Connect with us

রাজ্য

বিল আটকে দেওয়ার অভিযোগের জবাবে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের

jagdeep dhankar

কলকাতা: রাজ্যপাল-রাজ্য সংঘাতে নতুন মোড়। ‘সরকারের রাবার স্ট্যাম্প নই’ বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

উল্লেখ্য, রাজ্যপালের ভূমিকাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দু’ দিনের জন্য নজিরবিহীন ভাবে বিধানসভা মুলতুবি করে দিয়েছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, বেশ কিছু বিল রাজভবনে আটকে। ‘ইচ্ছাকৃত ভাবে’ সই করছেন না রাজ্যপাল। বুধবার এই নিয়েই টুইট করে চাঁচাছোলা ভাষায় সেই অভিযোগের জবাব দেন ধনখড়।

জগদীপ ধনখড় জানান, তিনি সংবিধান মেনেই তাঁর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্ধের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। রবার স্ট্যাম্প বা পোস্ট অফিস তিনি কোনোটাই নন। সংবিধানের এক্তিয়ার মেনেই বিলগুলি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

দেরি হওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই বলেও জানিয়েছেন ধনখড়। রাজ্যপাল এর আগে অভিযোগ এনেছিলেন, বিল সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট তথ্য চাওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের কাছ থেকে।  বিলের ব্যাখ্যা সরকার দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয় রাজভবনের তরফে।

আরও পড়ুন সহকর্মীর গুলিতে হত ৬ আইটিবিপি জওয়ান

ওই বিলগুলির মধ্যে আটকে রয়েছে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কমিশন ফর দ্য শিডিউলড কাস্টস অ্যান্ড শিডিউলড ট্রাইবস বিল’, ‘প্রিভেনশন অব লিনচিং বিল ২০১৯’।

উল্লেখ্য, তফশিলি জাতি-উপজাতির উন্নয়নে একটি কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর এই সংক্রান্ত বিল পাঠানো হয় রাজভবনে। রাজ্যপালের সম্মতির পর বুধ ও বৃহস্পতিবার এই বিল পেশ হওয়ার কথা ছিল বিধানসভায়। তার পর আলোচনা। কিন্তু রাজভবনের সচিবালয় থেকে বিল ফেরত না আসায় দু’ দিন বিধানসভার অধিবেশন স্থগিত করে দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল বিলে সম্মতি না দেওয়ায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ সরকার।

রাজ্য

রেকর্ড সংখ্যক নমুনা পরীক্ষার দিন রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যাতেও রেকর্ড, কমল মৃত্যুহার

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এই প্রথম রাজ্যে ১৩ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা হল। আর প্রবণতা অনুযায়ী নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ায় আক্রান্তের সংখ্যাতেও রেকর্ড তৈরি হল। যদিও বড়ো স্বস্তি দিয়ে মৃত্যুহার কমল অনেকটাই।

রাজ্যের করোনা-তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৬৯০ জন। এর ফলে রাজ্যে এখন মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬,১১৭। ২৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,০২৩।

তবে এক দিনে ৭৩৫ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। এর ফলে এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২১,৪১৫ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার এখন রয়েছে ৫৯.২৯ শতাংশে। তবে মৃত্যুহার এখন কমে এসেছে ২.৮৩ শতাংশে।

উত্তর ২৪ পরগণায় রেকর্ড সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগণায় রেকর্ড সংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন (৪০৩)। এর ফলে সে জেলায় এখন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,০৩৫। তবে এই জেলায় সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩,২২৪।

কলকাতায় করোনায় নতুন করে ৪৯৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে শহরে মোট করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১,৪৭১। তবে শহরে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬,৪২২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫৩৭ জনের। কলকাতায় এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪,৫১২ জন।

দক্ষিণ ২৪ পরগণায় নতুন করা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৬ জন। এ ছাড়া হাওড়ায় ১৮৬ আর হুগলিতে ৮১ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনামুক্ত থাকার তকমা খোয়াল ঝাড়গ্রাম

বেশ কিছু দিন করোনামুক্ত থাকার পর ফের ঝাড়গ্রামে নতুন করে করোনা-আক্রান্তের সন্ধান মিলল। এ দিন নতুন করে এই জেলায় তিন জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলার মধ্যে সব থেকে বেশি করোনা-আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে পূর্ব মেদিনীপুর (৩৯) আর পূর্ব বর্ধমানে (৩১)। এ ছাড়া মুর্শিদাবাদে নতুন করে ১৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি জেলাগুলিতে অবশ্য করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা চিন্তাদায়ক নয়।

