়ন”।

প্রসঙ্গত,এর আগেও তিনি বলেছেন, রাজ্যে যাই ঘটুক তার পাল্টা জবাব ঝাড়গ্রাম থেকেই দেওয়া হবে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝাড়গ্রাম পুরনির্বাচনের আগে এই কর্মসূচি বিজেপির একটি ঝলক। রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়েও এ দিন প্রশ্ন তোলেন দিলীপবাবু। তিনি বলেন, “সিভিক ও পুলিশকে দিয়ে দিদি ভোট করিয়েছেন, যাতে ক্ষমতায় থাকা যায়। ভোট কর্মীদের নিরাপত্তার কোনো দরকার বলে মনে করেননি”। উল্লেখ্য, ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতি-সহ কয়েকটি অঞ্চলে ভাল মতো প্রভাব বিস্তার করেছে বিজেপি ।

হাত গুটিয়ে বসে নেই তৃণমূলও। ইতিমধ্যে বেশ কয়েক বার ঝাড়গ্রামে ছুটে এসেছেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। এ দিন নেতাজি ইন্ডোর থেকে মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দেন যে, দশ দিনের মধ্যে ঝাড়গ্রামের পুর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে হবে। এক কথায় সবার নজর হয়ে উঠেছে ঝাড়গ্রাম। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ এর আগে গোপীবল্লভপুর এলাকার বিজেপি নেতৃত্বের অনেকেই ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডে চলে গিয়েছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সমস্ত বিজয়ী প্রার্থী ও দলীয় কর্মী সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিজেপির এই সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। পাশাপাশি সামনের বছরই রয়েছে লোকসভার মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন, খামতি রাখতে চাইছে না কোনও পক্ষই।দিলীপবাবুর সঙ্গে এ দিনের সভায় ছিলেন দলের রাজ্য সহ-সভানেত্রী রাজকুমারী কেশরী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here