Connect with us

রাজ্য

উত্তরপূর্বে বর্ষা ছোঁয়ার দিনই রাজ্যের ছয় জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা!

Published

on

summer temperature in kolkata

ওয়েবডেস্ক: এক দিকে খুশির খবর, অন্য দিকে বিপদে খবর। খুশির খবর যদি হয় বর্ষার উত্তরপূর্ব ভারতকে ছুঁয়ে ফেলা, তা হলে বিপদের খবর হল আগামী তিন-চার দিন রাজ্যে ছয় জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হওয়া।

বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবারই খবর অনলাইন জানিয়েছিল, সোমবার থেকে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে। এ বার কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরও জানিয়ে দিল, আগামী তিন চার দিন তাপপ্রবাহ থাকবে রাজ্যের ছয় জেলায়।

এই ছয় জেলা হল বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং ঝাড়গ্রাম। সাধারণত কোনো জায়গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি বা তারও বেশি হয় এবং সেই পারদ যদি ৪০-এর বেশি হয়, তা হলে সেই পরিস্থিতিকে তাপপ্রবাহ বলে। অর্থাৎ, আগামী কয়েক দিন উল্লিখিত এই ছটি জেলায় পারদ ৪০-এর অনেক ওপরেই ঘোরাফেরা করবে।

সোমবার থেকেই অবশ্য তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি জানান দিতে শুরু করেছে। এ দিন রাজ্যের উষ্ণতম স্থান ছিল বাঁকুড়া। সেখানে পারদ রেকর্ড করা হয়েছে ৪১.৯। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে পুরুলিয়া (৪১.৩) এবং পানাগড় (৪০.২)। এ ছাড়াও পারদ ৪০ ছাড়িয়েছে মেদিনীপুরে। এর বাইরে আর কোনো জায়গায় পারদ ৪০ না উঠলেও, মঙ্গলবার ৪০ ছাড়াতে পারে আসানসোল, দুর্গাপুর, বর্ধমান, বোলপুর-সহ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় সব জায়গাতেই।

আরও পড়ুন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার পাকিস্তানের অতিপরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব

কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জন্য কিছুটা খুশির খবর, এখানে তাপপ্রবাহের কোনো আশঙ্কা নেই। তবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ক্রমশ বাড়বে। এ দিন কলকাতার পারদ ছিল ৩৬.৬ ডিগ্রি। যদিও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রোজই রয়েছে, তাতে স্বস্তি বিশেষ ফেরার নয়।

আপাতত বর্ষারও এগিয়ে আসার বিশেষ সম্ভাবনা নেই। সোমবারই মিজোরাম দিয়ে বর্ষা উত্তরপূর্ব ভারতে ঢুকেছে। কিন্তু এর পর আগামী কয়েক দিন এই প্রান্তে বর্ষা আটকে যাওয়ারই আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার কারণ, আরব সাগরে তৈরি হতে চলা ঘূর্ণিঝড় বায়ু। সেই ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ভারত থেকে যাবতীয় জলীয় বাষ্প টেনে নেবে, ফলে এ দিকে গরম ক্রমশ বাড়বে।

আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝিও বর্ষা বঙ্গে হাজির হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তখন আবার বৃষ্টি বাড়বে রাজ্য জুড়ে।

দেশ

ওনামেই বিপদ বাড়ল কেরলের, পুজোর আগে শিক্ষা নিতে হবে পশ্চিমবঙ্গকে

বন্ধুদের সঙ্গে পুজোর আড্ডা হোক এ বারও। কিন্তু সেটা ম্যাডক্স স্কোয়ারের ঘাসে বসে নয়, জুম বা গুগল মিটে।

Published

on

Coronavirus durga puja

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আক্ষেপ যাচ্ছে না কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজার (KK Shailaja)। যে রাজ্যটা কোভিডের (Covid 19) সংক্রমণ তুলনামূলক ভাবে কম রেখে গোটা দেশের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল, সেই কেরলেই (Kerala) এখন লাগামছাড়া ভাবে বাড়ছে সংক্রমণ। কিন্তু আক্ষেপটা কার জন্য?

শৈলজা বলেন, ওনামের সময়ে মানুষ যাবতীয় সতর্কতা, নিষেধাজ্ঞাকে জলাঞ্জলি দিয়ে উৎসবে মেতে উঠেছিলেন। মাস্কের কোনো তোয়াক্কা না করেই বেরিয়ে পড়েছিলেন রাস্তায়। রেস্তোরাঁয় দেদার খাওয়াদাওয়া করেছেন। আর তাতেই বেড়েছে করোনার সংক্রমণ।

গত কয়েক দিন ধরেই কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। এখন দৈনিক প্রায় সাড়ে সাত হাজার করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। চিন্তার ব্যাপার হল, রাজ্যে দৈনিক টেস্ট হচ্ছে ৫৫ হাজার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের হার এখন কেরলে প্রায় সাড়ে ১৩ শতাংশ।

কেরলে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ২৭৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭,৩৫৪ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৮৪ জন। সংক্রমণের নিরিখে এই মুহূর্তে কেরল দেশের মধ্যে দশম স্থানে রয়েছেন। আর সক্রিয় রোগীর (৬১,৭৯১) নিরিখে তাদের অবস্থান তিন নম্বরে।

সুস্থতার হার ৬৬ শতাংশের কিছু বেশি। সুস্থতার হারের দিক থেকে বেশ নীচের দিকেই অবস্থান করছে কেরল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কেরলে একজন রোগীর কোভিড রিপোর্ট যখন নেগেটিভ আসছে, তখনই সেটাকে সুস্থতার তকমা দেওয়া হয় রাজ্যে।

কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পজিটিভ হওয়ার ৩-৪ দিনের মধ্যে রোগী যদি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান, তা হলে নেগেটিভ টেস্টের জন্য অপেক্ষা না করেই তাঁকে ‘সুস্থ’ বলা যাবে। কেরল অন্য গাইডলাইন মানে বলে এই রাজ্যে সুস্থতা অনেকটাই কম।

কেরল এখনও মৃত্যুর নিরিখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেই চলেছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭২০ জনের। ফলে রাজ্যে মৃত্যুহার ০.৩৮ শতাংশ। মৃত্যুহারের নিরিখে কেরলে অবস্থান ২৯তম স্থানে।

কেরলে মৃত্যুহার এত কম হওয়ার পেছনে তাদের উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে বাহবা দিতেই হয়। কোভিডে আক্রান্ত একাধিক শতায়ু ব্যক্তিও সুস্থ হয়েছেন কেরলে। কিন্তু গত কয়েক দিনে সংক্রমণ যে ভাবে ছড়িয়েছে সেটা রাজ্যের মানুষের অসতর্কতার জন্যই হয়েছে বলে জানাচ্ছে প্রশাসন।

ঠিক এখানেই সতর্ক থাকতে হবে পশ্চিমবঙ্গকে। পুজোর সময়ে যদি সব ধরনের সতর্ক, বিধিনিষেধকে মানুষ জলাঞ্জলি দেন, তা হলে এ রাজ্যেও সংক্রমণের মাত্রাছাড়া বৃদ্ধি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আর তাই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে যে “দুর্গাপুজোয় আনন্দ করুন মাস্ক পরে।” নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ভি কে পল বলেন, ‘‘দুর্গাপুজো থেকে দশেরা কিংবা দীপাবলি মাস্ক পরেই পালন করুন। বেশি ভিড় এলাকায় যাওয়া মানে নিজের বিপদ ডেকে আনা। পরিবর্তে ছোটো ছোটো দলে ঘুরে বেড়ান।’’

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আশঙ্কা, মানুষ যদি সব ধরনের সতর্কতা ছেড়ে দেন তা হলে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ভারতে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে।

সাধারণ মানুষের কাছে খবরঅনলাইনের আবেদন, পুজোয় আনন্দ করুন। তবে আগের বছরগুলির মতো এ বার, বাড়ি থেকে একাধিক বার বেরোবেন না। পরের বছর ফের ভিড়ভাট্টায় পুজো দেখবেন, এ বার সেটা এড়িয়ে চলুন। বয়স্কদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করুন। সেই গাড়িতেই শহর ঘুরিয়ে আনতে পারেন। গাড়িতে বসেই কয়েকটা ঠাকুর দেখে বাড়ি ফিরে আসুন।

বন্ধুদের সঙ্গে পুজোর আড্ডা হোক এ বারও। কিন্তু সেটা ম্যাডক্স স্কোয়ারের ঘাসে বসে নয়, জুম বা গুগল মিটে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও সুস্থ হলেন আরও বেশি মানুষ, সক্রিয় রোগী আরও কমল ভারতে

Continue Reading

রাজ্য

নয়া কৃষি আইন রুখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি কংগ্রেসের

Published

on

mamata banerjee and sonia gandhi
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সনিয়া গান্ধী। ফাইল ছবি

কলকাতা: কৃষিক্ষেত্রের সংস্কার সংক্রান্ত নয়া তিনটি আইন রুখতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। নতুন তিনটি আইন যাতে রাজ্য সরকার পশ্চিমবঙ্গে লাগু না করে, সেই আর্জি জানিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা।

অভূতপূর্ব নাটকীয়তার মধ্যে দিয়েই সংসদের বাদল অধিবেশনে পাশ হয়েছে বিল তিনটি। গত রবিবার সেগুলি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সম্মতি পাওয়ার পর আইনে পরিণত হয়েছে। কিন্তু নয়া আইনে কৃষক স্বার্থে ঘা পড়তে পারে অভিযোগ তুলে দেশজোড়া প্রতিবাদ চলছে এখনও।

বিলগুলিতে রাষ্ট্রপতির সম্মতি মেলার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই মহারাষ্ট্রের জোট সরকারের অন্যতম শরিক কংগ্রেস জানিয়ে দেয়, সে রাজ্যে নতুন তিনটি আইন কার্যকর করা হবে না। জোট সরকারের রাজস্বমন্ত্রী বালাসাহেব থোরাট বলেন, “মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার বিলগুলি কার্যকর করবে না”।

অন্য দিকে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী দেশের কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের নির্দেশ দেন, নতুন আইন যাতে ওই রাজ্যগুলিতে লাগু না করা হয়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে। সংবিধানের ২৫৪(২) ধারা অনুযায়ী, কেন্দ্রের আইন রাজ্যে বলবৎ না করার বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া যায়। ওই ধারার অধীনে, কেন্দ্রের কোনো আইন রুখতে রাজ্যগুলি পাল্টা আইন পাশ করিয়ে নিতে পারে বিধানসভায়।

নয়া তিন কৃষি আইন

সংসদের বাদল অধিবেশনে ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সংশোধনী’, ‘কৃষি পণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন’ এবং ‘কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত করতে কৃষকদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন চুক্তি’ সংক্রান্ত তিনটি বিল পেশ করেছিল কেন্দ্র। সংসদের বাইরে-ভিতরে বিক্ষোভের মাঝেই সেই বিলগুলি পাশ হয়ে যায়।

বিলগুলি নিয়ে দেশের একাধিক রাজ্যের কৃষকেরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই বিলকে হাতিয়ার করেই ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছেঁটে ফেলা হবে। তবে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর তরফে সেই অভিযোগ নস্যাৎ করা হয়েছে।

রাজ্যের শাসকদলের অবস্থান

সংসদে কৃষি বিলগুলি রুখতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল তৃণমূল। রাজ্যসভায় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তৃণমূল সাংসদদের সাসপেন্ড পর্যন্ত হতে হয়। কৃষি বিলের প্রতিবাদে শিরোমণি অকালি দল বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ করলে তাদের সমর্থন জানায় পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল।

