Shiskhasree

ওয়েবডেস্ক: কন্যাশ্রী এবং যুবশ্রী প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে সামনে রেখেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘শিক্ষাশ্রী’ প্রকল্পের ঘোষণা করেন । ২০১৪ সালের ৩০ জুন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে হুল দিবস পালন অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হচ্ছেন তফশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের কয়েক লক্ষ ছাত্রছাত্রী।

রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতর এবং আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের তত্তাবধানে শিক্ষাশ্রী প্রকল্প প্রতিটি তপশিলি জাতি ও তপশিলি আদিবাসী পরিবারের কাছে মুক্তির আলো এনে দিয়েছে। সরকারের অর্থে নিজের ছেলেমেয়ে পড়াশোনা করে দাঁড়াবে, সমাজের মূল স্রোতে মিশবে — একজন তপশিলি জাতি বা তপশিলি আদি বাসী বাবা-মায়ের কাছে এটাই অনেক বড়ো পাওনা। আর তাঁদের এই ইচ্ছে পূরণ করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

বৃত্তির পরিমাণ:

তপশিলি জাতির ক্ষেত্রে পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির জন্য বার্ষিক ৭৫০ টাকা।

অষ্টম শ্রেণির জন্য বার্ষিক ৮০০ টাকা।

তপশিলি আদিবাসীর ক্ষেত্রে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির জন্য বার্ষিক ৮০০ টাকা।

আবেদনের শর্তাবলি :

  • পরিবারের সারা বছরের আয় ২.৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হতে হবে।
  • ছেলে বা মেয়েকে তপশিলি জাতি বা তপশিলি আদিবাসী হতে হবে এবং কোনো  সরকারস্বীকৃত স্কুলে পড়াশোনা করতে হবে।
  • আবেদন করতে হবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে। টাকা পাওয়ার জন্য ব্যাংকে ছাত্রছাত্রীদের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
  • ওই অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থাও রাজ্য সরকার করে দিয়েছে। সাংসদ, বিধায়ক, পুরপিতা, পঞ্চায়েত প্রধান, জেলা পরিষদ সদস্য, সভাপতি অথবা সরকারি আধিকারিককে দিয়ে বার্ষিক আয়ের প্রমাণপত্র-সহ আবেদনপত্র বিদ্যালয়ে জমা করতে হবে।

যোগাযোগ করতে হবে কোথায়:

আবেদনপত্রের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ করতে হবে। সেখান থেকে প্রাপ্ত আবেদনপত্র পূরণ করে তাঁদের হাতেই জমা করতে হবে। তাঁরা আবেদনপত্রগুলি খতিয়ে দেখে ছাত্রছাত্রীদের সামগ্রিক তথ্য এক সঙ্গে নিয়ে তা ব্লক / মহকুমা শাসকের অফিসের মাধ্যমে জেলায় প্রকল্প আধিকারিকের কাছে পাঠাবেন অর্থ বরাদ্দ করার জন্য। শিক্ষাশ্রীর অর্থ সরাসরি ছাত্রছাত্রীদের নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এ ছাড়া বিশদ বিবরণের জন্য— www.anagrasarkalyan.gov.in /www.adibasikalyan.gov.in-এ ক্লিক করতে পারেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here