bikram ghosh
rintu brahma
রিন্টু ব্রহ্ম

বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। ছেলে হতে চায় ডাক্তার। তবে সংসার চালাতে ছেলেও সেই কাজে যুক্ত থেকেছে মাঝেমাঝে। কিন্তু স্বপ্নপূরণে ত্রুটি রাখেনি। গ্রামের দিনমজুরের ছেলে এ বার মাধ্যমিকে ৬৩৫ নম্বর পেয়েছে। লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়ার। কিন্তু অভাবের সংসারে সেই স্বপ্নপূরণ হবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় সে। বাবা-মাও।

পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের সিজনা গ্রামের রিপিপাড়ার বাসিন্দা শ্যামল ঘোষ ও স্বপ্না ঘোষের ছেলে বিক্রম। অ্যাসবেস্টসের ছাউনির মাটির বাড়ি। সিজনা-উজনা পঞ্চপাড়া হাইস্কুল থেকে এ বার মাধ্যমিক দিয়েছিল বিক্রম। বুধবার ফল প্রকাশের পর থেকেই খুশির পরিবেশ গ্রামে। দিনমজুরের ছেলের অভাবনীয় সাফল্যে খুশি গ্রামবাসীরা। কিন্তু এর মধ্যেই দুশ্চিন্তার কালো মেঘ পরিবারে। ভালো ফল করে বিজ্ঞান নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করে চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছা মাধ্যমিকের এই কৃতীর। কিন্তু তা হতে গেলে প্রচুর খরচ রয়েছে। তা কী ভাবে জোগাড় হবে তা নিয়ে চিন্তিত পরিবারের লোকজন। আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য না থাকায় সব বিষয়ে গৃহশিক্ষকও ছিল না বিক্রমের। স্কুলের শিক্ষকরা সব রকম সহয়োগিতা করেছে তাকে। তাঁদের সহায়তাতেই এই সাফল্য বলে জানায় বিক্রম।

তার সাফল্যে উচ্ছ্বসিত স্কুলের শিক্ষকরা। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বীরবল মণ্ডল জানিয়েছেন, বিক্রমের সাফল্যে গর্বিত তাঁরা। তবে বিক্রমের উচ্চশিক্ষায় যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতা না আসে তার জন্য তাঁরা সব রকম সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। এখন লক্ষ্যপূরণে বিক্রম এগিয়ে যেতে প্রস্তুতি শুরু করেছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here