Connect with us

দুর্গা পার্বণ

সন্ধিপূজার সময় চৌষট্টি যোগিনীর উদ্দেশে ৬৪টি পদ্ম দেওয়া হয় হাওড়ার মল্লিক ফটকের ভট্টাচার্য পরিবারে

পুজোর সব ক’টি দিনে অন্নভোগ দেওয়া হলেও সন্ধিপূজার সময় লুচিভোগ দেওয়া হয় দেবীকে এবং এই সময়ে একটি বিশেষ পূজা হয়।

Published

on

ভট্টাচার্য পরিবারের দুর্গাপ্রতিমা।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

ইতিহাস ও ধারাবাহিকতা বঙ্গের সংস্কৃতিতে একটি অন্যতম বিষয়। সামনেই শারদীয়া উৎসব। এই মহোৎসবকে কেন্দ্র করে আপামর বাঙলি মেতে উঠছে উৎসবের আনন্দে। বনেদিবাড়ির ঠাকুরদালানও সেজে উঠছে উমার আগমনে। বনেদিবাড়িতে দশভূজা মহিষমর্দিনীর আরাধনা যেমন হয় নিষ্ঠার সঙ্গে তেমনই পরম্পরার রীতিনীতিও থাকে প্রবল। তেমনই এক বনেদিবাড়ি হল হাওড়ার মল্লিক ফটকের ভট্টাচার্যবাড়ি।

হাওড়া জেলার বনেদিবাড়িগুলির মধ্যে অন্যতম হল ভট্টাচার্যবাড়ি। আন্দুলের শঙ্করী কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ভৈরবীচরণ বিদ্যাসাগরের (ভট্টাচার্য) পূর্বপুরুষ দক্ষিণ রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণ সমাজভুক্ত নোয়াপাড়া অঞ্চলের শাণ্ডিল্য গোত্রীয় ‘ভট্টাচার্য’ উপাধিধারী বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের রঘুনাথ তর্কবাগীশ আন্দুলের দত্তচৌধুরী কর্তৃক সপরিবার প্রতিষ্ঠিত হন। এই রঘুনাথ তর্কবাগীশ শুরু করেছিলেন পরিবারে দুর্গার আরাধনা ১৬৫১ সালে।

আনুমানিক ১৭৬৫ সালে ভৈরবীচরণের কনিষ্ঠ পুত্র গোপীমোহন ভট্টাচার্য আন্দুলের সমস্ত সম্পত্তি ছেড়ে দিয়ে হাওড়া অঞ্চলের মল্লিক ফটকে চলে আসেন। আন্দুলের তৎকালীন জমিদার বসুমল্লিকদের দান করা ভদ্রাসনের ওপর তৈরি হয়েছিল ঠাকুরদালান সমেত বসতবাড়িও, কারণ মল্লিকদের গুরুবংশ ছিল ভট্টাচার্য পরিবার। এই ভাবেই হাওড়া অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল মল্লিক ফটকের ভট্টাচার্যবাড়ি। এ ছাড়াও আন্দুলের দক্ষিণপাড়ায় এঁদের এক শাখা (প্রেমিক ভবন/মাঝের বাড়ি) আছে সেখানে আনুমানিক সতেরো শতকের সত্তর দশক থেকে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে।

গোপীমোহনের দ্বিতীয় পুত্র রামনারায়ণের চারটি পুত্রসন্তানের মধ্যে অন্যতম ছিলেন উমাচরণ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বসতবাড়ি সংলগ্ন রাস্তাটি উমাচরণের নামেই চিহ্নিত করা হয় (ভট্টাচার্যবাড়ি তথা চ্যাটার্জিবাড়ির ঠিকানা: ১০নং উমাচরণ ভট্টাচার্য লেন, হাওড়া – ৭১১০০১)। আন্দুলের বাড়িতে পুজো শুরু হয় ১৬৫১ সালে এবং প্রাচীন পুজোটি স্থান পরিবর্তন করে মল্লিক ফটকের বাড়িতে চলে আসে আনুমানিক ১৭৬৫ সালে। মল্লিক ফটকের এই বাড়িতে বর্তমানে আর ভট্টাচার্যরা বসবাস করেন না, বসবাস করেন তাঁদের দৌহিত্র চট্টোপাধ্যায়রা।

উমাচরণের চার পুত্রের মধ্যে জ্যেষ্ঠপুত্র ছিলেন বরদাচরণ ভট্টাচার্য। তিনি ১৮৬২ সালে বসতবাড়ির ঠিক বিপরীতেই হাওড়া রামকৃষ্ণপুর হাই স্কুল স্থাপন করেন। এই বরদাচরণের একটি মাত্র কন্যাসন্তান, নাম অভয়াবালা(১৮৭০-১৯৬২)। অভয়াবালার বিবাহ হয় হুগলি জেলার বৈদ্যবাটীর তৎকালীন জমিদার ক্ষিতিশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কনিষ্ঠ পুত্র বাবু রমেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। অভয়াবালা দেবী বিবাহের পরও নিজের হাতে সামলাতেন পুজোর সমস্ত কাজ এবং অভয়াবালা দেবীর চার পুত্র পুজোর দায়িত্ব নিলেও ১৯৮৪-এর পর থেকে ভূপেন্দ্রনাথের বংশই সেই ভার কাঁধে নিয়েছিল। এই ভাবে মল্লিকফটকের ভট্টাচার্যবাড়ি তাঁদের দৌহিত্র চট্টোপাধ্যায়দের হয়ে যায়।

এই বাড়িতে দেবী সিংহবাহিনী দশভূজা, সঙ্গে রয়েছেন তাঁর চার সন্তান অর্থাৎ সেই সাবেকি ডাকের সাজের প্রতিমাই তৈরি হয় ভট্টাচার্যবাড়িতে। এই বাড়ির পুজো শুরু হয় রথযাত্রার দিন কাঠামোপুজোর মাধ্যমে। তার পর শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে ঘট বসিয়ে চণ্ডীপাঠ হয়। এই বাড়ির পুজো হয় কালিকাপুরাণ মতে, দক্ষিণাচারী তান্ত্রিক পদ্ধতি মেনেই। অতীতে মহিষবলি ও পাঁঠাবলি হত। বর্তমানে পশু বলিদান বন্ধ, তবে প্রতীকী বলিদান হয় সেই পুরাতন খাঁড়া দিয়ে।

দুর্গাপুজোর সপ্তমীর দিন ঠাকুরদালানেই নবপত্রিকার স্নান হয়। তার পর বরণ করে নবপত্রিকাকে স্থাপন করা হয়। পুজোর সব ক’টি দিনে অন্নভোগ দেওয়া হলেও সন্ধিপূজার সময় লুচিভোগ দেওয়া হয় দেবীকে এবং এই সময়ে একটি বিশেষ পূজা হয়। চৌষট্টি যোগিনীর পূজা, যাতে ৬৪টি পদ্ম নিবেদন করা হয়। মহানবমীর দিন কুমারীপুজো হয় এবং দশমীর দিন ভট্টাচার্যবাড়িতে কনকাঞ্জলি প্রথাও পালিত হয়।

এই বাড়ির প্রতিমা সকাল ১২টা থেকে ১টার মধ্যে বিসর্জন হয় এবং হাওড়া অঞ্চলের বনেদিবাড়ির মধ্যে এই ভট্টাচার্যবাড়ির প্রতিমাই প্রথম নিরঞ্জন হয়। এই ভাবে ঐতিহ্যের সঙ্গেই আজও পুজো করে আসছেন মল্লিক ফটকের ভট্টাচার্যবাড়ির সদস্যরা।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

দশমীতে মাছপোড়া খেয়ে নিয়ম ভঙ্গ করে পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার সরকার পরিবার

কলকাতা

আজ ষষ্ঠী: পঞ্চমীর রাতে অচেনা কলকাতা, মাস্ক পরে প্রতিমাদর্শন

পুজোর গন্ধটুকু উপভোগ করতে সাধারণ মানুষ দূর থেকেই দর্শন করছেন দেবীকে, সঙ্গে রয়েছে স্যানিটাইজার আর মাস্ক।

Published

on

Ekdalia Evergreen
একডালিয়া এভারগ্রিনে মায়ের মুখ।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে, তবে তিলোত্তমার রাস্তাঘাট কেমন যেন অচেনা। সেই চেনা উৎসবের ছবি কোথাও গিয়ে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তাই এ বছর শারদীয়াকে মহোৎসব না বলে শুধুমাত্র উৎসব বলেই আখ্যায়িত করা যুক্তিযুক্ত।