কৃষি বিলের প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে তৃণমূল। গত মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ-অবস্থান করে মহিলা তৃণমূল কর্মীরা। পাশাপাশি দলের তরফে গোটা রাজ্য জুড়েই একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিয়ে নয়া কৃষি আইনের তীব্র সমালোচনা করেন মমতা। তিনি বলেন, “এই কৃষি আইনের জেরে শেষ হয়ে যাবে কৃষকদের জীবন। কৃষকরা যে ফসল উৎপাদন করবেন, তা তাঁরা নিজেরাই খেতে পারবেন না। এ সব বিষয়ে কৃষকদের ভালো করে বোঝাতে হবে”।

কংগ্রেসের পদক্ষেপ

গত সোমবার কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির উদ্দেশে নয়া কৃষি আইনের প্রতিবাদকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দেন সনিয়া গান্ধী।

কৃষি আইন নাকচ করতে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিকে আইন প্রণয়নের চিন্তা-ভাবনা করতে আহ্বান জানান তিনি। সে ক্ষেত্রে সংবিধানের ২৫৪(২) ধারার আওতায় কৃষি আইন রুখতে রাজ্যগুলিকে আইন পাশের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

Continue Reading

রাজ্য

পুজোর আগে খুলছে না স্কুল, ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

করোনা আবহে আংশিক ভাবে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেও মঙ্গলবার তা প্রত্যাহার করে নিল তামিলনাড়ু।

Published

on

partha chatterjee
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি দিলেও আপাতত রাজ্যে স্কুলের দরজা খুলছে না বলে জোরালো ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, পুজোর আগে খুলছে না স্কুল। অন্য দিকে একাদশে ভরতির সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনও করা যাবে ওই দিন পর্যন্ত। উল্লেখ্য, শেষ নির্দেশিকায় ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছিল রাজ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রস্তুতি ছাড়াই স্কুল খুলে দিয়ে পড়ুয়াদের বিপদে ফেলার মতো হঠকারি সিদ্ধান্ত নিতে চায় না রাজ্য সরকার। তাঁর কথায়, “পরিকল্পনা ছাড়া শিশুদের স্কুলে এনে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে না সরকার। তা ছাড়া স্কুল খুললেও কয়েক দিনের মধ্যেই পুজোর ছুটি পড়ে যাবে”।

এর আগে তিনি বলেছিলেন, তাঁরা ছেলেমেয়েদের স্বাস্থ্য নিয়েই বেশি উদ্বিগ্ন। তবে পড়ুয়াদের কাছে কী করে পৌঁছনো যায়, কী ভাবে চালু রাখা যায় পড়াশোনা, সেগুলি দেখা দরকার। এবং তাঁরা সেটা দেখছেনও।

তবে সম্প্রতি একটি সূত্রের খবর, আগামী নভেম্বর মাসে ফের স্কুল খোলার উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সরকারি ভাবে এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা এখনও পর্যন্ত করা হয়নি। অন্য দিকে একটি অনলাইন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কলকাতার সিংহভাগ অভিভাবক চাইছেন না এখনই স্কুল খুলুক।

স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার তামিলনাড়ুর!

করোনা আবহে আংশিক ভাবে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেও মঙ্গলবার তা প্রত্যাহার করে নিল তামিলনাড়ু।

গত সপ্তাহে তামিলনাড়ু সরকার জানিয়েছিল, আগামী ১ অক্টোবর থেকে দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য স্বেচ্ছা-উপস্থিতির ভিত্তিতে আংশিক ভাবে রাজ্যের স্কুলগুলি খুলে দেওয়া হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অভিভাবকদের সম্মতির নিয়ে পড়ুয়াদের জন্য স্কুলের দরজা খুলে দেওয়া হবে।

যদিও মঙ্গলবার তামিলনাড়ু সরকার কোভিড-১৯ লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করার ঘোষণা করে। স্থগিত হয়ে যায় স্কুল খোলার পরিকল্পনা।

