Connect with us

রাজ্য

হাইকোর্টে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ বাড়ল হালিশহর পুরসভার অনাস্থা মামলায়

Halishahar

ওয়েবেডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর পুরসভার অনাস্থা মামলায় হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ বাড়ল বৃহস্পতিবার। এ দিন উচ্চ আদালতের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় জানান, বিজেপির আর্জি মেনে আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ বাড়ানো হল।

গত ১৬ জুলাই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসা হয় হালিশহর পুরসভায়। কিন্তু ওই প্রস্তাবে একাধিক ত্রুটি রয়েছে দাবি করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় একাংশের কাউন্সিলাররা। গত শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় অনাস্থা ভোট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন।

এ বিষয়ে পুরসভার শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন বিজেপি কাউন্সিলাররা। তাঁদের দাবি, অনাস্থার নোটিশ মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়। এমনকী বিজেপির অভিযোগ, পুরপ্রধান অংশুমান রায়ের বিরুদ্ধে যাতে আগামী ছ’মাস আর কোনো অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসা না যায়, সে কারণেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে আসেন তৃমমূলই।

যদিও শাসক দলের দাবি, হোয়াটসঅ্যাপে অনাস্থার নোটিশ পাঠানোর অভিযোগ অসত্য। স্পিডপোস্টে পাঠানো হয়েছিল ওই নোটিশ। রাজ্যের এমন দাবির পর বিচারপতি এ দিন জানান, এ বিষয়ে যেন হলফনামা জমা করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ জুলাই হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর অবশ্য ২৩ জুলাই পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছিল ওই অনাস্থা প্রক্রিয়ায়। মামলার মূল অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি ওই দিনের পরেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আগামী বুধবার ওই মামলার শুনানি বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মে বিজেপি দাবি করে, ১৮ জন কাউন্সিলার গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পুরসভার দখল তাদের হাতেই। কিন্তু ফের গত ১০ জুলাই ৯ কাউন্সিলারকে ঘরে ফিরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে, পুরসভা রয়েছে তাদের দখলেই।

উঃ দিনাজপুর

ময়নাতদন্তে বিধায়কের আত্মঘাতী হওয়ারই ইঙ্গিত, জানালেন স্বরাষ্ট্রসচিব

সোমবার রাতে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত হয় ৬৫ বছরের বিধায়কের।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: হেমতাবাদের বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায় (Debendranath Roy) আত্মহত্যাই করেছেন। প্রাথমিক ভাবে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে ময়ানাতদন্ত। মঙ্গলবার এমনই জানিয়েছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় (Alapan Banerjee)।

সোমবার রাতে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত হয় ৬৫ বছরের বিধায়কের। ময়নাতদন্ত করেন সেখানকার ফরেনসিক সায়েন্স বিভাগের চিকিৎসক জয়দীপ খান।

সেই রিপোর্ট উদ্ধৃত করে এ দিন আলাপনবাবু বলেন, ‘‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে রাজ্য পুলিশ মনে করছে ঘটনাটি একটি সম্ভাব্য আত্মহত্যার ঘটনা।’’ 

ফলে বিজেপি (BJP) বা দেবেন্দ্রনাথ বাবুর পরিবারের সদস্যরা যে তাঁর খুন হওয়ার অভিযোগ করেছেন, সেটা খারিজ করে দিল রাজ্য। ময়নাতদন্তের আগেই অবশ্য সোমবার রাজ্য পুলিশ দাবি করেছিল যে দেবেন্দ্রনাথবাবুর পকেট থেকে মিলেছে সুইসাইড নোট যেখানে তিনি দু’জনকে দায়ী করে গিয়েছেন মৃত্যুর জন্য।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিধায়কের শরীরে কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। গলায় ১৫ ইঞ্চি লম্বা এবং আধ ইঞ্চি চওড়া ‘লিগেচার মার্ক’  অর্থাৎ ফাঁসের দাগ পাওয়া গিয়েছে।

আলাপনবাবু এ দিন জানিয়েছেন, সুইসাইড নোট যে দু’ জনের নাম দেবেন্দ্রনাথবাবু লিখে রেখে গিয়েছেন, তারা ধার দেওয়া এবং মিনি ব্যাঙ্কিংয়ের সঙ্গে যুক্ত।

এ দিকে দেবেন্দ্রনাথবাবুর মৃত্যুর প্রতিবাদে ডাকা বন্‌ধে এ দিন মিশ্র সাড়া পড়েছে উত্তরবঙ্গে। কোচবিহারে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছাড়া কোথাও কোনো অশান্তির ঘটনা ঘটেনি।

Continue Reading

রাজ্য

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, প্রশ্ন উঠছে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েও

শুরুর দিকে যে ভাবে আক্রান্তদের চিকিৎসায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল, এখন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় কি তাতে কোনো খামতি দেখা দিচ্ছে?