সকলের মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ করছে। কারণ করোনাভাইরাস জনিত পরিস্থিতিতে আমরা সবাই এখন নানা বিধিনিষেধের মধ্যে আটকে পড়েছি। তবুও উমা বছরে এই চারটি দিনের জন্য আসেন, তাই পুজোর গন্ধটুকু উপভোগ করতে সাধারণ মানুষ দূর থেকেই দর্শন করছেন দেবীকে, সঙ্গে রয়েছে স্যানিটাইজার আর মাস্ক।

উত্তর কলকাতার মতন দক্ষিণ কলকাতার পুজোমণ্ডপগুলিতেও প্রবেশ করতে গেলে প্রতিটি দর্শনার্থীকে বিভিন্ন সুরক্ষাবিধি মান্য করতে হচ্ছে।

ঢাকুরিয়া বাবুবাগান (Babubagan) সর্বজনীন পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ এবং এ বছরের শিল্পভাবনার অন্যতম অধ্যাপিকা সুজাতা গুপ্তের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তিনি জানালেন তাঁদের পুজোমণ্ডপেও রয়েছে নানা ধরনের সুরক্ষাবিধি।

বাবুবাগান সর্বজনীন।

এ বছর বাবুবাগান সর্বজনীন তুলে ধরেছে বর্ধমান – রূপসী বাংলার গ্রাম-চিত্র। সেখানে যেমন রয়েছে রবীন্দ্র পাঠশালা তেমনই রয়েছে বাড়ির গৃহবধূদের সন্ধ্যায় প্রদীপ দেওয়ার জন্য তুলসীমঞ্চ। এই গ্রামে আপনি দেখতে পাবেন মহিলারা ধান ভানছেন তেমনই দেখবেন কামারদেরও। অর্থাৎ গ্রামবাংলার সমগ্র চিত্র তুলে ধরেছেন সুজাতা গুপ্ত তাঁর ভাবনার মাধ্যমে।

এ বছর তাঁরা সাধারণ দর্শনার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে স্যনিটাইজারের ব্যবস্থা করেছেন, রয়েছে থার্মাল স্ক্রিনিংএর ব্যবস্থাও। এ ছাড়া দর্শনার্থীরা এক সঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন না মণ্ডপে। তবে বাবুবাগান কমিটির সদস্যরা আরও বলেন, “মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের রায় মেনেই সুষ্ঠু ভাবে এ বছর তাঁরা পুজো পরিচালনা করছেন।”

বাবুবাগান থেকে চলুন যাওয়া যাক যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লিতে (Jodhpur Park 95 Palli)। এদের সংস্কৃতি বিভাগের সম্পাদক নিমাই মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এ বছর তাঁদের থিম ‘লৌকিক’। অর্থাৎ মানুষের পাশে থেকে পুজোর অঙ্গীকার, এমনটাই এ বছরের ভাবনা বলে তিনি জানালেন। এই অসাধারণ পরিকল্পনাটি বাস্তবে রূপদান করেছেন শিল্পী সুশান্ত পাল।

যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লী।

পুজো কমিটির উদ্যোগে এ বছর মণ্ডপের গর্ভগৃহে কোনো সাধারণ দর্শনার্থীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়াও নিমাইবাবুর হিসেবে, পুজো কমিটির সদস্যরা ৪৫ জন করে প্রবেশ করতে পারবেন। প্রতি দিন সম্পূর্ণ মণ্ডপটি স্যানিটাইজ করা হচ্ছে যাতে ভাইরাসের প্রভাবে কোনো মানুষের কোনো ক্ষতি না হয়।

এ বছর ৯৫ পল্লির দুর্গামণ্ডপে মহাষ্টমীর অঞ্জলি দিতে পারবেন না সাধারণ মানুষ, হবে না সিঁদুরখেলাও। মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি যা রায় দান করেছেন সেই রায় মেনেই পুজো করবেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম অগ্রণী দুর্গাপুজো সিংহী পার্ক (Singhi Park) সর্বজনীনের পুজো। দীর্ঘ ৭৯ বছর ধরে তাঁরা ঐতিহ্যের সঙ্গে পুজো করে আসছেন। সিংহী পার্ক সর্বজনীন পুজোকমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জয়ন্তবাবু জানালেন, এ বছর তাঁদের পুজোর ৭৯তম বর্ষ।

সিংহী পার্ক।

তিনি বলেন, সিংহী পার্ক সর্বজনীন সব সময় সাবেকিয়ানায় বিশ্বাসী, তাই থিমের চমকানি নেই এখানে। পুজোর প্রতিমাশিল্পী প্রদীপ রুদ্র পাল। সাধারণ দর্শনার্থীদের শস্যশ্যামলা বসুন্ধরার আমেজ উপহার দিতেই সিংহী পার্কের সদস্যরা এ বছর তৈরি।

তবে করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর পুজোমণ্ডপের সামনে এক সঙ্গে ২০ জনের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম চলবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে মাস্ক পরেই মণ্ডপে প্রবেশ করতে হবে এবং পুজো কমিটির তরফ থেকে দর্শনার্থীদের মাস্ক, স্যানিটাইজার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ বছর চন্দননগরের আলোকসজ্জাও হয়নি পুজোমণ্ডপের সামনে। বিসর্জনের দিন কোনো শোভাযাত্রার আয়োজন থাকছে না। সিংহী পার্ক সর্বজনীন এ বছর সমস্ত রকমের নিয়মবিধি মেনে উমার আরাধনায় মগ্ন হয়েছে।

হিন্দুস্তান পার্ক।

দক্ষিণ কলকাতায় মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ‘হিন্দুস্তান পার্ক সর্বজনীনে’ এ বছর দশমীর দিন সিঁদুরখেলা হচ্ছে না। পুজো কমিটির সম্পাদিকা বীথি বসুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এ বছর তাঁদের পুজো ৫৮তম বর্ষে পদার্পণ করল। বীথিদেবী জানান, এই পুজো ছ’ বছর ধরে মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এবং থিমের পুজো হচ্ছে। তার আগে সাবেকি পুজো অনুষ্ঠিত হত হিন্দুস্থান পার্কে।

করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ যখন বিপর্যস্ত সেই সময় এক অসাধারণ ভাবনা নিয়ে এসেছে এই পুজো কমিটি। ভাবনাটি হল প্রাণবায়ুকেন্দ্রিক, তাই দু’টি ফুসফুসকে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ মানুষের শরীরে এই ফুসফুসের অবদান অনস্বীকার্য, তাই সেই ফুসফুসকেই তুলে ধরেছে হিন্দুস্তান পার্ক (Hindustan Park)।

সাধারণ দর্শনার্থীদের গর্ভগৃহে প্রবেশের অধিকার নেই এবং তাদের শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে মাস্ক পরে আসতে হবে। তা ছাড়া কমিটির তরফ থেকেও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া এই পুজোয় কমিটিতে দু’টি স্টল করা হয়েছে – একটি কোভিড সুরক্ষা স্টল আর অন্যটিতে থাকবেন থাকবেন নার্সেরা। এমনই অভিনব উদ্দ্যোগ নিয়েছেন কমিটির সদস্যারা।

যোধপুর পার্ক সর্বজনীন।

এ ছাড়াও একডালিয়া এভারগ্রিন (Ekdalia Evergreen) থেকে শুরু করে যোধপুর পার্ক (Jodhpur Park) সর্বজনীন, সর্বত্রই রয়েছে বিভিন্ন সুরক্ষাবিধি। একডালিয়া এভারগ্রিনের পুজোয় এ বার গর্ভগৃহে প্রবেশের অধিকার পাচ্ছেন না দর্শনার্থীরা, তেমনই যোধপুর পার্ক সর্বজনীনেও আপনাকে বাইরে থেকেই দর্শন করতে হবে দেবীপ্রতিমা।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

পুজো কমিটির আর্জি খারিজ করল হাইকোর্ট, দর্শকহীনই রাখতে হবে মণ্ডপ

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

দুর্গোৎসব বাংলাদেশে: বরদেশ্বরীতে বস্ত্র বিতরণে অভিনেত্রী শাহনূর, ঢাকেশ্বরীতে মাস্ক বিতরণ সমাজসেবী রাহা কাজীর

পঞ্চমীতে ঘট বসার দিনেই লোকে লোকারণ্য ঢাকার বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির।

Published

on

বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ।

ঋদি হক: ঢাকা

সনাতন ধর্মমতে এ বারে মা আসছেন দোলায় চড়ে। এতে দুর্যোগ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফিরবেন হাতিতে। তাতে সুখশান্তি ফিরবে। ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার।

করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করে দুর্গোৎসবের আয়োজনটা ফিকে হয়ে গিয়েছে। করোনার  ছোবলে রাত ৯টার পরিবর্তে সন্ধ্যারতির পরই বন্ধ হয়ে যাবে মন্দিরের দরজা। আর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে প্রবেশে এ বারেই বাঁশ দিয়ে ৬টি লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি বারে ৫০ জন করে দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন। বুধবার মন্দির চত্বরে সাংবাদিক বৈঠকে এমনটিই জানালেন মহানগর সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাবেক সচিব শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির চত্বরে সাংবাদিক বৈঠক।

শৈলেন্দ্রবাবু জানালেন, অঞ্জলির অনুষ্ঠান একাধিক টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। বাড়িতে বসে অঞ্জলি দিতেই সবাইকে উৎসাহিত করছে পূজা কমিটি। দিন কয়েক আগেও রাত ৯টা পর্যন্ত মন্দির খোলা রাখার কথা বলা হয়েছিল, এ কথা জানিয়ে শৈলেন্দ্রবাবু বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে আমাদের নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

কিন্তু পঞ্চমীতে ঘট বসার দিনেই লোকে লোকারণ্য ঢাকার বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির। সবার মুখে মাস্ক। দীর্ঘ লাইন। মূল মণ্ডপের সামনে বেশ কিছু সারিতে দুস্থ মানুষের দীর্ঘ লাইন। এখানে কোনো ধর্মের বিচার করা হয় না। মানবধর্মকে সামনে রেখেই দুস্থদের বস্ত্র বিতরণ করেন মন্দির কমিটির সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাস।

দুপুরে মন্দিরের সদর দরজা পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই থমকে যেতে হল। এত মানুষ! মন্দিরের মঞ্চের সামনে বাংলাদেশের বিশিষ্ট অভিনেত্রী শাহনূর। তিনি পশ্চিমবাংলার বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁর হাত থেকে বস্ত্র নিচ্ছে শ’ শ’ মানুষ। পাশে চিত্তরঞ্জনবাবু।

বিশিষ্ট অভিনেত্রী শাহনূর বস্ত্র বিতরণ করলেন বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দিরে।

শাহনূর বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। বাংলাদেশের মানুষ এই মন্ত্রেই দীক্ষিত। আমরা এতে বিশ্বাস করি। তাই বাংলাদেশে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হয় সর্বজনীন উৎসব হিসেবে। এই উৎসবে মুসলিম ধর্মের মানুষরাই বেশি যোগদান করে থাকেন। আমরা প্রতি বছর পুজোয় সম্মিলিত ভাবে যোগ দিই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও যথেষ্ট উদার। তিনি সব সময় বলে থাকেন, ধর্মের সঙ্গে উৎসবের কোনো মিল নেই। ধর্ম যার যার, উৎসবটা সবার। এ বারের পূজায়ও অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মাস্ক বিতরণ করতে এসে বিশিষ্ট সমাজসেবী রাহা কাজী বলেন, “হিন্দু-মুসলিমের মিলন মেলা হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। কিন্তু এ বারে তাদের কষ্ট, করোনায় উৎসবটা বাদ দিতে হয়েছে।” তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে পুজোয় যোগ দিতে অনুরোধ জানান। তিনি এ-ও জানালেন, করোনা সত্ত্বেও অনেক ভক্ত মন্দিরে আসবেন। তাঁরা যাতে মাস্ক পরে মাকে দর্শন করতে পারেন, তার জন্য তাঁরা মাস্ক বিতরণ করছেন।

বিশিষ্ট সমাজসেবী রাহা কাজী মাস্ক বিতরণ করলেন ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে।

করোনার কারণে সাত্ত্বিক পূজার মধ্যেই দুর্গাপূজা সীমাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় পুজা উদযাপন কমিটি। সন্ধ্যারতির পর মন্দির বন্ধ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে সারা দেশে। সবটাই করা হচ্ছে করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য।

সভাপতি শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার জানান, জাতীয় মন্দির থেকে সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পুজার দিন বেলা পৌনে ১১টায় মায়ের পুষ্পাঞ্জলি সরাসরি সম্প্রচার করবে একাধিক টেলিভিশন। সরাসরি মন্দিরে না এসে বাড়ি বসেই যাতে করে অঞ্জলি দেওয়া সম্ভব হয়, সে জন্য ফেসবুক লাইভের ব্যবস্থা থাকবে।

সনাতন বিশ্বাসে কৈলাসশিখর ছেড়ে পিতৃগৃহে আসা মা দুর্গার অকালবোধন। ভোরের শিউলি ছড়াচ্ছে মোহনীয় গন্ধ। এমন শারদীয় আবহেই শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ বারে বাংলাদেশে ৩০ হাজার ২১৩টি পূজা উদযাপন হচ্ছে। এর মধ্যে মহানগরীতে হচ্ছে ২৫৪টি। গত বছরের চেয়ে ৩টি কমেছে। আর সারা দেশে কমেছে প্রায় এক হাজারের মতো। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পুজা উদযাপন হচ্ছে চট্টগ্রাম ডিভিশনে ৪ হাজার ১৪২টি।

পঞ্চমী তিথিতে শারদীয় বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী ঢাকা। উৎসবের সঙ্গে বৃষ্টিযোগ নতুন নয়। তীব্র গরমে হাপিত্যেশ করা নগরবাসীর জন্য বিকেলের মুষলধারায় এক পশলা বৃষ্টি যেন আশীর্বাদ। 

সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও দুপুরের পর হঠাৎ  মেঘের আড়ালে মুখ লুকোয় সূর্য। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নামে বৃষ্টি। হঠাৎ মেঘ কালো করে আসা এ বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষ কিছুটা ভোগান্তিতে পড়লেও স্বস্তি ফিরেছে রাজধানী জুড়ে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

দুর্গোৎসব বাংলাদেশে: করোনা কেড়ে নিয়েছে বরদেশ্বরী কালীমন্দিরের দুর্গাপুজোর উৎসব

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

‘বড়ো ধাক্কা’, পুজো নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে প্রতিক্রিয়া অধীররঞ্জন চৌধুরীর

রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন অধীর!

Published

on

অধীররঞ্জন চৌধুরী। প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

কলকাতা: ‘পুজোমণ্ডপ দর্শকশূন্য’ রাখার রায়ের পর দিনই পুনর্বিবেচনার আর্জি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ফোরাম ফর দুর্গোৎসব। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে আংশিক পরিবর্তন ছাড়া মূল রায় অপরিবর্তিত রেখেছে উচ্চ আদালত।

হাইকোর্টের এই রায়কে মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “উৎসবমুখর বাঙালি, বারো মাসে তের পার্বণের বাঙালি হতাশ। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই উৎসবকে কেন্দ্র করে রুটিরুজির সংস্থান করতেন। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে একটা বড়ো অর্থনীতির সামনে এটা একটা বড়ো ধাক্কা। কিন্তু পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হাইকোর্টের এই রায় প্রত্যেকেরই মেনে চলা উচিত”।

সাংবাদিকদের সামনে অধীরবাবু বলেন, “দুর্গাপুজোর জনসমাগমে হাইকোর্ট রাশ টানায় বাঙালির আনন্দ উৎসবে একটু ঘাটতি হলেও , মনে রাখতে হবে উৎসবের থেকে জীবন আগে। আজকের উৎসবের আনন্দ আগামীকাল করোনার বিভীষিকায় না পরিণত হয়”।

রাজ্য সরকারকে নিশানা করে অধীরবাবু বলেন, “আসন্ন দুর্গোৎসবের বিপুল জনসমাগমে অসংখ্য মানুষের ভিড়ে সংক্রমণ কী ভাবে আটকাবে তার কোনো পথ আদালতকে বলতে পারেনি রাজ্য সরকার। সুনির্দিষ্ট, সুচিন্তিত পরিকল্পনার অভাব , উপরন্তু সরকার নিজেই স্বীকার করেছে করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণ স্তরে চলে গেছে, এ অবস্থায় হাইকোর্টের কাছে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে আর কোনো পথ ছিল না”।

পুজো কমিটিগুলোকে রাজ্যের তরফে ৫০ হাজার টাকার অনুদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মানুষের থেকে ভোটের অঙ্কটাই বড়ো। তাই মহামারির সময়েও যে টাকা মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় খরচ হতে পারত, সেই বিপুল টাকা আগামী বছরের ভোটপুজোর জন্য ক্লাবগুলোকে দিলেন, সরকারি খাত থেকে।
চিকিৎসার খরচ চালাতে না পেরে , বেডের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে যেখানে প্রতিদিন রাজ্যে মানুষ মরছে”।

তিনি বলেন, “তবু আমার সন্দেহ আছে হাইকোর্টের রায়কে কতটা বাস্তবায়িত করবেন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পুলিশ প্রশাসন। এই রায় বাস্তব রূপ তখনই পাবে যখন রাজ্যের আমলা, পুলিশ এই নির্দেশকে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করবে। মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় রাজ্যে বলবৎ হতে দেবেন কি না সন্দেহ রয়েছে। কারণ মানুষের জীবনের চেয়ে তাঁর কাছে ভোটের অঙ্কটাই বড়ো”।

আরও পড়তে পারেন: পুজো কমিটির আর্জি খারিজ করল হাইকোর্ট, দর্শকহীনই রাখতে হবে মণ্ডপ

Continue Reading

Amazon

Advertisement
ক্রিকেট19 mins ago

অস্ট্রেলিয়ায় ৩২ জনের ভারতীয় দল পাঠাতে পারে বিসিসিআই

দেশ27 mins ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৫৫৮৩৯, সুস্থ ৭৯৪১৫

coronavirus
দেশ28 mins ago

এক দিনে ২৪ হাজার সক্রিয় রোগী কমল ভারতে, দৈনিক সংক্রমণের হার চার শতাংশের নীচে

uddhav thackeray
দেশ1 hour ago

সংঘাত বাড়ল কেন্দ্রের সঙ্গে, সিবিআইকে তদন্তের জন্য সাধারণ সম্মতি প্রত্যাহার করল মহারাষ্ট্র সরকার

রাজ্য2 hours ago

‘সব বাঙালি বাংলাদেশি’, বাঙালি বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত মেঘালয়

বিদেশ2 hours ago

ব্রাজিলে মৃত স্বেচ্ছাসেবক টিকা নেয়নি, বন্ধ হচ্ছে না ট্রায়াল

রাজ্য2 hours ago

ষষ্ঠীর সকাল থেকে কলকাতায় ঝোড়ো হাওয়া, উপকূলে বৃষ্টি শুরু

Ekdalia Evergreen
কলকাতা9 hours ago

আজ ষষ্ঠী: পঞ্চমীর রাতে অচেনা কলকাতা, মাস্ক পরে প্রতিমাদর্শন

দেশ27 mins ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৫৫৮৩৯, সুস্থ ৭৯৪১৫

দেশ2 days ago

আজ থেকে ৩৯২টি উৎসব স্পেশাল ট্রেন, দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ তালিকা

দেশ2 days ago

কোভিড মহামারিতে বিহার ভোটে খরচের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ল ১০ শতাংশ

দুর্গা পার্বণ3 days ago

পুজোয় রোজই বৃষ্টি, ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী সম্ভাবনা ভারী বর্ষণের

durga
রাজ্য3 days ago

রাজ্যের সব পুজো প্যান্ডেল ‘নো এন্ট্রি জোন’, ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের

রাজ্য13 hours ago

প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন নরেন্দ্র মোদী, আদর্শ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: বিমল গুরুং

বিনোদন3 days ago

কয়েক দিনের মধ্যেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে হাঁটানোর চেষ্টা করা হবে, জানালেন ডাক্তার

প্রবন্ধ2 days ago

‘গায়কদের গায়ক’ অখিলবন্ধু ঘোষ: শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 weeks ago

মেয়েদের কুর্তার নতুন কালেকশন, দাম ২৯৯ থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজো উপলক্ষ্যে নতুন নতুন কুর্তির কালেকশন রয়েছে অ্যামাজনে। দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে। তেমনই কয়েকটি রইল এখানে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা3 weeks ago

‘এরশা’-র আরও ১০টি শাড়ি, পুজো কালেকশন

খবর অনলাইন ডেস্ক : সামনেই পুজো আর পুজোর জন্য নতুন নতুন শাড়ির সম্ভার নিয়ে হাজর রয়েছে এরশা। এরসার শাড়ি পাওয়া...

কেনাকাটা3 weeks ago

‘এরশা’-র পুজো কালেকশনের ১০টি সেরা শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো কালেকশনে হ্যান্ডলুম শাড়ির সম্ভার রয়েছে ‘এরশা’-র। রইল তাদের বেশ কয়েকটি শাড়ির কালেকশন অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা3 weeks ago

পুজো কালেকশনের ৮টি ব্যাগ, দাম ২১৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : এই বছরের পুজো মানে শুধুই পুজো নয়। এ হল নিউ নর্মাল পুজো। অর্থাৎ খালি আনন্দ করলে...

কেনাকাটা3 weeks ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা4 weeks ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা4 weeks ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা4 weeks ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 month ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা1 month ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

নজরে