ত্রিপুরায় আংশিক ভাবে খুলছে স্কুল

শুক্রবার ত্রিপুরা সরকার ঘোষণা করে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে একাদশ এবং দ্বাদশশ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য ফের স্কুল চালু করা হবে।

এ ব্যাপারে ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, অভিভাবকের কাছে লিখিত সম্মতি নিয়ে পড়ুয়ারা স্কুলে যেতে পারে।

তিনি বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রক ২১ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুলগুলি পুনরায় চালু করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি)-সহ বিশদ একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল। সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ১০টি রাজ্য ইতিমধ্যে পুনরায় স্কুল চালু করেছে। আমরাও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আবার স্কুল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি”।

Continue Reading
Advertisement
Uncategorized10 hours ago

সরষের তেল থেকে এলপিজি হয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স, কাল থেকে যে ১০টি নিয়ম বদলে যাচ্ছে

Coronavirus durga puja
দেশ10 hours ago

ওনামেই বিপদ বাড়ল কেরলের, পুজোর আগে শিক্ষা নিতে হবে পশ্চিমবঙ্গকে

Uttar Pradesh Police
দেশ11 hours ago

আটকে রাখা হল পরিবারকে, ঘেঁষতে দেওয়া হল না সংবাদমাধ্যমকে, হাতরাসের তরুণীর শেষকৃত্য করল পুলিশ

corona
দেশ11 hours ago

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও সুস্থ হলেন আরও বেশি মানুষ, সক্রিয় রোগী আরও কমল ভারতে

দেশ11 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৮০৪৭২, সুস্থ ৮৬৪২৮

mamata banerjee and sonia gandhi
রাজ্য11 hours ago

নয়া কৃষি আইন রুখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি কংগ্রেসের

suresh raina
ক্রিকেট12 hours ago

সংঘাত চরমে, ওয়েবসাইট থেকে সুরেশ রায়নার নাম মুছে দিল চেন্নাই সুপারকিংস

Rapes in India
দেশ12 hours ago

দৈনিক ৮৭টি ধর্ষণের ঘটনা ভারতে, চাঞ্চল্যকর তথ্য এনসিআরবির

দেশ11 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৮০৪৭২, সুস্থ ৮৬৪২৮

north bengal rain
রাজ্য2 days ago

অতিবৃষ্টির হাত থেকে অবশেষে রেহাই পেল উত্তরবঙ্গ, আপাতত স্বস্তি

covid peak india
দেশ1 day ago

১৮ সেপ্টেম্বরের পর থেকে সক্রিয় রোগীর গ্রাফ নিম্নমুখী, কোভিডের চূড়া কি অবশেষে পেরোল ভারত?

ganges cruise
কলকাতা2 days ago

মাত্র ৩৯ টাকায় গঙ্গাবক্ষে উপভোগ করুন ‘হেরিটেজ ক্রুজ’

coronavirus
দেশ1 day ago

দেশে নতুন কোভিড-আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৮ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন, ব্যাপক পতন মৃত্যুর সংখ্যাতেও

Ration Card and Aadhaar Number
প্রযুক্তি2 days ago

অনলাইনে সত্যিই কি রেশন কার্ডে আধার লিঙ্ক করা যায়?

low pressure west bengal rain
রাজ্য2 days ago

অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসতে পারে নিম্নচাপ, তত দিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিই ভরসা দক্ষিণবঙ্গের

দেশ2 days ago

হাসিনার জন্মদিনে ভারতের শুভেচ্ছা, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান স্মরণ হাসিনার

কেনাকাটা

কেনাকাটা19 hours ago

পুজো কালেকশনের ৮টি ব্যাগ, দাম ২১৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : এই বছরের পুজো মানে শুধুই পুজো নয়। এ হল নিউ নর্মাল পুজো। অর্থাৎ খালি আনন্দ করলে...

কেনাকাটা2 days ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা5 days ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা6 days ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা1 week ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা2 weeks ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা2 weeks ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা3 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা3 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা3 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

নজরে