anubrata

কলকাতা: ‘মশারি টাঙিয়ে’ মনোনয়ন পর্বে প্রায় সব বিরোধী প্রার্থীকেই জেলা পরিষদ আসনে আটকে দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছিলন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। বিরোধী শূন্য পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে তিনি দলীয় কর্মীদের বলেছিলেন মশারি টাঙাতে, যাতে একটা মাছিও না গলতে পারে। আগামী সোমবার হাইকোর্টে শুনানি হতে চলেছে পঞ্চায়েত মনোনয়ন মামলার। হাইকোর্ট যদি মনোনয়নের জন্য অতিরিক্ত দিন বরাদ্দ করে তা হলে ফের যে তিনি ‘মশারি’র ব্যবস্থা করে রাখছেন, সে কথাও জানিয়ে দিয়েছেন দলীয় বৈঠকে।

অঙ্কের হিসাবে আর কোনো মতেই ১ মে থেকে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন শুরু করা সম্ভব নয় বলে ধরেই নিচ্ছেন রাজনীতির কারবারিরা। কারণ মনোনয়ন পেশের ২১-৩৫ দিনের মধ্যে ভোট করানোর নিয়ম রয়েছে। স্বাভাবিক ভাবে গত সোমবার হাইকোর্ট যদি নতুন করে মনোনয়ন পেশের জন্য দিন নির্ধারণ করে তা হলে অঙ্কের হিসাবে পূর্বনির্ধারিত দিনে ভোট শুরু করা যাবে না বলেই মনে করছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: ‘মশারি’তে আটকে গেল সব ‘মশা’, ভোটের আগেই একটি জেলা পরিষদ দখল করল তৃণমূল

কিন্তু তাই বলে যে বিরোধী দলগুলি হাইকোর্টের রায়কে হাতিয়ার করে হু-হু করে মনোনয়ন জমা করতে পারবেন, সে বিষয়েও তেমন কোনো নিশ্চয়তা মিলছে না। সম্প্রতি বীরভূমের ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি ও দলের জেলা সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন অনুব্রতবাবু। জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন ফের ‘মশারি’ প্রস্তুত করে রাখার জন্য।

যদিও বৈঠক সেরে অনুব্রতবাবু দাবি করেছেন, তাঁরা আদালতের সমস্ত নির্দেশ মেনেই চলবেন। ভোট পরিচালনা করার জন্য তৃণমূলের এলাকা ভিত্তিক কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তারাই সমস্ত কিছু দেখবে।

অন্য দিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ১ বৈশাখের একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, “এ বার গুন্ডাদের পান্ডারা মার খাবে”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন