firhad hakim
মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরে ফিরহাদ হাকিম। ছবি রাজীব বসু।

কলকাতা: ১১৬ ভোটে জিতে কলকাতা পুরসভার মেয়রপদে নির্বাচিত হলেন তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম। আবার নিজেদের ভোট ধরে রেখে পাঁচটি ভোটেই নিজের বাক্স ভরালেন বিজেপি প্রার্থী মীনা দেবী পুরোহিত। তা হলে সেই ক্রসভোটিংয়ের গল্পমালা কোথায় গেল?

পর্ব নির্ধারিত নির্ঘণ্ট মেনেই সোমবার ভোটগ্রহণ হয় পুরসভার মেয়র নির্বাচনের। এ দিন নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে ভোট বয়কট করেন বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের কাউন্সিলাররা। কিন্তু ভোটে অংশ নেন পাঁচ জন বিজেপি কাউন্সিলার। তৃণমূল কাউন্সিলার সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি। ফলে অসুস্থতার কারণেই ভোট দিতে আসতে পারেননি ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুস্মিতাদেবী। বাকি ১২১ জন তৃণমূল কাউন্সিলার অবশ্য দলের নির্দেশ মেনে ফিরহাদকেই ভোট দিয়েছেন। অথচ, গত শুক্রবার পুরসভার কাউন্সিলারদের নিয়ে তৃণমূলের বিশেষ বৈঠকের পরই একটা মহল থেকে জল্পনা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

মীনাদেবী পুরোহিত। ফাইল ছবি

বলা হয়, বিজেপি প্রার্থী দিতেই তৃণমূল ভয় পেয়েছে। যে কারণে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কাউন্সিলারদের নিয়ে ওই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষ করে মীনাদেবীর অতীত রাজনৈতিক জীবনকে সামনে নিয়ে এসে জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করা হয়। দাবি করা হয়, ২০১০ সালে সুব্রত মুখোপাধ্যায় মেয়র হলে ডেপুটি মেয়রের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মীনাদেবী। সে সময় তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের বেশ কয়েক জন কাউন্সিলারের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের রেশ ধরেই তৃণমূল শিবিরে ফাটল ধরিয়ে কয়েকজনকে ক্রসভোটিংয়ে উজ্জীবিত করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন: কলকাতার মেয়রপদে জয়ের প্রতীক্ষায় ফিরহাদ হাকিম!

কিন্তু এ দিন ভোটের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরই ছবিটা পরিষ্কার হয়ে গেল। নেত্রী ও দলের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থাই ফুটে উঠল এ দিনের ভোট বাক্সে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here