দাড়িভিট হাইস্কুল

ইসলামপুর: দাড়িভিট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করল শিক্ষা দফতর। শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই নির্দেশ দিয়েছেন। দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলবে। পুজোর ছুটির পর ১০ তারিখে স্কুল খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে পার্থবাবু বলেন, বৃহস্পতিবার স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে ডেকে পাঠানো হয়। তাঁদের বক্তব্য শোনা হয়। কিন্তু তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষা দফতরের সচিব, সহ কমিশনার, কেউই সন্তুষ্ট হতে অয়ারেননি। তাঁদের বক্তব্যে অসঙ্গতি ছিল। যত দিন তদন্ত চলবে, তত দিন সাসপেনশন বহাল থাকবে। দোষী প্রমাণিত হলে এই দু’জনের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি দ্রুত স্কুল খোলারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এই দু’জনকে সাসপেন্ড করার পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় পরিচালন সমিতিও ভেঙে দিয়েছে সরকার। হাইস্কুলের প্রশাসক পদে বসানো হয়েছে মহকুমাশাসককে।

উল্লেখ্য, ২০ সেপ্টেম্বর সংস্কৃত ও উর্দু শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের দাড়িভিট হাইস্কুল। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দুই ছাত্রের। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গুলি চালিয়েছিল পুলিশই। সেই ঘটনার পর এক মাস পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এখনও পঠনপাঠন বন্ধ দাড়িভিট হাইস্কুলে। সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় নিহতদের পরিজনেরা। যত বারই স্কুল খোলার চেষ্টা করেছে প্রশাসন, তত বারই বাধা দিয়েছেন ক্ষুদ্ধ অভিভাবকরা।

স্কুলটিতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পঠনপাঠন বন্ধ থাকায় চিন্তিত শিক্ষা দফতর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পুজো মিটলেই ১০ তারিখ স্কুল খুলে দেওয়া হবে। স্কুল খোলার ব্যাপারে সহযোগিতা করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী অভিভাবকদের অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, এত দিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় পড়ুয়াদের ক্ষতি হয়েছে। সামনে পরীক্ষাও আছে। স্কুলের পঠনপাঠন বন্ধ করে নয়, আলোচনা করেই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here