দার্জিলিং: পাহাড়ে অনির্দিষ্টকালের বন্‌ধ  চালিয়ে যাওয়া হবে। সেই সঙ্গে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) থেকে সব নির্বাচিত সদস্য ইস্তফা দেবেন। মঙ্গলবার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা আহূত সর্বদল বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়।

দার্জিলিং জিমখানা ক্লাবে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে ১৪টি দল ও সমাজসেবী সংগঠন যোগ দেয়। বিজেপি-ও বৈঠকে ছিল। তবে তৃণমূল কংগ্রেস ও বাম দলগুলি বৈঠকে যায়নি।

গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি কমিটি গড়া হয়, যার পোশাকি নাম অল ইন্ডিয়া কোঅর্ডিনেশন কমিটি ফর গোর্খাল্যান্ড।

পাহাড় থেকে সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয় ওই বৈঠকে। দার্জিলিং-এ মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখার জন্য রাজ্য সরকারের সমালোচনা করা হয়। বুধবার শিলিগুড়িতে রাজ্য সরকার যে সর্ব দল বৈঠক ডেকেছে তা বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মোর্চার ডাকা সর্ব দল বৈঠকে। পাহাড়ের দলগুলি ও বিভিন্ন সংগঠন আবার ২৪ জুন বৈঠকে বসবে।

ইতিমধ্যে মোর্চার এক প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজুজুর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে দার্জিলিং-এর পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here