মৃতদেহ মিলল সেই লালগড়ের বাঘের, শরীরে আঘাতের চিহ্ন!

0
510
বাঘ

ওয়েবডেস্ক: লালগড়ের জঙ্গলে দেড় মাস দাপিয়ে বেড়ানোর পরেও ধরা সম্ভব হয়নি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে। প্রায় ছ’সপ্তাহ ধরে তিনটি জেলায় পাওয়া গিয়েছে পায়ের ছাপ, মিলেছিল ভিডিও ফুটেজও। সেই বাঘকেই পাওয়া গেল মৃত অবস্থায়, লালগড়ের চাঁদড়া এলাকার জঙ্গলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বাঘটিক কানের কাছে রয়েছে একটি বড়োসড়ো আঘাতের চিহ্ন। সারা শরীরে মিলেছে একাধিক আঘাতের চিহ্ন। প্রাথমিক অনুমান, বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়েছে তাকে। কে মারল?

আরও পড়ুন: ধরা দিয়েও জাল ছিঁড়ে চম্পট দিল লালগড়ের সেই বাঘ

স্থানীয় আদিবাসীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে বাঘের মৃতদেহটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায় লালগড়ের জঙ্গলে। অনতিদূরে পাওয়া গিয়েছে একটি আধখাওয়া শুয়োরের দেহাবশেষ। আবার বাঘের কানের কাছে আঘাতের চিহ্ন থেকেই অনুমান করা হচ্ছে, হয়তো বা শুয়োরের টোপ দিয়েই বাঘটিকে আকর্ষণ করে তাকে মেরে ফেলা হতে পারে। তবে সরকারি ভাবে বন দফতর এ বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য জানায়নি। পুরোটাই অনুমান ভিত্তিক।

উল্লেখ্য, গত ৩০ মার্চ পশ্চিম মেদিনীপুরের বাঘতোড়ার জঙ্গলে ধরা পড়েছিল বাঘটি। প্রথমে শোনা যায়, কয়েক জন শিকারি বাঘবাবাজিকে তাড়া করতে করতে একটি গর্তে নিয়ে গিয়ে ফেলে। গর্তে পড়ে গিয়ে সেখান থেকে উঠে পালানোর চেষ্টা করার আগেই তাকে জাল বন্দি করে ফেলে উপস্থিত মানুষজন। কিন্তু শেষ রক্ষে আর হল না। মাত্র  ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানেই সে জাল ছিঁড়ে পালায়।

আরও পড়ুন: লালগড়ের বাঘ-কাণ্ডে রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে

এত সবের মাঝে গত ১৩ মার্চ ভোরে বাঘ ধরার সঙ্গে যুক্ত পিড়াকাটা রেঞ্জের দুই বনকর্মীর মৃত্যু ঘটেছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছিল, বন বিভাগের ঐরাবত গাড়িতে বাঘের সন্ধানে টহলরত ছিলেন অমল চক্রবর্তী (৪০) ও দামোদর মুর্মু (৩৬) নামে দুই বনকর্মী। টহল শেষে ফিরতে ভোর প্রায় তিনটে বেজে যায়। দরজা বন্ধ করে ঘোর ঘুমে তাঁরা আচ্ছন্ন  ছিলেন। সকালে দরজা বাইরে থেকে খুললে তাঁদের মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। গাড়িতে জেনারেটার চলায় তাঁরা শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান পুলিশের।

তবে একটি সূত্রের দাবি, আদিবাসীরাই বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে বাঘটিকে মেরেছেন।

 

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here