cpm member's house damaged

নিজস্ব সংবাদদাতা বাঁকুড়া: পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর জেলায় জেলায় ফের হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে। বাদ যাচ্ছে না বাঁকুড়াও। মনোনয়নপর্বেও প্রাণ গিয়েছে এই জেলায়। ৪ এপ্রিল রানিবাঁধে হামলায় মারা যান এক বিজেপি কর্মী। বাঁকুড়া জেলার তিনটি মহকুমা বাঁকুড়া সদর, খাতড়া ও বিষ্ণুপুর। বিষ্ণুপুর মহাকুমায় ইতিমধ্যেই বিরোধীশূন্য করে জয়লাভ করেছে শাসক দল। নানা জায়গায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ চলছেই। তারই মধ্যে শনিবার ফের হামলার ঘটনা ঘটল। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অমিয় পাত্রের তালডাংরার বাড়িতে ভাঙচুর চালাল ৫০-৬০ জন দুষ্কৃতী। অমিয়বাবু এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

damaged parts of the houseঅমিয় পাত্রের অভিযোগ, শনিবার সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ জনা পঞ্চাশ-ষাট সশস্ত্র তৃণমূল কর্মী তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। তখন তিনি বাড়ি থেকে বেরোনোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন। ক্রমাগত তাঁর বাড়িতে ঢিল পড়তে থাকে। কোনো কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই বাড়িতে ভাঙচুর করে দুষ্কৃতী। নীচের তলার সমস্ত আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি বাড়ির সব দরজা-জানালার কাচ ভাঙা হয়। ইনভার্টার, এসি, জিমের সরঞ্জাম ও ইলেকট্রিক মিটার বক্সেও ভাঙচুর চালায় বলে অমিয়বাবু অভিযোগ করেন। তাঁর আরও অভিযোগ, এই ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে তৃণমূল যুক্ত। একই সঙ্গে বাইরে থেকে ভাড়া করা গুন্ডা এনে এই অপকর্ম করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও দলের জেলা কমিটির সদস্য তারাশঙ্কর রায় সরাসরি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সিপিএম সব সময় ‘তৃণমূল-তৃণমূল’ স্বপ্ন দেখে। অমিয় পাত্রের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তৃণমূল জড়িত নয় দাবি করে তিনি বলেন, ওই ঘটনা সিপিএমের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই ঘটেছে। এ বিষয়ে বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র বলেন, তাঁরা যে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার উপর এই ধরনের আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেন। বিজেপি এই ধরনের হিংসার রাজনীতিকে সমর্থন করে না বলে তিনি জানান।

অমিয় পাত্রের তালডাংরার বাড়িতে আক্রমণের প্রতিবাদে দলের জেলা কমিটির পক্ষ থেকে বিকেল ৫টায় বাঁকুড়া শহরের মাচানতলায় এক সভার আয়োজন করা হয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here