Arjun Singh
বিজয়ী পিতা-পুত্র

ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতে ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই এলাকার শান্তি ফেরাতে পথে নেমে পড়েছিলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। শুক্রবার সকাল থেকে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক সেরে পাড়ি দিলেন দিল্লিতে। তবে যাওয়ার আগে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য নিয়ে ফের নতুন করে দলবদলের জল্পনা শুরু হয়ে গেল রাজ্যরাজনীতিতে।

অর্জুন বলেন, এলাকায় শান্তি ফেরানোই এখন তাঁর প্রথম কাজ। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রতিনিয়ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে চলছিল ব্যারাকপুর অঞ্চলে। গত ১৯ মে ভাটপাড়া বিধানসভা উপনির্বাচনের দিন তা চরম আকার নেয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়। এমন পরিস্থিতি গত বৃহস্পতিবার অর্জুনের জয়ের পরেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটে। তবে তা বিস্তার লাভ করতে পারেনি।

এ দিন দিল্লি যাওয়ার আগে অর্জুন বলেন, “প্রায় ৬০ জন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। যে কোনো মুহূর্তে তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেবেন। এই সরকারের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে”। তাঁরা কারা?

উত্তরে অবশ্য নাম খোলসা করেননি। তবে তিনি বলেন, “আমরা আগে তৃণমূল করতাম। ফলে সবার সঙ্গেই জানাশোনা রয়েছে। কথাবার্তাও হয়। তাঁরা যখন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখান, আমি তাঁদের বলি মোদীজির সঙ্গে দেখা করুন”।

নিজের জয়ের পিছনে নৈহাটির বিধায়কের ভূমিকার কথাও বলেন অর্জুন। তিনি বলেন, “অনেকে বলেছিলেন, নৈহাটি থেকে আমি হারব। নৈহাটির বিধায়ক আমার বন্ধু। কিন্তু দেখলেন তো নৈহাটি থেকে আমি কত লিড পেলাম। নৈহাটির বিধায়ক সাহায্য করেছেন”।

[ ব্যারাকপুরে লক্ষ্যভেদ করে মমতাকে বার্তা অর্জুনের! ]

প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেন, “তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন”। একই ভাবে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তার পরই বলেন, “তৃণমূলের ১০০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন”।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here