farmer

ওয়েবডেস্ক: এত দিন আলু চাষ করতেন। মত বদল করে মন দিলেন খরমুজ চাষে। মাত্র ৭০ দিন পর ঘটে গেল চমৎকার। সাত বিঘা জমিতে খরমুজ চাষে তাঁর লাভের পরিমাণ ২১ লক্ষ টাকা। সত্যিই অবিশ্বাস্য। কিন্তু বাস্তব।

চাষের অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন গুজরাতের বানাসকান্থা জেলার সাধারণ কৃষক খেতাজি সোলাঙ্কি। লাভের আশায় চাষের কাজ শুরু করলেও তিনি যে মাত্র ৭ বিঘা জমিতে ১৪০ টন খরমুজ ফলিয়ে ফেলেছেন, তা নিজের কাছেও অবিশ্বাস্য ঠেকছে। সোলাঙ্কি জানিয়েছেন, এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি খরমুজ চাষ শুরু করেন। মাত্র ৭০ দিন পরে এপ্রিলেই তা বাজারজাত করার অবস্থায় চলে আসে।

আচমকা কেন তিনি আলু থেকে খরমুজে চলে গেলেন। এর কারণ লুকিয়ে আছে আলু থেকে ন্যায্য মূল্য না পাওয়া। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বলতে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা। কিন্তু খরমুজ চাষের অত্যাধুনিক পদ্ধতিটি তিনি অবলম্বন করেছিলেন ১০০ শতাংশ ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা থেকেই। কী সেই পদ্ধতি সে বিষয়ে খোলসা করে তেমন কিছু না জানা গেলেও এটুকু জানা গিয়েছে, চাষের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি বেছে নিয়েছিলেন উন্নতমানের বীজ। এর পর পর্যাপ্ত পরিমাণ সেচের জলের জন্য ব্যবহার করেছেন সৌরবিদ্যুৎ চালিত পাম্প। খরচ কত পড়েছিল?

সোলাঙ্কির উত্তর, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর ব্যয় হয়েছে প্রায় ১.২১ লক্ষ টাকা। কারণ উন্নতমানের বীজ সংগ্রহের জন্য ব্যয় করতে হয়েছে একটু বেশি। তবে উৎপাদিত ফসলের বিক্রিতে তাঁকে বাড়তি কাঠ-খড় পোড়াতে হচ্ছে না। ভিন রাজ্য থেকেও ব্যবসায়ীরা তাঁর শরণাপন্ন হচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here