নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান: গোটা রাজ্যে কত হাতি আছে, তার সংখ্যা যাচাইয়ের জন্য চার বছর অন্তর বন দফতরের উদ্যোগে হাতিশুমারি হয়। সেই তালিকায় দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলির পাশাপাশি নাম লেখাল দুই বর্ধমানও। এই প্রথম হাতিশুমারি হবে পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমানে।

গত ২৭ থেকে ২৯ মার্চ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় এই হাতিশুমারির কাজ হয়। এ বার পালা দক্ষিণবঙ্গের। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১০ থেকে ১২ মে, দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলায় চলবে এই গণনা। যে ছ’টি জেলা এই গণনার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে সেই সব জেলায় হাতির উপস্থিতি লক্ষ করা গিয়েছে। বন দফতরের কর্মীরা সেই সব জেলার বিভিন্ন জঙ্গলে গিয়ে এই গণনার কাজ করবেন। সেই সঙ্গে এই প্রথম বার হাতিশুমারিতে জিপিএস পদ্ধতির ব্যবহার করবেন বনকর্মীরা।

গণনার জন্য বনকর্মীদের প্রধান ভরসা হাতির মল। যে স্থানে হাতির মল লক্ষ করা যায় সেই জায়গাটি হাতির বসবাসের জায়গা হিসেবে ধরা হয়। পাশাপাশি জলাশয়ের ওপরেও ভরসা করতে হয় বনকর্মীদের। অর্থাৎ জঙ্গলের মধ্যে কোনো জলাশয় থাকলে সেখানে অপেক্ষা করেন বনকর্মীরা। হাতি জল খেতে এলে তার গণনা হয়ে যায়। সেই সঙ্গে জঙ্গলের বিভিন্ন জায়গায় নুন ছড়িয়ে দেওয়া হয়। হাতি সেই নুন খেতে এলে, তাকেও গণনার মধ্যে ধরে নেওয়া হয়।

এই শুমারির জন্য পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমানে কাজ করবে বনকর্মীদের ছ’টি দল। দুর্গাপুর, পানাগড় এবং গুসকরায় দু’টি করে দল কাজ করবে। প্রতিটি দল শুমারির রিপোর্ট বর্ধমানের ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসারের কাছে পাঠাবেন। কয়েক মাস পর সেই রির্পোট প্রকাশিত হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here