উত্তরবঙ্গের তিন জেলা সংক্রমণে উদ্বেগজনক বৃদ্ধি

উত্তরবঙ্গের তিন জেলা, তথা দার্জিলিং, মালদা আর জলপাইগুড়িতে সংক্রমিতের সংখ্যায় উদ্বেগজনক বৃদ্ধি এসেছে। দার্জিলিংয়ে ৭৮, মালদায় ৬৯ আর জলপাইগুড়িতে ৪০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন নতুন করে। দার্জিলিং আর জলপাইগুড়ির অধিকাংশ সংক্রমিতই শিলিগুড়ির বাসিন্দা।

গত ২৪ ঘণ্টায় শিলিগুড়িতে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে, তিনিও শিলিগুড়িরই।

নমুনা পরীক্ষার তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১৩,১৮০টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড। এর ফলে রাজ্যে মোট ৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ১০৮টি নমুনা পরীক্ষা হল। রাজ্যে বর্তমানে প্রতি দশ লক্ষ মানুষে ৭,৩৬৮ জনের করোনা পরীক্ষা হচ্ছে।

Continue Reading

রাজ্য

আরও চার হাজার বেড বাড়ছে রাজ্যে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

“সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়ছে, ফলে বেডের চাহিদাও বাড়ছে। নতুন করে আরও চার হাজার বেডের সংস্থান করা হচ্ছে”।

কলকাতা: রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর সপ্তাহে একবার করে জীবাণুমুক্ত (Disinfection) করা হবে বলে বৃহস্পতিবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ (Covid-19) রোগীর সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি মাথায় রেখে আরও হাজার চারেক বেড বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, “মানুষ এখন সরকারি হাসপাতালে যাচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো যথেষ্ট উন্নত করা হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যে সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো আমাদের মতো এতটা ভালো নয়। গত ন’বছরে রাজ্যের হাসপাতালগুলির আমূল পরিবর্তন হয়েছে”।

কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলিতে কোভিড-১৯ রোগী ভরতি নিয়ে অভিযোগ উঠছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু কলকাতার সংক্রমিতরা কলকাতার হাসপাতালে ভরতি হচ্ছেন, তা নয়। জেলা থেকে প্রচুর রোগী কলকাতার হাসপাতালগুলিতে ভরতি হন। তবে আমরা মনে করি এখনও পর্যন্ত যে ১২ হাজার ৭৪৭ জন কোভিড-১৯ সক্রিয় রয়েছেন, তাঁরা সুস্থ হয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হলে আরও বেড খালি হয়ে যাবে। বেশ কয়েকটি সরকারি হাসপাতালে বেডের সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে”।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়ছে, ফলে বেডের চাহিদাও বাড়ছে। নতুন করে আরও চার হাজার বেডের সংস্থান করা হচ্ছে”।

তাঁর কথায়, “১৪ দিনের আগে সুস্থ হয়ে গেলে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হোক। উপসর্গহীনদের সেফ হোমে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটু দেরি হলে রাস্তায় বসে আন্দোলন করবেন না। কেন দেরি হল কারণটা খুঁজে দেখেছেন? সব দোষ সরকারের, অথচ এই সরকারই সব থেকে বেশি কাজ করছে”।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার মানেই ভগবান নয়। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে রাজ্য সরকার মানুষকে সহযোগিতা করছে। এতটা অর্থ সংকট থাকা সত্ত্বেও কোনো সরকারি কর্মীর বেতন কাটা হয়নি। ফলে একটু সহযোগিতা তো করবেন”।

করোনা নিয়ে রাজনীতি চলছে বলে ধারাবাহিক ভাবে অভিযোগ তুলেছেন মমতা। এ দিন তিনি বলেন, “যাঁরা পরিষেবা দিচ্ছেন, তাঁদের কথাও একটু ভাবুন। তাঁদের সহযোগিতা করুন। যাঁরা বড়ো বড়ো কথা বলছেন, তাঁরা কী করেছেন। আমরা করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, আপনারা কেন রাজনৈতিক যুদ্ধ করছেন। খালি হাতে লড়াই করে চলেছে রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে”।

আরও আসছে…

Continue Reading

রাজ্য

প্রকাশ্যে নবান্ন বনাম রাজভবন শিক্ষা-সংঘাত!

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে রাজ্যের শিক্ষানীতি নিয়ে ফের সংঘাতে জড়াল নবান্ন-রাজভবন!

কলকাতা: কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে রাজ্যের শিক্ষানীতি নিয়ে ফের সংঘাতে জড়াল নবান্ন-রাজভবন!

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে উচ্চ শিক্ষা দফতরের জারি করা নতুন নির্দেশিকা নিয়ে তোপ দাগেন রাজ্যপাল জগদীপ ধানখড় (Jagdeep Dhankhar)। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)।

কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?

এ দিন বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আচার্যকে অসম্মানিত করার ইচ্ছে নেই”।

এর পর রাজ্যপালের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ক্রমশ সুর চড়াতে শুরু করেন। বলেন, “শিক্ষায় রাজনৈতিক আখড়া উনি দেখেননি। উনি প্রাজ্ঞ ব্যক্তি, রাজ্যের পড়ুয়াদের স্বার্থে উনি আমাদের সঙ্গেই লড়াই করুন। এখন মনে হচ্ছে, রাজ্যপাল মায়াকান্না কাঁদছেন। রাজ্যপাল নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন, উনি সত্য বলছেন কি না”।

পার্থবাবু বলেন, “রাজ্যপালের মনে হচ্ছে, ছাদ ভেঙে পড়তে চলেছে। আমাদের ছাদ ফুটো করার ক্ষমতা কারও নেই। দেশের সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে কলকাতা এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষা ছাত্র ভরতি গত ৯ বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতির ছাদকে কখনোই ভেঙে ফেলা যাবে না”।

রাজ্যপাল ছাত্র ভরতি নিয়েও অভিযোগ করেছিলেন। সে প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “উনি কলেজে ভরতিতে তোষণের কথা বলছেন। কোথায় তোষণ হচ্ছে পারলে প্রমাণ দেখান। বাংলার হয়ে কেন্দ্রের কাছে দাবি জানান। পারলে ছাত্রদের জন্য কিছু করে দেখান। কেন্দ্রের নির্দেশিকা পড়ুয়াদের জন্য কষাঘাত। উনি নিজেও রাজি হয়েছিলেন আমাদের অবস্থানে। এখন দেখি উনি কী করবেন”।

সমালোচনা তীব্র করে পার্থবাবু বলেন, “রাজ্যপাল সত্যের অপলাপ করছেন। মনে হচ্ছে, তিনি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কথা বলছেন। ফলে সত্যটাকে তুলে ধরতে হবে। এটা আমাদের কাজ”।

কেন্দ্রের নির্দেশের পর পরীক্ষা পিছনোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমরা রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখেছি। কিন্তু রাজ্যপাল ভাষায় তিনি কথা বলছেন, তাতে মনে হচ্ছে তিনি বিধি ভালো করে পড়ছেন না”।

কী বলেছিলেন রাজ্যপাল?

জানা যায়, উচ্চ শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাজ্যপাল সরাসরি উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনায় যেতে পারবেন না। আচার্যকে আলোচনা করতে হলে উচ্চ শিক্ষা দফতরের মাধ্যমে করতে হবে। এই বিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ধানখড়।

তিনি বলেন, “উচ্চ শিক্ষা দফতর যে বিধি জারি করেছে, তা বিধানসভায় পাশ করা হয়নি। আমার কাছেও পাঠানো হয়নি। আমার স্বাক্ষরও নেওয়া হয়নি। সেই বিধি কার্যকর হল কী ভাবে”?

মূলত উপাচার্যদের নিয়ে ভার্চুয়াল কনফারেন্স করার আগ্রহ প্রকাশ করলেও বুধবার সেই ভার্চুয়াল কনফারেন্সে স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছাড়া আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাও যোগ দেননি। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কড়া ভাষায় রাজ্যকে আক্রমণ করেন।

রাজ্যপাল বলেন, “দেশের কোনও রাজ্যে এমন অবস্থা নয়। এখানে রাজনৈতিক ভাবে শিক্ষাব্যবস্থাকে চালনা করা হচ্ছে। এ রাজ্যের শিক্ষা আশঙ্কাজনক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে”।

ছবি: প্রতিনিধিত্বমূলক

Continue Reading
Advertisement
দেশ2 hours ago

কেরল সোনা পাচারকাণ্ড: সিনিয়র আইএএস অফিসারকে বরখাস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন

দেশ3 hours ago

জেলবন্দি কবি-সমাজকর্মী ভারাভারা রাও করোনা পজিটিভ

রাজ্য3 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক নমুনা পরীক্ষার দিন রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যাতেও রেকর্ড, কমল মৃত্যুহার

বিদেশ4 hours ago

আবুধাবিতে শুরু চিনের করোনা ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ

দেশ5 hours ago

নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশে ফের আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবা চালু করছে কেন্দ্র

বিনোদন5 hours ago

অবশেষে নতুন এপিসোড নিয়ে সাব টিভির পর্দায় ফিরছে ‘তারক মেহকা উলটা চশমা’ও, জেনে নিন কবে থেকে

দেশ6 hours ago

অসমে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ, বিপন্ন কাজিরাঙার বন্যপ্রাণও

রাজ্য6 hours ago

আরও চার হাজার বেড বাড়ছে রাজ্যে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কেনাকাটা

laptop laptop
কেনাকাটা1 day ago

ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ৫টি ল্যাপটপ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিভ ১৯ অতিমারির প্রকোপে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম। অনেকেই অফিস থেকে ল্যাপটপ পেয়েছেন।...

কেনাকাটা4 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা1 week ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা1 week ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

নজরে