bjp

কলকাতা: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পেশের জন্য এক দিন সময়সীমা বাড়িয়েও ফের নির্দেশ বাতিল করায় কমিশনের বিরুদ্ধে এককাট্টা বিরোধীরা। সিপিএমের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে প্রবল বিক্ষোভ দেখানো হয় মঙ্গলবার। পাশাপাশি বিজেপি এই একই অভিযোগকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত সোমবার রাতেই নির্বাচন কমিশন নির্দেশ জারি করে, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মনোনয়ন পেশে আরও এক দিন সময় বাড়ানোর। কিন্তু আকস্মিক ভাবে মঙ্গলবার সেই নির্দেশ বাতিল করে। স্বাভাবিক ভাবেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে কমিশনের এই ডিগবাজির বিচার চেয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ক্ষোভে ফেটে পড়ে। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, কমিশনের এই ডিগবাজির নেপথ্যে রয়েছে রাজ্যের শাসকদলের চার মন্ত্রীর ভূমিকা। নাম প্রকাশ না করেই তিনি অভিযোগ করেন, ওই চার মন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্র সিংয়ের বাড়িতে যান। যার ফলশ্রুতিতে তিনি ওই সময়সীমা বাড়ানোর নির্দেশ বাতিল করতে বাধ্য হন।

ঠিক একই দাবিতে অনঢ় রাজ্য বিজেপি। এ দিন দুপুরে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক সম্মেলনে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দলীয় আহ্বায়ক মুকুল রায়ের বক্তব্যেও সুজনবাবুর অভিযোগ প্রতিধ্বনিত হয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তার পরিবর্তন নিয়ে তারা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ দায়ের করবে।

তৃণমূলের আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ই-মেলের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন নির্দেশ বাতিল করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। তিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৬/২ ধারার উল্লেখ করে দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন ওই আইন না মেনেই নতুন সময়সীমার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিজেপির দাবি, কল্যাণবাবুর দাবির আদৌ কতটা যুক্তি-নির্ভরতা রয়েছে, তা তাঁরা আদালতের কাছে জানতে চাইবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন