ekushey annapurna

কলকাতা: ভাত, মাছ, ডাল, তরকারি ও চাটনি। নিত্য দিনের ব্যস্ততার হুজুগে বহু বাঙালি পরিবার থেকেই এখন উঠে যাচ্ছে এই সামান্য তৃপ্তির আয়োজন। যদি বা সেই আয়োজন হয়ও, চাকরির রুটিন ঠিক রাখতে কতজন আর তারিয়ে তারিয়ে খাওয়ার সুযোগ পান?

সে সব বিবেচনা করেই শহরে শুরু হয়েছিল মৎস্য দফতরের ‘একুশে অন্নপূর্ণা’ উদ্যোগ। যে প্রকল্পে মাত্র ২১ টাকায় মেলে ১০০ গ্রাম চালের ভাত, সঙ্গে ৭৫ গ্রাম ডাল, ৫০ গ্রাম তরকারি, ৫০ গ্রামের মাছের ঝোল এবং শেষ পাতে চাটনিও! ‘বেনফিশ’-এর ভ্রাম্যমাণ দোকানের সৌজন্যে অনেক চাকুরিজীবীরই স্বাদ আর স্বাস্থ্যের যুগলবন্দি ঠিক রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে  শহর কলকাতার পর এবার জেলাও স্বাদ পাবে‘একুশে অন্নপূর্ণা’-র। জেলা সদরগুলিতে চালু হবে এই প্রকল্প। সামনের আর্থিক বছর থেকে জেলা সদরগুলোতে একটি করে গাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে মৎস্য দফতর। গ্রামের যে সমস্ত মানুষ জেলা সদরগুলিতে আসেন, তাঁরা যাতে সস্তায় এই এই সুবিধা পান, তার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শনিবার এই খবর জানান রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা।

ekushey annapurna

তিনি আরও বলেন, “এই প্রকল্প অনেক দিন আগেই শহর ও শহরতলিতে চালু হয়েছে। এবার আমরা জেলা সদরগুলিতে চালু করছি। কলকাতার রাজারহাট, সল্টলেক, শ্যামবাজার, গড়িয়াহাট-সহ একাধিক জায়গায় এই প্রকল্প চলছে। এর পরিধিও খুব শীঘ্রই বাড়বে”।

ekushey annapurna

তিনি বলেন, “কলকাতা পুরসভা এলাকায় প্রায় ২২টি গাড়ি চালু আছে। তবে খুব শীঘ্রই আরও গাড়ি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে রাজ্যের মৎস্য দফতর।”

তিনি আরও বলেন, “শহরে এই প্রকল্প প্রথমে চালু হয়েছিল। এই প্রকল্পে খুব ভালো সাড়া মিলেছে। এত কম টাকায় ভাত, মাছ, ডাল, তরকারি, চাটনির সম্পূর্ণ আহার, ফলে দিন দিন চাহিদা বাড়ছে। যে পরিমাণে চাহিদা, সেই পরিমাণে খাবার জোগান দেওয়া যাচ্ছে না। তবে খুব শীঘ্রই আমরা শহরের আরও কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে কথা বলছি। সেই সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ ভাবে পিপিপি মডেলে এই গাড়ির সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। আমাদের ২১ টাকায় যে খাবার দেওয়া হয়, তার মানটাও খুব ভালো। যার ফলে শহরে হু-হু করে চাহিদা বাড়ছে। পাশাপাশি, খুব শীঘ্রই এই খাবারের পরিমাণও বৃদ্ধি করছে মৎস্য দপ্তর।”

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন