Connect with us

ভ্রমণের খবর

সোমবার থেকে খুলছে রাজ্য বনোন্নয়ন নিগমের পাঁচটি রিসর্ট

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আনলক ১-এর (Unlock 1) আবহে বেশ কিছু পর্যটনকেন্দ্র ধীরে ধীরে খুলছে পশ্চিমবঙ্গে। গত সোমবার খুলেছে রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগমের (WBTDC) অন্তর্গত পাঁচটি টুরিস্ট লজ। এ বার খুলতে চলেছে বনোন্নয়ন নিগমের (WBFDC) পাঁচটি রিসর্টও।

সোমবার অর্থাৎ ১৫ জুন থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে গড়পঞ্চকোট, মুকুটমণিপুর (Mukutmanipur), ঝাড়গ্রাম, লোধাসুলি আর রসিকবিলে অবস্থিত বনোন্নয়ন নিগমের রিসর্টগুলি।

কোভিড (Covid 19) পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পর্যটকদের যে প্রচুর নিয়মের মধ্যে দিতে যেতে হবে, তা বলাই বাহুল্য। মাস্ক পরে থাকতে হবে সব সময়ে, একে অপরের থেকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে। এ ছাড়া বার বার হাত ধুতে হবে সে আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

যে যে রিসর্ট খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার মধ্যে একটিই রয়েছে উত্তরবঙ্গে। কোচবিহার জেলায় অবস্থিত রসিকবিল। বাকি চারটেই দক্ষিণবঙ্গে। ইতিমধ্যেই বনোন্নয়ন নিগমের ওয়েবসাইটে লজগুলির অনলাইন বুকিংও শুরু হয়ে গিয়েছে।

এর মধ্যে মুকুটমণিপুর রিসর্টটি খুলে দেওয়া খুব তাৎপর্যের। বাঁকুড়ার (Bankura) মুকুটমণিপুর মূলত পর্যটককেন্দ্রিক জায়গা। এখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের রুজিরুটিও পর্যটকদের আনাগোনার ওপরেই নির্ভর করে।

গত তিন মাস পর্যটকরা আসেননি বলে মাথায় হাত উঠে গিয়েছিল স্থানীয়দের। এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সবাই। যদিও, এখন আবার এই পর্যটনকেন্দ্রটি খুলছে বলে আবার আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।

ইতিমধ্যে গোটা মুকুটমণিপুরকে ভালো করে স্যানিটাইজ করা হয়েছে। খাতরার দমকলকেন্দ্রের কর্মীরা এই স্যানিটাইজেশনের কাজ করেছেন। মাঝেমধ্যেই এই স্যানিটাইজেশনের কাজ চলবে এই জায়গায়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার মাইথন, ডায়মন্ড হারবার, বিষ্ণুপুর, রাঙাবিতান আর লাটাগুড়ির টিলাবাড়ি পর্যটনকেন্দ্র খোলার পর বৃহস্পতিবার দিঘারও কয়েকটি হোটেল খুলেছে। আগামী সোমবার থেকে খুলে যাবে সুন্দরবনও।

ভ্রমণের খবর

খুলে গেল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন আর বনোন্নয়ন নিগমের আরও কয়েকটি লজ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আনলক পর্বে ধাপে ধাপে রাজ্যের পর্যটনস্থলগুলি খোলা হচ্ছে। প্রথম দফার আনলকে গত ৮ জুলাই থেকে বেশ কিছু পর্যটনস্থল খোলা হয়েছে। এ বার দ্বিতীয় দফায় আনলকে, অর্থাৎ বুধবার থেকে রাজ্যের আরও কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্রও খুলে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার থেকেই পর্যটকদের জন্য খুলে গিয়েছে দিঘা, ডুয়ার্স আর পাহাড়। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেশ কিছু জায়গায় রাজ্য পর্যটন আর বনোন্নয়ন নিগমের লজগুলিও খুলে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দিঘা, বকখালি, ব্যারাকপুর, কালিম্পং (মর্গ্যান হাউজ) আর ঝাড়গ্রামে অবস্থিত রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগমের লজগুলির দরজা পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী এক মাসের অনলাইন বুকিং করা যাবে নিগমের ওয়েবসাইট (wbtdcl.com) থেকে।

গত ৮ জুন, মাইথন, বিষ্ণুপুর, ডায়মন্ড হারবার, লাটাগুড়ি (টিলাবাড়ি) আর রাঙাবিতান (শান্তিনিকেতন) লজগুলি খুলে দেওয়া হয়েছিল।

একই ভাবে বুধবার থেকে রাজ্যের বনোন্নয়ন নিগমের অন্তর্গত আরও কয়েকটি রিসর্টের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল মূর্তি, বড়োদাবরি (লাটাগুড়ি), ঝালং, পারেন আর মংপং। নিগমের ওয়েবসাইট (wbfdc.net) থেকে অনলাইনে বুক করে এই রিসর্টগুলিতে যেতে পারবেন পর্যটকরা।

উল্লেখ্য, করোনার আতঙ্কের মধ্যেও লকডাউনের প্রতিবন্ধকতা (Lockdown) ঝেড়ে ফেলতে ইতিমধ্যেই ধীরে ধীরে মানুষ বেরিয়ে পড়ছেন বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে। ফলে, অন্য রাজ্যের থেকেও পশ্চিমবঙ্গে পর্যটন শিল্প ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।

আশা করা হচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারলে রাজ্যের পর্যটনে নতুন দিক খুলে যেতে পারে আগামী কয়েক মাসে।

Continue Reading

পূর্ব মেদিনীপুর

দার্জিলিংয়ের পর এ বার পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি খুলে যাচ্ছে দিঘাও

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ১ জুলাই থেকে পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে দার্জিলিং। ওই দিন খুলে যাবে দিঘাও (Digha)। ওল্ড আর নিউ দিঘার সব হোটেল ১ জুলাই খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হোটেল মালিকদের সংগঠন।

শুধু হোটেল খোলাই নয়, ওই দিন থেকে দিঘায় সমুদ্রস্নানের উপরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে প্রশাসন। পাশাপাশি অমরাবতী পার্ক, বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলির মতো দর্শনীয় স্থানগুলি খোলার নির্দেশ দিয়েছে দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ (ডিএসডিএ)।

তবে উন্মুক্ত জায়গায় পিকনিক করার ওপরে এখনও নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে প্রশাসন।

ওল্ড এবং নিউ দিঘা মিলিয়ে ৬০০টিরও বেশি হোটেল রয়েছে। গত ৮ জুন থেকে রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে দিঘায় অল্প সংখ্যক হোটেল খোলা হয়েছিল। কিন্তু পর্যটকদের আসার প্রতিবাদ করেছিলেন স্থানীয় মহিলারা। তার পর থেকে দিঘায় টুকটাক কিছু পর্যটক গেলেও কোনো ভাবেই আগের ছন্দে ফিরছিল না সৈকত-নগরী।

এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের (DSDA) প্রশাসনিক ভবনে একটি বৈঠক হয়। সেখানে পর্ষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক সুজন দত্ত সভাপতিত্ব করেন। হোটেল মালিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ আধিকারিক এবং স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

ওই বৈঠকে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত অনেক নিয়মকানুন তৈরি হয়। পর্যটকদের হোটেলের ঢোকা এবং বেরোনোর আগে নিয়মিত গাড়ি এবং জিনিসপত্র জীবাণুমুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রত্যেকটি হোটেলে পরিবর্তন পদ্ধতিতে (Rotational Basis) অর্ধেক রুম পর্যটকদের ব্যবহার করতে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে বড়ো বাস ভাড়া করে পর্যটকদের দল এখনই দিঘায় আসতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, পারিবারিক ভ্রমণের ওপরেই আপাতত জোর দেওয়া হচ্ছে দিঘায়। সব মিলিয়ে ১ জুলাই থেকে আবার পর্যটনকে হাতিয়ার করে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে দিঘার অর্থনীতি।

Continue Reading

কালিম্পং

প্রচুর বিধিনিষেধ সঙ্গে নিয়ে ১ জুলাই থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দার্জিলিং

দার্জিলিং: দার্জিলিং-কালিম্পঙের অর্থনীতিটা অনেকটাই পর্যটনকেন্দ্রিক। করোনা মহামারির কারণে গত মার্চ থেকে পর্যটকশূন্য হয়ে রয়েছে গোটা পাহাড়। মুখ থুবড়ে পড়েছে অর্থনীতি। করোনা (Coronavirus) কত দিনে যাবে তার কোনো ঠিক নেই। তাই করোনাকে সঙ্গে নিয়েই এ বার পর্যটকদের স্বাগত জানানোর জন্য তৈরি হচ্ছে পাহাড়।

১ জুলাই থেকে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)-এর আওতাধীন সব হোটেল এবং হোমস্টে খুলে দেওয়া হবে। দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল এমনিতেই খোলা রয়েছে, কিন্তু দর্শনীয় স্থানগুলি এতদিন বন্ধ ছিল। ১ জুলাই থেকে ধীরে ধীরে তা খোলা হবে।

পর্যটনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা করে এই কথা জানিয়েছেন জিটিএ (GTA) পর্যটন দফতরের সহকারী ডিরেক্টর সুরজ শর্মা।

১ জুলাই থেকে জিটিএ-এর আওতায় থাকা দার্জিলিংয়ের টাইগার হিল, রক গার্ডেন, গঙ্গা মাইয়া পার্ক, বাতাসিয়া লুপ খুলে দেওয়া হবে। একই দিনে কালিম্পঙের দেলো পার্কও খুলে দেওয়া হবে।

শর্মা বলেন, “আমরা প্রথম জলটা মেপে নিতে চাই। সাধারণ মানুষ কেমন প্রতিক্রিয়া দেখান সেটাই জেনে নিতে চাই। তার পর মিরিক-সহ বাকি জায়গা খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

তবে জিটিএ-এর আওতায় না থাকা দার্জিলিং চিড়িয়াখানা, হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট (HMI) আর রোপওয়েও যাতে খুলে দেওয়া হয় ১ জুলাই থেকে সেই জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাবে জিটিএ।

হোটেল আর হোমস্টেগুলোর জন্য বিশেষ স্ট্যান্ডার্ড ওপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) তৈরি করা হবে। পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে কোনো রকম আপস যাতে না করা হয়, সেই নির্দেশও দেওয়া হবে। আপাতত ট্যাক্সিগুলো তাদের যাত্রী ক্ষমতার ৫০ শতাংশ যাত্রী নিতে পারবে বলে জানিয়েছে জিটিএ।

তবে পর্যটকরা যাতে নিজেদের ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে পাহাড়ে আসেন, সেই ব্যাপারে বিশেষ আবেদন করেছে জিটিএ। পাহাড়ে ওঠার অন্তত চারটে জায়গায় থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন শর্মা।

সব মিলিয়ে, ধীরে ধীরে এ বার পর্যটনের ভাটা কাটিয়ে উঠতে চাইছে পাহাড়।

Continue Reading
Advertisement

নজরে