trinamool congress

কলকাতা: উলুবেড়িয়া লোকসভা এবং নোয়াপাড়া বিধানসভার উপনির্বাচন হতে চলেছে আগামী ২৯ জানুয়ারি।সবং উপনির্বাচন থেকেই স্পষ্ট এই দুটি কেন্দ্রেও চতুর্মুখী লড়াই হতে চলেছে। এই প্রতিবেদন পোস্ট করা অবধি বিজেপি বাদে তৃণমূল, সিপিএম এবং কংগ্রেস তাদের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি ষোষিত প্রার্থীরাই মনোনয়ন জমা করতে চলেছেন।কিন্তু এখনই শাসক দল তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা দু’টি কেন্দ্রেই জয়ের বিষয়ে চরম আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু কেন?

উসুবেড়িয়ায় তৃণমূল প্রার্থী করেছে প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদের স্ত্রী সাজদা আহমেদকে। নোয়াপাড়ায় তাদের প্রার্থী সুনীল সিংহ। যিনি আবার গাড়ুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান। অন্য দিকে ২০১৬-র জোট সমীকরণ ভেঙে সিপিএম ও কংগ্রেস পৃথক ভাবে প্রার্থী দিয়েছে দু’টি আসনেই। উলুবেড়িয়া ও নোয়াপাড়ায় সিপিএমের প্রার্থী যথাক্রমে সাবির উদ্দিন মোল্লা এবং গার্গী চট্টোপাধ্যায়। সাবির উদ্দিনসাহেব গত নির্বাচনেও ওই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। গার্গীদেবীও ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী হিসাবে লড়েছিলেন নৈহাটি থেকে।

জাতীয় কংগ্রেস উলুবেড়িয়া এবং নোয়াপাড়ায় প্রার্থী করেছেন যথাক্রমে মুদ্দাসর হোসেন ওয়ারশি এবং গৌতম বসুকে। তবে এ সবের বাইরে এখন অনেকেরই লক্ষ্য বিজেপির দিকে। তারা কাকে প্রার্থী করবে, তা জানার একটা বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে সমসাময়িক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে। সাম্প্রতিক সবং উপনির্বাচন এবং গুজরাত ও হিমালচপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ফলাফল এর নেপথ্য কারণ হিসাবে কাজ করে থাকতে পারে। পাশাপাশি রয়েছে বাম দল এবং কংগ্রেসকে ছাপিয়ে এ রাজ্যে বিজেপির ক্রমবর্ধমান আস্ফালন। ঠিক এই অঙ্ক মেনেই নিজেদের জয়ের পথ মসৃণ বলে মনে করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

গত লোকসভা নির্বাচনে উলুবেড়িয়ায় তৃণমূল প্রার্থী সুলতান আহমেদ সিপিএমের সাবির উদ্দিনকে ২০১২২২ ভোটে পরাজিত করেন। আবার নোয়াপাড়ায় বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী বর্তমানে প্রয়াত মধুসূদন ঘোষ জিতেছিলেন ১০৯৫ ভোটে। কিন্তু তৃণমূল প্রার্থী মঞ্জু বসুর জয় প্রায় কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছিল।দু’টি আসনেই বিজেপি ছিল তৃতীয় স্থানে।

ফলে সে বার তৃতীয় স্থানে থাকা বিজেপি এ বার সর্ব শক্তি প্রয়োগ করে খুব বেশি হলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে পারলেও তৃণমূলের জয় যে নিশ্চিত, তা এখন থেকেই ধরে নিচ্ছেন দলের নেতা-কর্মীরা। তবে তৃণমূলের এক রাজ্য স্তরের নেতা বলেন, ‘নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক মত প্রকাশের পদ্ধতি। ফলে আমারা দলীয় ভাবে জয়ের কথা বললেও জনগণই এই ফলাফল নিশ্চিত করবেন। বিগত ছবছরে মা-মাটি-মানুষের সরকার রাজ্যের উন্নয়নে যে কর্মসূচি পালন করেছে, তার নিরিখেই মানুষ আমাদের ভোট দেবেন।’

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন