কলকাতা: মঙ্গলবার ধর্মতলায় ইনসাফ সভা বামেদের। আনিস খান হত্যা থেকে শুরু করে কলকাতার রাস্তায় দিনের পর দিন আন্দোলনে বসা চাকরিপ্রার্থীদের প্রাপ্য চাকরি দেওয়া-সহ সব সমস্যার বিহিত চেয়ে সিপিএমের ছাত্র-যুব সংগঠনের ডাকে লালে লাল ধর্মতলা।

আনিস খান, মৈইদুল মিদ্দা, সুদীপ্ত গুপ্ত, স্বপন কোলে ও সাইফুদ্দিনের বিচার চেয়ে পথে সিপিএম-এর ছাত্র-যুব সংগঠন এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই। মঙ্গলবার ধর্মতলার এই সভায় বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছে মিছিল। ধর্মতলা চত্বরে স্তব্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। তিল ধারণের জায়গাটুকু ছিল না সেখানে।

পুলিশের কাছে ভিক্টোরিয়া হাউসের কাছে সভা করার অনুমতি চায় বামেদের যুব সংগঠন। কিন্তু অনুমতি না মিললেও ডিওয়াইএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায় যেমন জানিয়েছিলেন তেমন ভাবেই ভিক্টোরিয়া হাউসের কাছে ধর্মতলার মোড়েই হল ইনসাফ সভা।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এই সভায় উপস্থিত হলেন আনিস খানের বাবা সালেম খান। ধর্মতলায় মঞ্চে দাঁড়িয়ে আনিস খানের জন্য ‘ইনসাফ’ চাইলেন তিনি। প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক তথা ডিওয়াইএফআইয়ের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বক্তৃতা করার সময় সেলিম বলেন, আনিস খানের মৃত্যু প্রসঙ্গে সরব তিনি। তাঁর দাবি, জোর প্রতিবাদ হোক, যাতে ভবানী ভবন পর্যন্ত আওয়াজ পৌঁছে যায়।

উল্লেখ্য, এ দিন সকাল থেকে বাম সমৰ্থকরা জড়ো হন বিভিন্ন প্রান্তে। তিনটি বড়ো মিছিল ধর্মতলার ইনসাফ সভায় বেলা ১টার মধ্যে পৌঁছয়। একটি মিছিল শিয়ালদহ থেকে চলে আসে, দ্বিতীয়টি হাওড়া স্টেশন থেকে এবং তৃতীয়টি পার্কস্ট্রিট থেকে। এছাড়াও, ছোট বড় বেশ কিছু মিছিল কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মতলায় পৌঁছয়। এ দিনের সভায় সৃজন ভট্টাচার্য, ধ্রুবজ্যোতি সাহা থেকে প্রতিকুর রহমান-সহ তরুণ বাম নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন