যাদবপুরকাণ্ডে উচ্চশিক্ষা দফতরের পদক্ষেপ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব

ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র হেনস্থার ঘটনায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রীতিমতো শিক্ষামন্ত্রীর প্রশ্নের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বাবুল সুপ্রিয়র অনুষ্ঠানের অনুমতি কেন-ই বা দেওয়া হল, তেমন প্রশ্নও তুললেন শিক্ষামন্ত্রী। কেন আগু-পিছু সমস্ত কিছু ভাবা হয়নি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে? ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উচ্চ শিক্ষা দফতরের তরফে রিপোর্ট তলব কর হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে।

গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কথা হয়। তার আগে পুরো বিষয়‌ ও ঘটনা জানতে দফায় দফায় শিক্ষামন্ত্রীকে দিল্লি থেকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, সন্ধ্যের সময় উপাচার্য সুরঞ্জন দাস বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না শিক্ষামন্ত্রী। পরে গভীর রাতে ফোন করে পুরো ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

পার্থবাবু জানিয়েছেন, পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর মনোভাব নেওয়া উচিত ছিল।
কে পি বসু মেমোরিয়াল হলে কোনো অনুষ্ঠান করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডিপার্টমেন্টের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। এবিভিপি যখন অনুমতি নেয়, তখন বাবুল সুপ্রিয় আসবে তারা জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও রাজ্যপাল একই প্রশ্ন তুলেছেন উপাচার্যের ভূমিকা নিয়ে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই দিন বিকেল ৪.১৫টা নাগাদ উপাচার্যকে ফোন করেন আচার্য । ফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। যদিও উপাচার্যের ব্যাখ্যা, তিনি বিষয়টি জানতেন না। তবুও রাজ্যপাল সরাসরি উপাচার্যকে পুরো বিষয়টির দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করার কথা বলেন।

[ আরও পড়ুন: কারা তাঁকে মেরেছিল? চিনিয়ে দিলেন বাবুল সুপ্রিয়! ]

এমন নির্দেশে অসন্তুষ্ট সুরঞ্জনবাবু। রাজ্যপালের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ তিনি। আচার্য একজন উপাচার্যের উদ্দেশে কী ভাবে এই ধরনের মন্তব্য করতে পারেন, তা নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ উপাচার্যের।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.