মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জগদীপ ধানখড়। ফাইল ছবি

কলকাতা: রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে কেন্দ্রের উদ্দেশে রাষ্ট্রসঙ্ঘের তত্ত্ববধানে গণভোটের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার এহেন মন্তব্য প্রত্যাহারের আর্জি জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধানখড়।

নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (সিএএ) প্রত্যাহার এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) না করার দাবিতে পথে নেমেছেন মমতা। এ দিনের সভা থেকে মমতা বলেন, “বিজেপির সাহস থাকলে, সিএএ-এনআরসি নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নজরদারিতে গণভোট করে দেখাক”।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই টুইটারে রাজ্য়পাল লিখেছেন, “রাষ্ট্রসঙ্ঘ বা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো নিরপেক্ষ সংগঠনকে দিয়ে নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইনের পক্ষে কত জন রয়েছেন তা দেখতে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হোক’,- আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর এই বিবৃত প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করছি”।

গত বুধবার রাজ্য়পালের ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং জিডিপি। রাজভবনের ওই বৈঠকে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানান ধানখড়। তিনি জানান, “মুখ্যসচিব এবং ডিজিপিকে আমি উদ্বেগের বিষয়গুলি অবহিত করেছি। পরিস্থিতি গুরুতর মনোনিবেশ করার আহ্বান জানায়। তাঁরা আমাকে তথ্য দিয়েছেন। তবে সন্তুষ্ট হলেও এটি মারাত্মক উদ্বেগজনক পরিস্থিতির জন্য নয়। আশা করি আরও প্রাণবন্ত প্রচেষ্টা করা হবে। মানুষের আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলতে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলি পরিদর্শন করা হবে”।

[ আরও পড়ুন: রণক্ষেত্র লখনউ, বাস-বাইকের সঙ্গেই জ্বালিয়ে দেওয়া হল পুলিশ ফাঁড়ি ]

কিন্তু ফের পর দিনই মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হল। রাজ্যপাল ওই দিনই মালদহ এবং মুর্শিদাবাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে প্রশাসনের অনুমতিতে ঘুরে দেখার কথাও জানিয়েছিলেন। তবে তা নিয়েও এখনও কোনো পদক্ষেপের কথা জানা যায়নি।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন