শান্তিপুর: বিষমদ কাণ্ডে গ্রেফতার করা হল মূল পাণ্ডা গণেশ হালদারকে। লাগাতার তল্লাশি অভিযান চালিয়ে গণেশকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযোগ, শান্তিপুরের চৌধুরীপাড়ায় মৃত চন্দন মাহাত ওরফে গুলবরের ঠেকে চোলাই সরবরাহ করত ধৃত গণেশ৷ গঙ্গার চরে গোপন ডেরায় চোলাই তৈরি করে গুলবরের ঠেকে পাঠাত সে৷ তদন্তকারীদের ধারণা, ধৃত গণেশের তৈরি চোলাই পান করেই নৃসিংহপুরের ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷

আরও পড়ুন সংসদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু আন্দোলনকারী কৃষকদের, মোতায়েন প্রচুর পুলিশ

বুধবার সকাল থেকে শান্তিপুরে বিষমদ খেয়ে মৃত্যুর মিছিল লেগে যায়। প্রথমে ৫, তার পর ৭, পরে ১০ হয়ে আপাতত মৃতের সংখ্যা ১২। এই মদ খেয়ে মারা গিয়েছে এই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত চন্দন মাহাতও। এই ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সাসপেন্ড করা হয় আবগারি দফতরের একাধিক আধিকারিককে। ক্লোজ করা হয় শান্তিপুর থানার ওসিকেও।

এর পরেই লাগাতার তল্লাশি করে প্রথমে চার জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত সেই চার জনকে জেরা করেই গণেশের হদিশ পাওয়া যায়। এই পাঁচ ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here