ওয়েবডেস্ক: জেলা তো বটেই, রাজধানী কলকাতার বড়ো হাসপাতালগুলিতেও রোগীদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের (Coronavirus outbreak) শুরুর দিকে যে ভাবে আক্রান্তদের চিকিৎসায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল, এখন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় কি তাতে কোনো খামতি দেখা দিচ্ছে?

শেষ কয়েক দিনে কোথাও সন্দেহভাজন কোভিড-১৯ (Covid-19) রোগীর ভরতি নিয়ে দীর্ঘ টালবাহানা, পাশাপাশি অন্য রোগে আক্রান্তের পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিষেবা পেতেও ‘হেনস্থা’র অভিযোগ উঠছে।

একটি মৃত্যু এবং ভাইরাল ভিডিও

গত সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিয়োয় দেখা যায়, জয়নগরের ২৬ বছরের যুবক অশোক রুইদাসের বাবা ছেলেকে হারিয়ে হাহাকার করছেন। তাঁর কথায়, “আমার ছেলের করোনা হয়নি, টাইফয়েড হয়েছিল। সব কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে”। মৃতের মামাতো ভাই আনন্দবাজার পত্রিকার কাছে জানান, সপ্তাহখানেক ধরে দক্ষিণ বারাসতের একটি নার্সিংহোম ভরতি ছিলেন অশোক। রক্তপরীক্ষায় তাঁর টাইফয়েড ধরা পড়ে। সোমবার তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে উপসর্গের কথা শুনে তাঁকে শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও জ্বর এবং শ্বাসকষ্টের উপসর্গ শুনে তাঁকে ১০২ অ্যাম্বুলেন্সে করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

মেডিক্যালে দ্রুত ভরতির পরামর্শ দেওয়ার পর কাগজপত্র তৈরি করতে করতেই জরুরি বিভাগের বাইরে স্ট্রেচারে শোওয়ানো অশোকের মৃত্যু হয়।

তবে এসএসকেএম-শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে ঘোরার পর মেডিক্যালে ভরতির আগেই মৃত্যু হলেও প্রশ্ন উঠছে দক্ষিণ বারাসতের ওই নার্সিংহোমের ভূমিকা নিয়েও। প্রায় সপ্তাহখানেক ফেলে রাখার পর কেন রোগীকে কলকাতায় পাঠানো হল?

একই দিনে মেডিক্যাল চত্বরে আরও একটি মৃত্যু

ওই দিনই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে মৃত্যু হয় লক্ষ্মী সাই নামে এক বৃদ্ধার। ঠনঠনিয়ার বাসিন্দা ওই ৬৫ বছরের বৃদ্ধার মেয়ে শুক্লা দাবি করেন, গত কয়েক দিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন মা। সঙ্গে ছিল ক্লান্তিভাব, বমি, গায়ে ব্যথা এবং অল্প শ্বাসকষ্ট।

ওই দিন শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে বৃদ্ধাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করে পরিবার। কিন্তু জ্বর হয়েছে শুনে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে যেতে রাজি হয়নি। শেষমেশ একটি ভ্যানরিকশা জোগাড় করে তাঁকে মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়। দাবি করা হয়, গেট পেরনোর সময়ও তিনি জীবিত ছিলেন। কিন্তু জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

অভিযোগ অন্য রোগেও

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজকে কোভিড-১৯ হাসপাতাল ঘোষণা করা হলেও সম্প্রতি রাজ্য সরকার জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি মেনে নিয়ে অন্য রোগের চিকিৎসারও অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু সেখানেও নন-কোভিড রোগীরা পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠছে।

এশিয়ানেট নিউজ বাংলায় প্রকাশিত একটি খবর থেকে জানা যায়, সম্প্রতি অ্যাবডোমিনাল ডিস্টেনশন (পেট ফাঁপা) সমস্যায় আক্রান্ত মালদহের কালিয়াচকের বাসিন্দা শ্যামাদেবীকে নিয়ে কখনও অটোয়, কখনও বা ভ্যানে শহরের এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে ছুটে বেড়িয়েছেন তাঁর দিদি। হাতে টাকা শেষ, এখন আশ্রয় নিয়েছেন মেডিক্যাল কলেজের চত্ত্বরেই। দিদির দাবি, “কোথাও ভরতি নিচ্ছে না। এই হাসপাতাল বলছে, করোনা না হলে ভরতি নেব না। কোথায় যাব”?

এমনটাও অভিযোগ, এ রকমই শ’য়ে শ’য়ে রোগী প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বহির্বিভাগ খোলা হলেও করোনা নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ না হলে ভরতি নেওয়া হচ্ছে না।

সমন্বয়ের খামতি?

আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছর বাইশের মনীষা দাস সন্তানসম্ভবা অবস্থায় মেটিয়াবুরুজের একটি হাসপাতালে ভরতি হন। দিন তিনেক আগে সন্তানপ্রসবের পর তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাঁকে সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্ত হিসেবে পাঠানো হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। কিন্তু জরুরি বিভাগে যাওয়ার পর রোগিণীকে ভরতি করা নিয়ে টালবাহানা শুরু হয়।

পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছোয় যে, জরুরি বিভাগের পাশে স্ট্রেচারে শোওয়ানো অবস্থায় তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। নাকে নল গোঁজা অবস্থায় ঘণ্টা দুয়েক এ ভাবে পড়ে থাকার পর স্বাস্থ্য ভবনের হস্তক্ষেপের পর তাঁকে ভরতি নেওয়া হয়।

কতকটা একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে হয় হাওড়ার নলপুরের বাসিন্দা ৩৬ বছরের এক যুবককেও। হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে তিনি এনআরএস হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। সেখানে অস্ত্রোপচারের আগে নমুনা পরীক্ষায় তিনি কোভিড-১৯ পজিটিভ হন।

জানা যায়, এর পরই এনআরএস কর্তৃপক্ষ মেডিক্যাল কলেজে তাঁর জন্য বেড নিশ্চিত করার পর সেখানে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু মেডিক্যালে আসার পর অ্যাম্বুলেন্সের চালককে জানানো হয়, স্বাস্থ্য দফতরের ফোন না পেলে রোগীকে ভরতি করা যাবে। এ ভাবেই ঘণ্টাখানেক কেটে যাওয়ার পর দুই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আলোচনার পর তাঁকে ভরতি নেওয়া হয়।

জানা যায়, দিন তিনেক আগেও চারটে হাসপাতাল ঘুরে ভরতি হতে না পারায় ইছাপুরের ১৮ বছরের এক তরুণের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবার আত্মহত্যার হুমকি দেওয়ার পর মেডিক্যাল কলেজে ভরতি নেওয়া হলেও শেষমেশ মারা যায় ওই তরুণ।

মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

মেটিয়াবুরুজের মনীষা দাসের হয়রানির প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ তথা সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাস আনন্দবাজারের কাছে বলেন, “করোনা রোগী ছাড়া করোনা সন্দেহভাজন যে সমস্ত রোগী মৃতপ্রায়, তাঁদেরই এখানে ভর্তির নির্দেশ রয়েছে। ওই প্রসূতির এখানে ভর্তি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু মানবিকতার খাতিরে তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়েছে”।

এখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তা হলে অন্য হাসপাতাল থেকে কেন মেডিক্যালে পাঠানো হচ্ছে করোনা সন্দেহভাজনদের? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সব রোগীকে ভর্তি নিলে কোভিড পজিটিভ রোগীদেরই শয্যা দেওয়া মুশকিল হয়ে যাবে। সবাই সব কিছু জানেন”। একই প্রসঙ্গে এসএসকেএম হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ রঘুনাথ মিশ্র বলেন, “জ্বর, শ্বাসকষ্ট হলে আমাদের সে সব রোগীকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেই পাঠানোর কথা”।

অব্যবস্থার অভিযোগ জেলাতেও

ক্যানিং কোভিড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ তুলছে চিকিৎসাধীন রোগীদের একাংশ। করোনা প্রাদুর্ভাবের প্রথম দিকেই ৫১ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতাল তৈরি হয়েছে ক্যানিং স্টেডিয়ামে। কিন্তু হাসপাতালের অব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ উঠছে।

চিকিৎসাধীন রোগীদের একাংশের অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত স্নানের জল নেই। এমনকী পানীয় জলও পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজন মতো। চিকিৎসক অথবা নার্সরা ঠিক মতো চিকিৎসাও করছেন না। কয়েক জন অভিযোগ করেছেন, জানলা দিয়ে ওষুধ ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে। সময় মতো মিলছে না খাবার। করোনা রোগীদের বারবার গরম জল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও, সেটাও পাওয়া যাচ্ছে না।

সম্প্রতি এই হাসপাতালের ‘অব্যবস্থা’ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন রোগীরা। সেই ভিডিয়োয় একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, যে অভিযোগগুলি তোলা হয়েছে, সেগুলি সঠিক নয়। রোগীদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। পাম্প খারাপ থাকায় কয়েক দিন জল নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। তবে সেই সমস্যা এখন আর নেই!

ছবি: বিজনেস টুডে থেকে

এসএফআই-এর স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে ধন্ধুমার

তরুণ শুভ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে এসএফআই সল্টলেকের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল । সামজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে অভিযোগ পুলিশের। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দিতে শুরু করে পুলিশ। শুরু হয় বচসা। বিভোক্ষকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলে।

Posted by Khaboronline on Tuesday, July 14, 2020
Continue Reading

রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে বাড়ল কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা

তবে এর মধ্যে কলকাতা আর দুই ২৪ পরগণার ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তির খবর রয়েছে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যার বাড়বাড়ন্ত কিছুটা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথম দিকে রোগীবৃদ্ধির সংখ্যাটি পাঁচশো-ছ’শোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, এখন তা পনেরোশোর কাছাকাছি বেড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে যে কনটেনমেন্ট জোনের (Containment Zone) সংখ্যা বাড়তই তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ঠিক সেটাই হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ৫১৫।

গত বৃহস্পতিবার কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা যখন প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল দেখা গিয়েছিল, সংখ্যাটা ৪৩৪। সেটাই এখন বেড়ে হয়েছে ৫১৫।

তবে এর মধ্যে কলকাতা আর দুই ২৪ পরগণার ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তির খবর রয়েছে। দুই ২৪ পরগণায় কনটেনমেন্ট জোন বাড়েনি। তালিকায় যে এলাকাগুলিকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, এখনও সেটাই আছে।

অন্য দিকে কলকাতায় প্রথমে ২৫টা কনটেনমেন্ট জোন থাকলেও, শুক্রবার সেটা বেড়ে ২৮ হয়। সোমবার পর্যন্ত তা আর বাড়েনি। অর্থাৎ ধরে নেওয়া যায়, এখনও পর্যন্ত কলকাতা, উত্তর আর দক্ষিণ ২৪ পরগণায় করোনা-আক্রান্তেরা কনটেনমেন্ট জোনে সীমাবদ্ধ রয়েছেন।

তবে আচমকা কনটেনমেন্ট জোন বেড়েছে হাওড়ায়। গত বৃহস্পতিবার হাওড়ার ৫৪টি এলাকাকে কনটেনমেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এখন সেটা বেড়ে ৮৪ হয়েছে।

গত কয়েক দিন ধরে হাওড়ায় গড়ে দেড়শো জন করে দৈনিক আক্রান্ত হচ্ছেন, যা কলকাতার থেকে অনেক কম। কিন্তু কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ায়, সেখানে ভাইরাসটি অনেক বেশি করে ছড়িয়ে পড়ছে কি না, সেই চিন্তা শুরু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব বর্ধমানে ৪৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে সে জেলাতেও কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে সেখানে কনটেনমেন্ট জোন ৫২, যার প্রায় অধিকাংশই কাটোয়া ব্লকে। কালনা ব্লকেও কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে। তুলনায় বর্ধমান পুরসভায় কনটেনমেন্ট জোন অনেক কম।

বৃহস্পতিবারের তালিকায় দেখা গিয়েছিল রাজ্যের তিন জেলায় কনটেনমেন্ট জোন নেই। এর মধ্যে পশ্চিম বর্ধমান আর ঝাড়গ্রামে এখনও কনটেনমেন্ট জোন না থাকলেও, কোচবিহারে তিনটে এলাকাকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অন্য দিকে শিলিগুড়িতে কনটেনমেন্ট জোনের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। গত কয়েক দিনে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় শহরের কয়েকটি বাজারও এখন কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

Continue Reading
Advertisement
দেশ1 hour ago

সুপ্রিম কোর্ট কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচ বেঁধে দিতে পারে না: প্রধান বিচারপতি

দেশ2 hours ago

ফুঁসছে কোশী, বিহারে হুড়মুড়িয়ে নদীগর্ভে তলিয়ে গেল স্কুল বাড়ি

উঃ দিনাজপুর2 hours ago

ময়নাতদন্তে বিধায়কের আত্মঘাতী হওয়ারই ইঙ্গিত, জানালেন স্বরাষ্ট্রসচিব

রাজ্য2 hours ago

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, প্রশ্ন উঠছে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েও

দেশ3 hours ago

করোনায় স্বস্তির খবর, ১.১৩ থেকে আর নম্বর কমে এখন ১.১১

শিক্ষা ও কেরিয়ার4 hours ago

কাল মাধ্যমিক ও সিবিএসই দশম শ্রেণির ফলপ্রকাশ

বাংলাদেশ5 hours ago

উভয় দেশে পণ্যবাহী ট্রেন চালুর সিদ্ধান্তের পর প্রথম ভারতীয় ট্রেন বাংলাদেশে

দেশ6 hours ago

মন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি পদ থেকে অপসারিত সচিন পায়লট

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা5 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা1 week ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে