tmc-flag

ওয়েবডেস্ক: সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ছায়াযুদ্ধ চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবং এই যুদ্ধ নিয়ে সিপিএমের ততটা মাথাব্যথা না থাকলেও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে চলছে শব্দবন্ধের দড়ি টানাটানি।

গত ১১ জুন ঋতব্রত দেখা করেছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও বিধানসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের সঙ্গে। বিষয়টা যে আদ্যন্ত রাজনৈতিক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দলের উত্তর ২৪ পরগনার দায়িত্বে থাকা এই দুই নেতার সঙ্গে দেখা করে জেলার বেশকিছু প্রাক্তন বামপন্থী ছাত্র ও যুব নেতার তৃণমূলে যোগদানের কথা জানান তিনি। তৃণমূল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ঋতব্রত না কি উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে বামপন্থী নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে যোগদান করানোর বিষয়ে বেশ উদ্যোগের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। এই খবরেই তৃণমূলের নীচুতলার কর্মী-সমর্থকরা যথেষ্ট ক্ষোভের বহির্প্রকাশ ঘটাচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই জানা গিয়েছে, সিপিএম থেকে বহিষ্কারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে বেশ সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে ঋতব্রতকে। তিনি নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার তার উদাহরণ তুলে ধরেছেন। এমনকী সম্প্রতি তৃণমূলের বহিস্কৃত এক সাংসদের সঙ্গে কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশেষ অনুষ্ঠানও করেছেন। যত দ্রুত সম্ভব মমতার কাছাকাছি পৌঁছনো যায়, সেই চেষ্টায় কসুর করছেন না তিনি। এই বিষয়টিই যে তৃণমূলের একাংশের কাছে যথেষ্ট বেদনাদায়ক, তা ঝরে পড়ছে ফেসবুকে। নিতান্তই ‘দিদি’র ইচ্ছাকে মেনে নিতে বাধ্য হলেও মন থেকে এই বহিষ্কৃত সিপিএম সাংসদকে কিছুতেই ‘নেতা’ মানতে পারছেন না কেউ কেউ।

tmc-facebook

আবার বিপরীত মতেরও হদিশ মিলছে, ঋতব্রতকে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ফেসবুক গ্রুপের একটি পোস্টে এক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন, “দিদির সিদ্ধান্তকে চিরকার মান্যতা দিয়ে এসেছি আর আজীবন দেব”। তবে তারই নীচে একটি কমেন্টস-“এর পর হয়তো শোনা যাবে সুশান্ত ঘোষকেও দলে নেওয়া হচ্ছে”। এ ভাবেই চলছে ক্ষোক্ষ-প্রতিক্ষোভের বহির্প্রকাশ। এখন দেখার স্বয়ং দলনেত্রী কী করছেন!

উল্লেখ্য, শুধু উত্তর ২৪ পরগনা নয়, সূত্রের খবর, নদিয়া, বর্ধমান এবং বাঁকুড়ার অস্ংখ্য বামপন্থী ছাত্র-যুব নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে নিয়ে আসার কাজ নিজের উদ্যোগেই করে চলেছেন ঋতব্রত।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন