গল্পটা এরকম:  ৮ আগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিল মাম্পি। বাড়ি তার পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার উত্তর ধানখাল গ্রামে। অন্যদিকে গত ২০ আগস্ট দিঘার ঝাউবন থেকে ধর্ষণের পর খুন হওয়া এক অজ্ঞাত পরিচয় যুবতীর দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ২১ আগস্ট দিঘায় গিয়ে দেহটি সনাক্ত করেন মাম্পির বাবা সুনীল দোলুই। সেই মত পুলিশ তার হাতে যুবতীর দেহ তুলে দেয়। যথারীতি নিয়ম মেনে মাম্পির দেহ দাহ করে শ্রাদ্ধশান্তিও করা হয়ে গিয়েছে।

এরপরই কাহানিমে টুইস্ট। ২৩ আগস্ট দাসপুর থানার পুলিশ নিখোঁজ হওয়া আসল মাম্পিকে কলকাতায় খুঁজে পায়। রাতেই দাসপুরে তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় তরুণীকে। সদ্য দাহ করা মৃত মাম্পিকে ফিরে পেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই খুশিতে প্রায় বাকরুদ্ধ পরিবারের লোকেরা।

mampy-2

এবার সমস্যায় পুলিশ। দাহ হয়ে যাওয়া মেয়েটির পরিচয় জানতে দিঘা পুলিশকে নাজেহাল হতে হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে দিঘা থানার ওসি-র বক্তব্য, কেউ যদি সঠিক ভাবে সনাক্ত করে দেহ চায় তাকে তো তা দিতেই হবে। এর ফলে তদন্তে কোনো সমস্যা হবে না।

এখন প্রশ্ন, এরপর মৃত যুবতীর পরিবারের কেউ যদি আসে, তখন পুলিশ তাদের হাতে কী তুলে দেবে ?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here