বন্যায় কবলিত উদয়নারায়ণপুরের দশটা পঞ্চায়েত, শনিবার আরও খারাপ হতে পারে পরিস্থিতি

0

উদয়নারায়ণপুর: জুলাইয়ের শেষে এবং আগস্টের শুরুতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, এ বার তার থেকেও ভয়াবহ পরিস্থিতি হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর ব্লকে। দামোদরের প্লাবনে ব্লকের ১১টির মধ্যে ১০টি পঞ্চায়েত জলে ডুবে গিয়েছে।

জলের তলায় চলে গিয়েছে আমতা-উদয়নারায়ণপুর এবং উদয়নারায়ণপুর-হাওড়া ভায়া মুন্সিরহাট রাজ্য সড়ক। ফলত, এই দুই রাস্তাতেই বন্ধ হয়ে গেল যান চলাচল।

দু’মাসের ব্যবধানে ফের বানভাসি হলেন এই ব্লকের প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকাল থেকেই সেনা নামানো হয়। এ ছাড়াও উদ্ধারকাজে নেমেছে জাতীয় এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

স্থানীয় সূত্রের খবর, বানভাসি পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেয়েছে মাত্র একটি পঞ্চায়েত— খিলা। উদয়নারায়ণপুর ব্লক প্রশাসন কার্যালয়কে সেখানেই সাময়িক ভাবে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। রাত পর্যন্ত ১৬ হাজার মানুষকে মোট ৯২টি ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে এবং সেখানে রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান বিডিও সুব্রত শীট।

জেলা প্রশাসনের একটি সূত্রের খবর, ডিভিসি ১ লক্ষ কিউসেকের উপরে জল ছাড়লেই উদয়নারায়ণপুর ভেসে যায়। অগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডিভিসি ১ লক্ষ ৭০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছিল। তাতেই ডুবে গিয়েছিল পুরো ব্লক। এই দফায়, বৃহস্পতিবার ডিভিসি জল ছাড়ে ২ লক্ষ ৩১ হাজার কিউসেক।

সব জল এসে পৌঁছলে কী হবে, এটাই এখন চিন্তা প্রশাসনের কর্তাদের। এখনও পর্যন্ত পড়শি ব্লক আমতা-২ ব্লকে জল ঢোকেনি। কিন্তু শনিবার দামোদর বেয়ে আরও জল চলে এলে পরিস্থিতি কী হবে সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না প্রশাসনিক কর্তারা।

আরও পড়তে পারেন

দ্বারকেশ্বরের ভয়াল রূপ হারাল আটাত্তরের স্মৃতিকেও, বন্যায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন আরামবাগ

পশ্চিমবঙ্গে বন্যা কবলিত ২২ লক্ষ, বেশ কিছু জায়গায় নেমেছে সেনা

বিজেপির বৈঠকে নেই হিরণ-সহ ছয়, বিধায়ক সংখ্যা আরও কমার আশংকা গেরুয়া শিবিরে

দুর্গাপুজো, কালীপুজোয় কোনো দর্শনার্থী মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন না, জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

ফের করোনা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়াল রাজ্য, পুজোর সময় কিছুটা ছাড়

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন