বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা বেচারাম মান্নার

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুরে বিধানসভায় গিয়ে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দিলেন হরিপালের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বেচারাম মান্না।

এমনিতে সিঙ্গুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সঙ্গে বেচারামের অন্তর্দলীয় কোন্দল দীর্ঘদিনের। ঘটনায় প্রকাশ, সম্প্রতি দলের ব্লক সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘাত চরমে ওঠে। দলের একাংশের প্রতি কয়েক দিন আগেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এ বার বেচারাম সরাসরি বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দিলেন।

স্থানীয় তৃণমূল সূত্রে খবর, কয়েক দিন আগে হুগলি জেলার বিভিন্ন ব্লকের সভাপতি এবং জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে দেখা যায়, সিঙ্গুরের ব্লক সভাপতি মহাদেব দাসকে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে গোবিন্দ ধাড়াকে। এই ঘটনা ঘিরেই দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে।

এমনটাও জানা যায়, মহাদেব ‘মাস্টারমশাই’ রবীন্দ্রনাথের অনুগামী। অন্যদিকে গোবিন্দ পরিচিত বেচারামের লোক হিসেবে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় দলীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দিতে শোনা যায় রবীন্দ্রনাথকে। তিনি জানিয়ে দেন এই অপমান মেনে নেবেন না। সভাপতি বদল না হলে অন্য দলে চলে যাওয়ার কথাও ভাবতে পারেন।

একটি সূত্রের দাবি, এই দ্বন্দ্বের আবহে গত বুধবার রাতে বেচারামকে ফোন করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়ককে না কি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ধমকও খেতে হয়। তার পর থেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সিঙ্গুর আন্দোলনের অন্যতম নেতা। এ দিন বিধানসভায় ইস্তফা দিলেও তিনি তৃণমূলেই রয়েছেন এখনও।

কী কারণে বিধায়কপদে ইস্তফা?

বেচারামের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, তাঁকে বলা হয় আসন্ন ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হরিপাল থেকে টিকিট দেওয়া হবে না। নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, সেখানে সমীরণ মিত্রকে প্রার্থী করা হবে। এই ‘আঘাত’ সহ্য করতে না পেরেই আগাম ইস্তফা দিয়ে ফেললেন বেচারাম!

আরও পড়তে পারেন: আলিপুরদুয়ারে দিলীপ ঘোষের কনভয়ে ‘হামলা’, প্রতিবাদে কলকাতায় মিছিল

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন