election commision of india

ওয়েবডেস্ক: প্রথম দফার ভোটে সব কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকা বুথে অবাধে ছাপ্পা ভোট হয়েছে। যদিও সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তবে একটা পদক্ষেপ তারা করেছে।

দ্বিতীয় দফার ভোটে আরও বেশি সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তবে প্রথম দফার ভোটের থেকে দ্বিতীয় দফায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যাও অনেক বেশি।

আগামী ১৮ এপ্রিল, রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ভোটগ্রহণ হবে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং রায়গঞ্জ কেন্দ্রে। এই তিন কেন্দ্র মিলিয়ে মোট বুথের সংখ্যা ৫৩৯০টি। দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও ৪০ কোম্পানি আধাসেনা রাজ্যে পাঠাচ্ছে কেন্দ্র।

প্রথম দফার ভোটে ব্যবহার করা হয়েছে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী। এর সঙ্গে আরও ৪০ কোম্পানি যোগ হওয়া মানে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেই রাজ্যে মোতায়েন করা হবে মোট ১২৩ কোম্পানি বাহিনী। এর মধ্যে স্ট্রং রুম, ভোটের পরবর্তী হিংসার জন্য কিছু বাহিনী থাকবে কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে। বাকি বাহিনী ব্যবহার করা হবে দ্বিতীয় দফায়।

আরও পড়ুন ফের হলফনামায় বদলে গেল স্মৃতি ইরানির শিক্ষাগত যোগ্যতা!

উল্লেখ্য, বিমল গুরুংদের হিংসায় পাহাড় জ্বলে উঠলেও, সাম্প্রতিক কালে ভোটের সময়ে পাহাড়ে কোনো হিংসার ঘটনা ঘটে না। রাজ্যের বাকি অংশে যেখানে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটে, সেখানে পাহাড়ে ভোট হয় শান্তিপূর্ণ ভাবে। তাই মনে করা হচ্ছে, পাহাড়ের বুথগুলোর জন্য তুলনায় কম বাহিনী ব্যবহার করে বেশিটাকেই জলপাইগুড়ি এবং রায়গঞ্জ কেন্দ্রে ব্যবহার করতে পারে কমিশন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here