খবর অনলাইন ডেস্ক: ১ ডিসেম্বর থেকে চালু হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প। এই কর্মসূচির মাধ্যমে পঞ্চায়েত এবং পুরসভা এলাকায় বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গিয়ে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনে তা সমাধানের পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছেন রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিক-কর্মীরা।

কোন দিন কী?

কেউ কোনো সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হলে তাঁকে সেই প্রকল্পের আওতায় আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। দু’মাসে চারটি ধাপে এই প্রকল্প রূপায়িত হবে।

১-১১ ডিসেম্বর: প্রকল্পগুলি তুলে ধরে পরিষেবা পেতে কী কী নথি জমা করতে হবে, তা জানানো।

১৫-২৪ ডিসেম্বর: অভিযোগের উত্তর। নথি দাখিল করলে শিবির থেকেই আবেদনপত্র পূরণ।

২-১২ জানুয়ারি: বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

১৮-৩০ জানুয়ারি: ফাঁকফোকরগুলি খতিয়ে দেখে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া*।

কী কী সুবিধা মিলবে?

পঞ্চায়েত ও পুরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিকএই কর্মসূচি চলবে সারা রাজ্য জুড়ে। ২০ হাজার শিবির করা হবে। শিবিরে থাকবেন ১১টি সরকারি দফতরের কর্মী ও আধিকারিকেরা।

১. খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের খাদ্যসাথী, ২. স্বাস্থ্য দফতরের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, ৩. অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের জাতিগত শংসাপত্র, ৪. শিক্ষা দফতরের শিক্ষাশ্রী, ৫. আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের জয় জোহার, ৬.অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দফতরের তফসিলি বন্ধু, ৭. নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দফতরের কন্যাশ্রী, ৮. রূপশ্রী, ৯. সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের ঐক্যশ্রী, ১০. পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের একশো দিনের কাজের জব কার্ড এবং ১১. কৃষি দফতরের কৃষক বন্ধু।

এ ছাড়া ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের মিউটেশন, রেশন কার্ডে নাম-ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত সুবিধাও পাওয়া যাবে শিবির থেকে।

উল্লেখ্য, প্রতিটি পঞ্চায়েত এবং শহরের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ওয়ার্ডে মোট চার বার করে শিবির হবে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য “এগিয়ে বাংলা” ওয়েবসাইট-এর “দুয়ারে সরকার” লিঙ্কে ক্লিক করতে পারেন।

আরও পড়তে পারেন: বাল্যবিবাহ রুখতে এবং মেয়েদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পথ দেখাচ্ছে বাংলার ‘কন্যাশ্রী’

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন