Taslima-1

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাত্র চার বছর বয়সে নিজেই পাচারের শিকার হয়েছিলেন মথুরাপুরের তসলিমা। আর এখন তিনি নিজেই শিশু ও নারী পাচারের অন্যতম মূল পান্ডা। মুম্বইয়ে বসেই তিনি তাঁর নেটওয়ার্ক চালাতেন। সুন্দরবনের শিশু ও মেয়েরা ছিল তাঁর সহজ শিকার। তসলিমার স্বামী গফ্‌ফরও এই কাজে তসলিমাকে সাহায্য করতেন।

সুন্দরবনের শিশু ও নারীদের বিয়ে ও কাজের টোপ দিয়ে এই গফ‌্ফরই নিয়ে যেতেন মুম্বই। আর সেখান থেকেই তসলিমা কয়েক লক্ষ টাকায় বিদেশে বেচে দিতেন এই সব মেয়েদের। তাঁর হাতে এত বছরে কত যে মেয়ে পাচার হয়ে গিয়েছে তার কোনো হদিশ নেই।

Taslima-2

কিন্তু কয়েক মাস আগে সুন্দরবনের হারউড পয়েন্টের এক নাবালিকার সন্ধানে তদন্তে নেমে এই তসলিমার নাম জানতে পারে পুলিশ। ওই নাবালিকাকে মুম্বইয়ের একটি পানশালা থেকে উদ্ধার করা হয়।

ধরা পড়েন তসলিমার স্বামী পাচারকারী গফ‌্ফরও। কিন্তু কিছুতেই তসলিমাকে ধরতে পারছিল না পুলিশ। অবশেষে মথুরাপুর থানার ওসি শিবেন্দু ঘোষ ও হারউড পয়েন্ট উপকূল থানার ওসি কৃষেন্দু বিশ্বাসের চেষ্টায় দশ বছরের একটি বাচ্চাকে পাচারের সময় রবিবার মথুরাপুরের ঘোড়াদলের বৈদ্যপাড়া থেকে ধরা পড়েন তসলিমা। তাঁকে সোমবার কাকদ্বীপ আদালতে তোলা হলে বিচারক চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here