west bengal nabanna

কলকাতা: মেমো নম্বর: ৩০৩(২২)ইএস(ডব্লুউবিবিওআর)/ইস্ট-০৮/ডব্লুউবি/বিডিও/২০১৭-১৮ তারিখ ২২ ডিসেম্বর,২০১৭

এই মেমো নম্বরেই দেওয়া হয়েছিল ওই কর্মখালি বিজ্ঞাপন। ‘অফিস অব দ্য ব্লক রিক্রুটমেন্ট অফিসার’ নামের লেটারহেড ব্যবহার করা ওই বিজ্ঞাপনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল ভুয়ো তথ্যে মোড়া। কারণ লেটারহেডে যে দফতরের নাম করা হয়েছে, ওই ধরনের কোনো দফতর রাজ্য়ের কোথাও নেই বলে জানানো হয়েছে খোদ রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ কার্যালয় নবান্ন থেকে।

বিজ্ঞাপনটিতে বলা হয়েছিল, গ্রুপ সি এবং ডি-এর জন্য ৪০০ কর্মী নেওয়া হবে। এর মধ্য়ে গ্রুপ সি-তে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের পদে নেওয়া হবে ২২৮ জন এবং গ্রুপ সি-র জন্য পিয়ন পদে নিয়োগ করা হবে ১৭২ জনকে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের জন্য মাসিক বেতন নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ হাজার এবং পিয়নের জন্য সাড়ে ন-হাজার টাকা। পাশাপাশি গ্রুপ ডি ও সি-এর জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা মান নির্ধারিত হয়েছিল যথাক্রমে মাধ্যমিক এবং অষ্টম শ্রেণী উত্তীর্ণ।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গে নবান্নের কোনো কর্মী বা আধিকারিকের জড়িত থাকার বিষয়টিকেও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ নবান্নের ঠিকানার সঙ্গেই ওই বিজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের ১৩ তলার একটি ফোন নম্বর। আবেদনপত্র পাঠানোর জন্যও নির্দিষ্ট করা হয়েছিল এই নবান্নের ঠিকানাই। তা হলে কি, নবান্নে এসে আবেদনপত্র পৌঁছলে সেখান থেকে সেগুলি সংগ্রহ করার জন্য কাউকে ঠিক করা হয়েছিল।

পুলিশের মতে, বিভিন্ন সংবাদপত্রে এ ধরনের বিজ্ঞাপন আকছার প্রকাশিত হয়ে চলেছে। কিন্তু খোদ নবান্নের ঠিকানা ব্যবহার করা হল কেন, সে বিষয়েই তদন্ত চালানো হচ্ছে। রাজ্যের ১৫টি জেলায় নিয়োগ প্র্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করা ওই বিজ্ঞাপন যে আর পাঁচটা ভুয়ো কর্মখালি বিজ্ঞাপনের মতো নয়, সে কথা মানছে পুলিশ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here